ব্রিকস সম্মেলনে শি জিনপিং, কোন দিকে যাচ্ছে চীন-ভারত সম্পর্ক?
- আপডেট সময় ১০:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 8
সাত বছর পর ভারত সফরে যাচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। দিল্লিতে ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তার এই সফরকে চীন-ভারত সম্পর্ক স্থিতিশীল করার গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শির দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শির ভারত সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এর আগে ২০১৯ সালে ভারত সফরে এসেছিলেন তিনি। সে সময় চেন্নাইয়ের কাছে মামাল্লাপুরমে অনুষ্ঠিত অনানুষ্ঠানিক শীর্ষ সম্মেলনে মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন শি।
এবারের সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। এর প্রভাব ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তাতেও পড়েছে। একই সময়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোর তুলনায় ভারত ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কে কিছুটা উষ্ণতাও দেখা যাচ্ছে।
ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে শির এবারের সফরকে ২০১৯ সালের পর তার প্রথম ভারত সফর হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, তিনি মোদির দিকে ‘বন্ধুত্বের হাত প্রসারিত’ করছেন।
তবে দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যাবে—এমনটা মনে করার কারণ নেই বলে জানিয়েছে রয়টার্স। বিনিয়োগ স্থগিত হওয়া, ভিসা পেতে বিলম্ব এবং শিল্প সরঞ্জাম আমদানিতে বিধিনিষেধের মতো বিভিন্ন সমস্যার মুখে রয়েছেন দুই দেশের ব্যবসায়ীরা।
২০২০ সালে ভারত-চীন সীমান্তের কাছে গালওয়ানে সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনা নিহত হন। চীনের দাবি ছিল, ওই সংঘর্ষে তাদের চার সেনা নিহত হয়েছেন। ওই ঘটনার পর দুই দেশের সম্পর্কে বড় ধরনের অবনতি ঘটে।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে সম্পর্কের বরফ কিছুটা গলেছে। গত বছর সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) বৈঠকে যোগ দিতে চীনের তিয়ানজিন সফর করেন মোদি। সে সময় শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়।
ওই সময় রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের টানাপোড়েনও আলোচনায় আসে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা ৫০ শতাংশ শুল্ক ভারতীয় অর্থনীতির জন্য বড় চাপ তৈরি করেছিল।
আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ও দিল্লিভিত্তিক অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হর্ষ ভি পন্থের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ভরসার যোগ্য নয়’ এমন নীতি ভারত ও চীনকে নিজেদের মতপার্থক্য পাশে রেখে আলোচনায় বসার সুযোগ তৈরি করেছে।
বিবিসি নিউজ হিন্দিকে পন্থ বলেন, ‘দুই প্রতিবেশী দেশেরই একে অন্যকে প্রয়োজন এবং সেই কারণেই সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত বিরোধ নিয়ে দুই পক্ষই নরম মনোভাব দেখিয়েছে।’
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, ৬ সেপ্টেম্বর ভারতের অরুণাচল প্রদেশের ওয়াচাতে দুই দেশের সিনিয়র সামরিক কমান্ডার পর্যায়ের প্রথম ফ্ল্যাগ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন সীমান্তের চীনা অংশে দামাইয়ে দ্বিতীয় বৈঠক হয়।
এ ছাড়া গত বছর ভারত ও চীনের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু হয়েছে। দুই দেশের ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়াও কিছুটা শিথিল করা হয়েছে।
২০২৪ সালে রাশিয়ার কাজানে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে প্রায় পাঁচ বছর পর মোদি ও শি জিনপিং বৈঠক করেন। ওই সময় লাইন অব কন্ট্রোল বা এলএসি থেকে সেনা প্রত্যাহার এবং ২০২০ সালে শুরু হওয়া বিরোধের সমাধানে নেওয়া চুক্তিকে স্বাগত জানান তারা।
তখন দুই দেশের সম্পর্কে বরফ গলতে শুরু করেছে বলে ধারণা তৈরি হলেও হর্ষ ভি পন্থ মনে করেন, সীমান্ত বিরোধ দ্রুত শেষ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তার মতে, বিষয়টি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়াও সহজ নয়।
পন্থ বলেন, দুই পক্ষের মূল লক্ষ্য এখন সমস্যা যেন আর না বাড়ে এবং ২০২০ সালের মতো ঘটনা যেন পুনরায় না ঘটে। সীমান্ত নিয়ে আস্থা তৈরির জন্য চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ও ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের মধ্যেও বৈঠক হয়েছে। এরপর সামরিক কমান্ডার পর্যায়েও আলোচনা হয়েছে।
পন্থের মতে, চীন-ভারত সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করলেও দুই দেশের মধ্যে আস্থার ঘাটতি এবং বড় বাণিজ্য ঘাটতি এখনো গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা।
মিডিয়া প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, শি জিনপিং এবারের সফরে প্রায় ৪০০ সদস্যের একটি বড় প্রতিনিধি দল নিয়ে আসছেন, যাদের বেশিরভাগই ব্যবসা ও বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত।
তার মতে, গালওয়ানের ঘটনার পর ভারত স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে সীমান্তে যেকোনো সমস্যা সামগ্রিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলবে, যার মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কও রয়েছে।
একদিকে সীমান্তে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা চলছে, অন্যদিকে অর্থনৈতিক সম্পর্কেও কিছু পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। চলতি বছরের মার্চে গালওয়ান সংঘর্ষের পর আরোপ করা চীনা বিনিয়োগসংক্রান্ত কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করে ভারত।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইলেকট্রনিকস, মূলধনী পণ্য ও সৌর সেলসহ কয়েকটি খাতে এসব বিধিনিষেধের প্রভাব ছিল। পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু শিল্পে ভারতীয় ও চীনা কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের অনুমোদনও দ্রুত দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি স্মার্টফোন উৎপাদনে ভারতের ডিক্সন টেকনোলজিস ও চীনা নির্মাতা ভিভোর যৌথ উদ্যোগসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অনুমোদন করেছে নয়াদিল্লি।
তবে বড় কিছু বিনিয়োগ ও প্রকল্প এখনো বাধার মুখে। ভারত সরকারের একটি সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, বিওয়াইডি ও গ্রেট ওয়াল মোটরের মতো বড় চীনা গাড়ি নির্মাতাদের ক্ষেত্রে এসব শিথিলতা যথেষ্ট নয়। ভারতের পক্ষ থেকে বাড়তি তদন্তের মুখে পড়ে প্রতিষ্ঠান দুটি প্রস্তাবিত বিনিয়োগ পরিকল্পনা স্থগিত রেখেছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রয়টার্সকে জানিয়েছে, সম্প্রতি কিরগিস্তানে আয়োজিত এক সম্মেলনের সময় শি ও মোদির সংক্ষিপ্ত বৈঠক হয়। সেখানে দুই নেতা বলেন, ভারত ও চীন পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং অংশীদার; একে অন্যের উন্নয়নের জন্য হুমকি নয়, সুযোগ।
দুই দেশই একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিজেদের অস্থিতিশীল সম্পর্কের প্রভাব মোকাবিলা করছে। পন্থের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের অবনতি হয়েছে এবং ইউরোপও চীনের প্রতি কঠোর অবস্থান নিয়েছে। চীনের অর্থনীতি যেহেতু রপ্তানিনির্ভর, তাই বড় বাজার হিসেবে ভারত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
তবে ভারতের জন্য বড় সমস্যা বাণিজ্য ঘাটতি। পন্থের হিসাবে, দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। চীনে ভারতীয় পণ্যের বাজার সীমিত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তার মতে, ভারত উৎপাদন খাতে কৌশলগত ক্ষেত্রের বাইরে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বাড়াতে চায়। এজন্য প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রয়োজন, যাতে ভারত বৈশ্বিক মূল্য শৃঙ্খলে আরও এগিয়ে যেতে পারে। শির দিল্লি সফরে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
চীন কী চায়
সাংহাইয়ের ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিশেষজ্ঞ এবং নয়াদিল্লিতে চীনা দূতাবাসের সাবেক কূটনীতিক লিন মিনওয়াং রয়টার্সকে বলেছেন, চীন অবশ্যই সম্পর্কের উন্নতি চায়। তবে ভারতও এ বিষয়ে কতটা আগ্রহী, সেটি দেখতে চায় বেইজিং।
তার বক্তব্যে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা খুব বেশি নয় বলেই ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
অন্যদিকে পন্থের মতে, চীনের বড় অর্থনৈতিক শক্তি রয়েছে এবং দেশটি চাইলে সেই শক্তি ব্যবহার করে নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে যখন ভারত ও চীন উভয়েই যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যনীতির প্রভাব মোকাবিলা করছে, তখন অর্থনৈতিক সহযোগিতা দুই দেশের স্বার্থেই যেতে পারে।
তবে এজন্য বাণিজ্য ঘাটতির পাশাপাশি বাজারে প্রবেশাধিকার, বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বিধিনিষেধের মতো বিষয়গুলোতে দুই পক্ষকে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। এসব সমস্যা কতটা সমাধান করা সম্ভব হয়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসও ব্রিকস সম্মেলনকে ঘিরে ভারত-চীন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের উন্নতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১৫১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এর মধ্য দিয়ে চীন আবারও ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। দুই দেশের সম্পর্কে নানা টানাপোড়েন থাকলেও বাণিজ্যের এই পরিসংখ্যান অর্থনৈতিক সম্পর্কের শক্ত ভিত্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
যেসব বাণিজ্যিক বাধা রয়ে গেছে
সম্পর্কে উষ্ণতা এলেও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে অচলাবস্থা পুরোপুরি কাটেনি। গত সপ্তাহে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের অ্যান্ট গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান আলিপের একটি প্রস্তাব অনুমোদনে রাজি হয়নি ভারত। ওই প্রস্তাবের আওতায় ভারতের তাৎক্ষণিক পেমেন্ট ব্যবস্থার সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিকে যুক্ত করার কথা ছিল। জাতীয় নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে ভারত অনুমোদন দেয়নি।
আরেক প্রতিবেদনে রয়টার্স জানিয়েছে, চীনা মোবাইল ফোন নির্মাতা শাওমির বিরুদ্ধে তদন্তের সুপারিশ করার কথা বিবেচনা করছে ভারত সরকার। ভারতে কোম্পানিটির কার্যক্রমে কথিত অনিয়ম এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগের বিষয়টি তদন্তের আওতায় আসতে পারে। তবে শাওমি বরাবরই দাবি করে আসছে, তারা আইন মেনেই কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
অন্যদিকে চীনের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন বিধিনিষেধ রয়েছে। ভারতীয় সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, চীনা কর্মকর্তারা দেশটির কোম্পানিগুলোকে বন্দর সরঞ্জাম, সৌর প্যানেল ও মোবাইল উৎপাদন সরঞ্জামসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি ও অবকাঠামোগত পণ্য ভারতে বিক্রি না করার নির্দেশ দিয়েছেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সৌরশক্তি ও ইলেকট্রনিকসের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ চীনা কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে আটকে রাখা হচ্ছে। একজন সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে, এভাবে কয়েকটি টানেল নির্মাণের যন্ত্র এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আটকে রয়েছে।
হর্ষ ভি পন্থের মতে, ভারত ও চীন উভয় পক্ষই কিছু বিধিনিষেধ কমাতে পারে। তবে রাতারাতি সম্পর্কের চিত্র বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। ভারত চীনের অর্থনৈতিক শক্তি থেকে লাভবান হতে চায় এবং কীভাবে চীনা বিনিয়োগ আনা যায়, তা নিয়ে দেশটিতে আলোচনা চলছে।
অন্যদিকে চীনকেও দেখাতে হবে যে ভারতের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিষয়ে তারা আন্তরিক। এর একটি উদাহরণ হতে পারে চীনা বাজারে ভারতীয় পণ্যের প্রবেশাধিকার বাড়ানো।
গ্লোবাল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের বাজারে ভারতের কৃষিপণ্য, খনিজ সম্পদ এবং বিশেষ করে ভোগ্যপণ্যের প্রবেশের বড় সম্ভাবনা রয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বিবিসির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দুই দেশের বাণিজ্য সহযোগিতা বাড়লে ভারতের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন খাতও এর সুফল পেতে পারে।























