ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

জাপানে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ১৩, আশ্রয়ে দেড় লাখ মানুষ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • / 17

ছবি সংগৃহীত

জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কিউশু দ্বীপে আঘাত হানা ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।
তিনি নিহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করে উদ্ধারকর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখনও বহু মানুষ উদ্ধারের অপেক্ষায় রয়েছেন এবং উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলে আঘাত হানা ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল কিউশু দ্বীপের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে, ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। অগভীর উৎস হওয়ায় শক্তিশালী পরাঘাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে জাপান আবহাওয়া সংস্থা। ইতোমধ্যে ৬১টি পরাঘাত রেকর্ড করা হয়েছে।

ভূমিকম্পের কারণে দেড় লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাজার হাজার বাড়িতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়েছে এবং বিভিন্ন সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কুমামোটো এলাকায় একটি ফুটব্রিজ ধসে পড়লেও বিকল্প সেতু দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

আরও পড়ুন  বিশ্বের ষষ্ঠ শক্তিশালী ভূমিকম্প: রাশিয়ার সুনামি বিপদ

এছাড়া টোকিওর হানেদা বিমানবন্দরে অন্তত ৪০টি অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল বা বিলম্বিত হয়েছে। যাত্রীদের ভ্রমণের আগে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ভূমিকম্পের পর জারি করা সুনামি সতর্কতা এক ঘণ্টার মধ্যেই প্রত্যাহার করা হয়। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক আনবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, উৎপত্তিস্থল থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরের সেন্দাই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিরাপদ রয়েছে এবং এর কার্যক্রম স্বাভাবিক আছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি

নিউজটি শেয়ার করুন

জাপানে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ১৩, আশ্রয়ে দেড় লাখ মানুষ

আপডেট সময় ০৩:০১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কিউশু দ্বীপে আঘাত হানা ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।
তিনি নিহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করে উদ্ধারকর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখনও বহু মানুষ উদ্ধারের অপেক্ষায় রয়েছেন এবং উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলে আঘাত হানা ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল কিউশু দ্বীপের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে, ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। অগভীর উৎস হওয়ায় শক্তিশালী পরাঘাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে জাপান আবহাওয়া সংস্থা। ইতোমধ্যে ৬১টি পরাঘাত রেকর্ড করা হয়েছে।

ভূমিকম্পের কারণে দেড় লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাজার হাজার বাড়িতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়েছে এবং বিভিন্ন সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কুমামোটো এলাকায় একটি ফুটব্রিজ ধসে পড়লেও বিকল্প সেতু দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

আরও পড়ুন  আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে এক লাখ কর্মী নেবে জাপান, সমঝোতা সই

এছাড়া টোকিওর হানেদা বিমানবন্দরে অন্তত ৪০টি অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল বা বিলম্বিত হয়েছে। যাত্রীদের ভ্রমণের আগে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ভূমিকম্পের পর জারি করা সুনামি সতর্কতা এক ঘণ্টার মধ্যেই প্রত্যাহার করা হয়। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক আনবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, উৎপত্তিস্থল থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরের সেন্দাই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিরাপদ রয়েছে এবং এর কার্যক্রম স্বাভাবিক আছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি