ঢাকা ১০:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ১৩ অঞ্চলে ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা টাইফুন ‘নউল’ ঘিরে চীনে উচ্চ সতর্কতা বিচার বহির্ভূত হ/ত্যা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমেছে: আইনমন্ত্রী জুলাইয়ের চেতনা ধারণ ছাড়া এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা সাংবাদিকদের কাজ অ্যাক্টিভিস্ট হওয়া নয়: তথ্যমন্ত্রী সব বাধা মোকাবিলা করে দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়ে আলোচনায় আসিফ নজরুলের মতামত চাপের মুখে পদ ছাড়লেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ১৭ বছর পর সিরিয়া সফরে জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেস নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বিএনপির উচ্চপর্যায়: রিজভী

টাইফুন ‘নউল’ ঘিরে চীনে উচ্চ সতর্কতা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৯:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
  • / 11

ছবি: সংগৃহীত

শক্তিশালী টাইফুন ‘নউল’ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসায় চীনের দক্ষিণাঞ্চল থেকে ২০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রেল চলাচল স্থগিতসহ বিভিন্ন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে এএফপি।

চীনের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র জানিয়েছে, শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে রোববার (২৬ জুলাই) সকাল পর্যন্ত হংকং থেকে গুয়াংডং প্রদেশের উপকূলীয় এলাকায় টাইফুনটি আঘাত হানতে পারে।

এ কারণে চার ধাপের সতর্কতা ব্যবস্থার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্তর ‘কমলা সতর্কতা’ বহাল রাখা হয়েছে। আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গুয়াংডং ও পার্শ্ববর্তী ফুজিয়ান প্রদেশের কিছু এলাকায় প্রবল ঝোড়ো বাতাস ও ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।

আরও পড়ুন  টানা ৫ দিনের বৃষ্টির পূর্বাভাস

রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, শুক্রবার রাত পর্যন্ত গুয়াংডং প্রদেশে ২০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাগরে থাকা মাছ ধরার নৌযানগুলোও বন্দরে ফিরে এসেছে।

সিসিটিভির তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকালে গুয়াংডংয়ের কয়েকটি ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। আর রোববার প্রদেশটির সব ট্রেন পরিষেবা স্থগিত থাকবে।

স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, গুয়াংডংয়ের চাওঝৌ শহরের স্কুলগুলোতে সব ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম ও অন্যান্য কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চলতি মাসেই চীনের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে চরম আবহাওয়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গুয়াংশি অঞ্চলে টাইফুন মায়সাকের প্রভাবে সৃষ্ট বন্যায় ৩৯ জন নিহত হন। এছাড়া মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশে বজ্রঝড় ও প্রবল বাতাসে আরও ১১ জনের মৃত্যু এবং ৩৩১ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

বিজ্ঞানীদের মতে, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারজনিত বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার ঘটনা আরও ঘন ঘন ও তীব্র হতে পারে। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণকারী দেশ হলেও চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে অন্যতম শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। দেশটি ২০৬০ সালের মধ্যে অর্থনীতিকে কার্বন-নিরপেক্ষ পর্যায়ে নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

টাইফুন ‘নউল’ ঘিরে চীনে উচ্চ সতর্কতা

আপডেট সময় ০৯:৫৯:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

শক্তিশালী টাইফুন ‘নউল’ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসায় চীনের দক্ষিণাঞ্চল থেকে ২০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রেল চলাচল স্থগিতসহ বিভিন্ন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে এএফপি।

চীনের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র জানিয়েছে, শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে রোববার (২৬ জুলাই) সকাল পর্যন্ত হংকং থেকে গুয়াংডং প্রদেশের উপকূলীয় এলাকায় টাইফুনটি আঘাত হানতে পারে।

এ কারণে চার ধাপের সতর্কতা ব্যবস্থার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্তর ‘কমলা সতর্কতা’ বহাল রাখা হয়েছে। আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গুয়াংডং ও পার্শ্ববর্তী ফুজিয়ান প্রদেশের কিছু এলাকায় প্রবল ঝোড়ো বাতাস ও ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।

আরও পড়ুন  দেশের ১০ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত

রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, শুক্রবার রাত পর্যন্ত গুয়াংডং প্রদেশে ২০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাগরে থাকা মাছ ধরার নৌযানগুলোও বন্দরে ফিরে এসেছে।

সিসিটিভির তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকালে গুয়াংডংয়ের কয়েকটি ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। আর রোববার প্রদেশটির সব ট্রেন পরিষেবা স্থগিত থাকবে।

স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, গুয়াংডংয়ের চাওঝৌ শহরের স্কুলগুলোতে সব ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম ও অন্যান্য কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চলতি মাসেই চীনের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে চরম আবহাওয়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গুয়াংশি অঞ্চলে টাইফুন মায়সাকের প্রভাবে সৃষ্ট বন্যায় ৩৯ জন নিহত হন। এছাড়া মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশে বজ্রঝড় ও প্রবল বাতাসে আরও ১১ জনের মৃত্যু এবং ৩৩১ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

বিজ্ঞানীদের মতে, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারজনিত বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার ঘটনা আরও ঘন ঘন ও তীব্র হতে পারে। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণকারী দেশ হলেও চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে অন্যতম শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। দেশটি ২০৬০ সালের মধ্যে অর্থনীতিকে কার্বন-নিরপেক্ষ পর্যায়ে নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।