ঢাকা ০৫:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

চাপের মুখে পদ ছাড়লেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১৭:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
  • / 11

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন এবং তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্ম ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এবং কেন্দ্রের মধ্যে তৃতীয় দফা বৈঠকের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

এর আগে কেন্দ্রের সঙ্গে টানা তৃতীয় দফা আলোচনার আগেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে সিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া কোনো আলোচনা সম্ভব নয়। সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা শনিবার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে উল্লেখ করেন, সরকার যদি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বরখাস্ত না করে, তবে আলোচনার কোনো যৌক্তিকতা থাকে না। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে কোনো আপস করা হবে না এবং সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে নেতিবাচক জবাব এলে আলোচনার পথ বন্ধ হয়ে যাবে।

এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং শুক্রবার বিকেলে কনস্টিটিউশন ক্লাবে সিজেপির প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠক সম্পন্ন করেন এবং শনিবার বিকেলে তাদের সাথে তৃতীয় দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সিজেপির প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন যে তারা এখনও তাদের দাবির বিষয়ে অনড় রয়েছেন।

আরও পড়ুন  শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফেরার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

আন্দোলনকারী প্ল্যাটফর্মটি সরকারের কাছে মূলত তিনটি প্রধান দাবি উত্থাপন করেছে। দাবিগুলো হলো— শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ার নিশ্চয়তা এবং নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে জীবন উৎসর্গকারী শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ প্রদান।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, শুক্রবার অনুষ্ঠিত আলোচনায় আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত দুটি প্রধান দাবিতে নীতিগতভাবে একমত পোষণ করেছিল কেন্দ্র। সেগুলো হলো বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান। তবে ওই বৈঠকের সময় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বার্তা দেওয়া হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

চাপের মুখে পদ ছাড়লেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান

আপডেট সময় ০৫:১৭:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন এবং তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্ম ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এবং কেন্দ্রের মধ্যে তৃতীয় দফা বৈঠকের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

এর আগে কেন্দ্রের সঙ্গে টানা তৃতীয় দফা আলোচনার আগেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে সিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া কোনো আলোচনা সম্ভব নয়। সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা শনিবার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে উল্লেখ করেন, সরকার যদি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বরখাস্ত না করে, তবে আলোচনার কোনো যৌক্তিকতা থাকে না। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে কোনো আপস করা হবে না এবং সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে নেতিবাচক জবাব এলে আলোচনার পথ বন্ধ হয়ে যাবে।

এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং শুক্রবার বিকেলে কনস্টিটিউশন ক্লাবে সিজেপির প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠক সম্পন্ন করেন এবং শনিবার বিকেলে তাদের সাথে তৃতীয় দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সিজেপির প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন যে তারা এখনও তাদের দাবির বিষয়ে অনড় রয়েছেন।

আরও পড়ুন  এইএচএসসি পাস করার সাথে সাথে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারে, সে ব্যবস্থা করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

আন্দোলনকারী প্ল্যাটফর্মটি সরকারের কাছে মূলত তিনটি প্রধান দাবি উত্থাপন করেছে। দাবিগুলো হলো— শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ার নিশ্চয়তা এবং নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে জীবন উৎসর্গকারী শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ প্রদান।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, শুক্রবার অনুষ্ঠিত আলোচনায় আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত দুটি প্রধান দাবিতে নীতিগতভাবে একমত পোষণ করেছিল কেন্দ্র। সেগুলো হলো বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান। তবে ওই বৈঠকের সময় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বার্তা দেওয়া হয়নি।