যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে বাংলাদেশের জন্য সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ ট্যারিফ
- আপডেট সময় ০৬:৫১:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
- / 18
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক নীতিতে বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর সর্বনিম্ন স্তরের ১০ শতাংশ ট্যারিফ নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এ সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের প্রধান রফতানি প্রতিযোগী কয়েকটি দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থান তৈরি হয়েছে।
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশের জন্য ১০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কহার নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আগে কার্যকর থাকা সাময়িক ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক ব্যবস্থা প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি হওয়া সব পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হবে। তবে এ শুল্ক বিদ্যমান মোস্ট ফেভার্ড নেশন (এমএফএন) শুল্কহারের অতিরিক্ত হিসেবে প্রযোজ্য হবে।
সরকারের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ৮৬টি দেশের মধ্যে মাত্র ১৭টি দেশ সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ ট্যারিফ সুবিধা পেয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশও। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য রফতানি পণ্যে দেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান বজায় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নতুন শুল্ক কাঠামোয় বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের পণ্যের ওপর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এতে এসব দেশের তুলনায় বাংলাদেশ কিছুটা বাড়তি সুবিধা পেতে পারে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর) বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার জন্য তিন বছর মেয়াদি ট্যারিফ-রেট কোটা (টিআরকিউ) চালুর বিষয়টি বিবেচনা করছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ও টেক্সটাইল উপকরণ ব্যবহার করে উৎপাদিত পণ্যের ক্ষেত্রে সেকশন ৩০১-এর শুল্ক ছাড়ের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
সরকারের প্রত্যাশা, এ ব্যবস্থা কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও অন্যান্য রফতানি পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরও বাড়বে এবং রফতানি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এছাড়া আন্তর্জাতিক শ্রমমান নিশ্চিত, রফতানি খাতে কমপ্লায়েন্স বজায় রাখা এবং টেকসই বাণিজ্য সম্প্রসারণে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথাও জানিয়েছে সরকার।
























