ঢাকা ০২:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
ইরানের হামলার ঝুঁকিতে উপসাগরীয় ঘাঁটি সরানোর পরামর্শ সাবেক সেন্টকম প্রধানের এনসিপির জনসভায় হামলা রাজনীতির জন্য ‘কালো অধ্যায়’: ইশরাক হোসেন বিকাল ৩টায় বাজেট দ্বিতীয় অধিবেশনের শুরু তেহরান থেকে কওমে খামেনির মরদেহ, শোকযাত্রায় লাখো মানুষ ন্যাটো সম্মেলনের আগে ইউক্রেনে রাশিয়ার ব্যাপক হামলা, নিহত অন্তত ২০ এনসিপির কর্মসূচিতে বিস্ফোরণ; পুলিশের তদন্ত কমিটি গঠন শেষ মুহূর্তের গোলে পর্তুগালের বিদায়, শেষ আটে স্পেন ফের মেলোনিকে খোঁচা দিলেন ট্রাম্প কলকাতায় জীবিত মুসলিম কিশোরীকে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলা হয়েছিল: পুলিশ সাভারের ককটেল বিস্ফোরণে প্রশাসনের ইন্ধনের অভিযোগ নাহিদ ইসলামের

ইরানের হামলার ঝুঁকিতে উপসাগরীয় ঘাঁটি সরানোর পরামর্শ সাবেক সেন্টকম প্রধানের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৩২:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • / 0

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঝুঁকি কমাতে উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো ইসরাইল ও আশপাশের দেশে স্থানান্তরের প্রস্তাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর সাবেক প্রধান জেনারেল ফ্র্যাঙ্ক ম্যাকেনজি। তার দাবি, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটির বিন্যাস পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।

গত সপ্তাহে জিউইশ ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি অব আমেরিকার (জিনসা) এক ওয়েবিনারে ম্যাকেনজি বলেন, ইরানের সীমান্ত থেকে অল্প দূরত্বে কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে সেন্টকমের ফরওয়ার্ড সদর দপ্তর রাখা বর্তমান বাস্তবতায় যৌক্তিক নয়।

২০১৯ সালের মার্চ থেকে ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর নেতৃত্ব দেওয়া ম্যাকেনজি জানান, ২০২২ সালে তিনি এবং অন্যান্য কর্মকর্তা তৎকালীন বাইডেন প্রশাসনকে সতর্ক করেছিলেন যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে। সে কারণে এসব ঘাঁটি পশ্চিমাঞ্চলে, অর্থাৎ ইসরাইল, মিশর ও আশপাশের দেশে স্থানান্তরের বিষয়টি বিবেচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন  হান্নান মাসুদের স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ, পাল্টা বক্তব্য বিএনপির

তার দাবি, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের পরিস্থিতিতে বাহিনীকে পশ্চিমে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা প্রয়োজন ছিল। তবে বাইডেন প্রশাসন সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল।

ম্যাকেনজির মতে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সামরিক ঘাঁটির কাঠামো মূলত স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার নিরাপত্তা বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। পরবর্তীতে ইরাক ও আফগানিস্তানে মার্কিন সামরিক অভিযানের সময়ও একই কাঠামো বহাল রাখা হয়।

তার এই মন্তব্য গত জুনে প্রকাশিত মিডল ইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ওই প্রতিবেদনে সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকদের বরাতে বলা হয়, ইরানের সামরিক সক্ষমতার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটির বর্তমান বিন্যাস নতুন করে সাজানোর প্রয়োজন হতে পারে।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, চলতি বছরের মার্চে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের তাইফ বিমানঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি পায়। এর আগে রিয়াদের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া উপসাগরীয় উপকূলজুড়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের আরও কয়েকটি সামরিক ঘাঁটিও ইরানের হামলায় উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের হামলার ঝুঁকিতে উপসাগরীয় ঘাঁটি সরানোর পরামর্শ সাবেক সেন্টকম প্রধানের

আপডেট সময় ০২:৩২:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঝুঁকি কমাতে উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো ইসরাইল ও আশপাশের দেশে স্থানান্তরের প্রস্তাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর সাবেক প্রধান জেনারেল ফ্র্যাঙ্ক ম্যাকেনজি। তার দাবি, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটির বিন্যাস পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।

গত সপ্তাহে জিউইশ ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি অব আমেরিকার (জিনসা) এক ওয়েবিনারে ম্যাকেনজি বলেন, ইরানের সীমান্ত থেকে অল্প দূরত্বে কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে সেন্টকমের ফরওয়ার্ড সদর দপ্তর রাখা বর্তমান বাস্তবতায় যৌক্তিক নয়।

২০১৯ সালের মার্চ থেকে ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর নেতৃত্ব দেওয়া ম্যাকেনজি জানান, ২০২২ সালে তিনি এবং অন্যান্য কর্মকর্তা তৎকালীন বাইডেন প্রশাসনকে সতর্ক করেছিলেন যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে। সে কারণে এসব ঘাঁটি পশ্চিমাঞ্চলে, অর্থাৎ ইসরাইল, মিশর ও আশপাশের দেশে স্থানান্তরের বিষয়টি বিবেচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন  হান্নান মাসুদের স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ, পাল্টা বক্তব্য বিএনপির

তার দাবি, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের পরিস্থিতিতে বাহিনীকে পশ্চিমে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা প্রয়োজন ছিল। তবে বাইডেন প্রশাসন সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল।

ম্যাকেনজির মতে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সামরিক ঘাঁটির কাঠামো মূলত স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার নিরাপত্তা বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। পরবর্তীতে ইরাক ও আফগানিস্তানে মার্কিন সামরিক অভিযানের সময়ও একই কাঠামো বহাল রাখা হয়।

তার এই মন্তব্য গত জুনে প্রকাশিত মিডল ইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ওই প্রতিবেদনে সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকদের বরাতে বলা হয়, ইরানের সামরিক সক্ষমতার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটির বর্তমান বিন্যাস নতুন করে সাজানোর প্রয়োজন হতে পারে।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, চলতি বছরের মার্চে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের তাইফ বিমানঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি পায়। এর আগে রিয়াদের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া উপসাগরীয় উপকূলজুড়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের আরও কয়েকটি সামরিক ঘাঁটিও ইরানের হামলায় উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।