রাত ৮টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার দাবি মালিক সমিতির, আজ বৈঠকে বসছে মন্ত্রিসভা
- আপডেট সময় ১১:৩৭:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
- / 35
ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এবং অভ্যন্তরীণ সরবরাহ চাপের মুখে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে দেশের সব দোকানপাট, মার্কেট ও শপিং মল বন্ধের সময় এগিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে আজ রাত সাড়ে ৮টায় এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধের নির্দেশনার পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফের অনলাইন ক্লাস চালু, সরকারি-বেসরকারি অফিসে ‘হোম অফিস’ প্রথা প্রবর্তন এবং সাপ্তাহিক ছুটি বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলোও আলোচনায় রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সময়সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হতে পারে।
দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান টিপু জানিয়েছেন, তারা সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন। বুধবার রাতে স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, অফিস ছুটির পর ক্রেতাদের কেনাকাটার সুবিধার্থে দোকানপাট অন্তত রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা প্রয়োজন। এর আগে ১৫ মার্চ বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সাথে বৈঠকে ব্যবসায়ীরা নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের শর্তে ৪০ শতাংশ আলোকসজ্জা কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
করোনা মহামারির সময় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে একই ধরনের সময়সূচি কার্যকর করা হয়েছিল। তবে এবার প্রেক্ষাপট ভিন্ন। ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা এবং দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতেই এই ‘কৃচ্ছ্রসাধন’ নীতি গ্রহণ করছে সরকার। বিদ্যুৎ বিভাগ মনে করছে, রাত ৮টার পর শপিং মল বন্ধ রাখলে বড় অংকের বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা সম্ভব হবে।
জ্বালানি খাতের ওপর চাপ কমাতে সরকার কেবল বিপণিবিতান নয়, বরং সরকারি চাকুরিজীবীদের কর্মঘণ্টা কমানো এবং নির্দিষ্ট দিনগুলোতে বাসা থেকে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে। আজকের বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদিত হলে শীঘ্রই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
























