ঢাকা ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
এপস্টেইন ইস্যু ও ব্যক্তিগত আক্রমণ: সাক্ষাৎকারে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের টস জিতে বোলিংয়ে বাংলাদেশ: মিরপুরের উইকেটে বড় সংগ্রহের চ্যালেঞ্জ কিউইদের সামনে ফিলিস্তিনের স্থানীয় নির্বাচনে আব্বাসপন্থিদের বিশাল জয়: গাজায় দীর্ঘ ২০ বছর পর ভোট ইনডোর নেটওয়ার্ক সমস্যা সমাধানে তরঙ্গ বরাদ্দ পাচ্ছেন মোবাইল অপারেটররা যশোরে ঐতিহাসিক ‘জিয়া খাল’ পুনঃখনন শুরু: উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেলেন এমপি আমির হামজা মাধবদীতে প্রেমঘটিত বিরোধে যুবককে কুপিয়ে জখম: পাল্টা হামলায় ৪ ঘরে অগ্নিসংযোগ বৃষ্টি দিয়ে সকাল শুরু: ঢাকায় আজ দমকা হাওয়ার পূর্বাভাস বক্স অফিসে বাজিমাত মাইকেলের বায়োপিক মানহানি মামলায় আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে মুফতি আমির হামজা

নেতানিয়াহুকে ঘিরে নতুন গুঞ্জন: ইরানি প্রতিবেদনে প্রশ্ন, নিশ্চিত তথ্য নেই

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪৫:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / 75

ছবি সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর অবস্থান নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় তিনি নিহত বা আহত হয়ে থাকতে পারেন। তবে ওই প্রতিবেদনে এ ধরনের দাবির পক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ বা নিশ্চিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি।

সম্প্রতি ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবর প্রকাশিত হয়। বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়, ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। এর পরপরই তেহরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও ইসরাইলি স্থাপনাকে লক্ষ্য করে প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করে বলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

এই উত্তেজনার মধ্যেই ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় লক্ষ্য করে হামলার খবরও সামনে আসে, যা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
সোমবার ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে নেতানিয়াহুর অবস্থা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে ফার্সি ভাষায় প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে তার ওপর হামলার কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ বা আনুষ্ঠানিক ক্ষয়ক্ষতির নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি।

আরও পড়ুন  হাঙ্গেরি সফরে এলেই গ্রেপ্তার হতে পারেন নেতানিয়াহু: প্রধানমন্ত্রী পিটার

প্রতিবেদনটিতে কয়েকটি পরিস্থিতিগত বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— সাম্প্রতিক সময়ে নেতানিয়াহুর নতুন ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ না হওয়া, হিব্রু ভাষার কিছু গণমাধ্যমে তার বাসভবনের আশপাশে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রতিবেদন, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্টের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের কথিত সফর স্থগিত হওয়ার খবর এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও নেতানিয়াহুর মধ্যে একটি ফোনালাপের ফরাসি পাঠ, যেখানে কথোপকথনের নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি।

তাসনিমের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, রুশ গণমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটারের একটি দাবি উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে অভিযোগ করা হয়েছে, ইরান নেতানিয়াহুর অবস্থানস্থলে বোমা হামলা চালিয়েছে এবং এতে তার এক ভাই নিহত হয়েছেন। তবে এই তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত বা অস্বীকার করা হয়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে ইসরাইলভিত্তিক গণমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট এই দাবিকে তথ্যযুদ্ধের অংশ বলে উল্লেখ করেছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান ও ইরানপন্থি তথ্য প্রচারে অনেক সময় বাস্তব তথ্যের কিছু অংশ ব্যবহার করে এমন একটি আখ্যান তৈরি করা হয়, যা দেখে মনে হয় কোনো গোপন ঘটনার ইঙ্গিত রয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে অনেক বিশ্লেষক ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হিসেবে বিবেচনা করেন। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগও এই সংবাদমাধ্যমকে আইআরজিসির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নেতানিয়াহুর নামে একটি সরকারি বিবৃতি প্রকাশিত হয়। এছাড়া ইসরাইলি সরকারের প্রধান পোর্টালেও ৬ মার্চ তাকে বিয়ারশেবা শহরের একটি স্থান পরিদর্শন করতে দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক কয়েকটি স্বাধীন প্রতিবেদনে তার জনসম্মুখ কার্যক্রমের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে একটি ফোনালাপের তথ্য রয়েছে।

এর আগেও যুদ্ধের শুরুর দিকে ইরানি সামরিক বাহিনী নেতানিয়াহুর অবস্থান সম্পর্কে ‘অস্পষ্ট’ বলে দাবি করেছিল বলে টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সে সময় নেতানিয়াহুর কার্যালয় ওই দাবিকে ‘ভুয়া খবর’ বলে উড়িয়ে দেয়।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জেরুজালেমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশপাশের বাসিন্দারা একই ধরনের ইরানি দাবির পরও কোনো ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের চিহ্ন দেখতে পাননি।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধকালীন সময়ে নেতাদের নতুন ভিডিও প্রকাশ না হওয়া, সরকারি বিবৃতি দেরিতে আসা বা কোনো সফরসূচির পরিবর্তন অনেক সময় নানা গুজব ও ষড়যন্ত্র তত্ত্বের জন্ম দেয়। জেরুজালেম পোস্টের মতে, ইসরাইলের মতো দেশে যুদ্ধের সময় জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রায়ই পরিবর্তিত হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে সরকারি বার্তা লিখিত আকারে প্রকাশ করা হয়। এসব বিষয়কে নেতার মৃত্যু বা গুরুতর আহত হওয়ার প্রমাণ হিসেবে ধরা যায় না।

সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক বা সরকারি সূত্র নেতানিয়াহুকে নিয়ে তাসনিমের প্রতিবেদনে উত্থাপিত দাবিগুলো নিশ্চিত করতে পারেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

নেতানিয়াহুকে ঘিরে নতুন গুঞ্জন: ইরানি প্রতিবেদনে প্রশ্ন, নিশ্চিত তথ্য নেই

আপডেট সময় ১১:৪৫:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর অবস্থান নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় তিনি নিহত বা আহত হয়ে থাকতে পারেন। তবে ওই প্রতিবেদনে এ ধরনের দাবির পক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ বা নিশ্চিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি।

সম্প্রতি ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবর প্রকাশিত হয়। বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়, ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। এর পরপরই তেহরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও ইসরাইলি স্থাপনাকে লক্ষ্য করে প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করে বলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

এই উত্তেজনার মধ্যেই ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় লক্ষ্য করে হামলার খবরও সামনে আসে, যা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
সোমবার ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে নেতানিয়াহুর অবস্থা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে ফার্সি ভাষায় প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে তার ওপর হামলার কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ বা আনুষ্ঠানিক ক্ষয়ক্ষতির নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি।

আরও পড়ুন  হাঙ্গেরি সফরে এলেই গ্রেপ্তার হতে পারেন নেতানিয়াহু: প্রধানমন্ত্রী পিটার

প্রতিবেদনটিতে কয়েকটি পরিস্থিতিগত বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— সাম্প্রতিক সময়ে নেতানিয়াহুর নতুন ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ না হওয়া, হিব্রু ভাষার কিছু গণমাধ্যমে তার বাসভবনের আশপাশে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রতিবেদন, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্টের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের কথিত সফর স্থগিত হওয়ার খবর এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও নেতানিয়াহুর মধ্যে একটি ফোনালাপের ফরাসি পাঠ, যেখানে কথোপকথনের নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি।

তাসনিমের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, রুশ গণমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটারের একটি দাবি উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে অভিযোগ করা হয়েছে, ইরান নেতানিয়াহুর অবস্থানস্থলে বোমা হামলা চালিয়েছে এবং এতে তার এক ভাই নিহত হয়েছেন। তবে এই তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত বা অস্বীকার করা হয়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে ইসরাইলভিত্তিক গণমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট এই দাবিকে তথ্যযুদ্ধের অংশ বলে উল্লেখ করেছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান ও ইরানপন্থি তথ্য প্রচারে অনেক সময় বাস্তব তথ্যের কিছু অংশ ব্যবহার করে এমন একটি আখ্যান তৈরি করা হয়, যা দেখে মনে হয় কোনো গোপন ঘটনার ইঙ্গিত রয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে অনেক বিশ্লেষক ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হিসেবে বিবেচনা করেন। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগও এই সংবাদমাধ্যমকে আইআরজিসির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নেতানিয়াহুর নামে একটি সরকারি বিবৃতি প্রকাশিত হয়। এছাড়া ইসরাইলি সরকারের প্রধান পোর্টালেও ৬ মার্চ তাকে বিয়ারশেবা শহরের একটি স্থান পরিদর্শন করতে দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক কয়েকটি স্বাধীন প্রতিবেদনে তার জনসম্মুখ কার্যক্রমের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে একটি ফোনালাপের তথ্য রয়েছে।

এর আগেও যুদ্ধের শুরুর দিকে ইরানি সামরিক বাহিনী নেতানিয়াহুর অবস্থান সম্পর্কে ‘অস্পষ্ট’ বলে দাবি করেছিল বলে টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সে সময় নেতানিয়াহুর কার্যালয় ওই দাবিকে ‘ভুয়া খবর’ বলে উড়িয়ে দেয়।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জেরুজালেমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশপাশের বাসিন্দারা একই ধরনের ইরানি দাবির পরও কোনো ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের চিহ্ন দেখতে পাননি।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধকালীন সময়ে নেতাদের নতুন ভিডিও প্রকাশ না হওয়া, সরকারি বিবৃতি দেরিতে আসা বা কোনো সফরসূচির পরিবর্তন অনেক সময় নানা গুজব ও ষড়যন্ত্র তত্ত্বের জন্ম দেয়। জেরুজালেম পোস্টের মতে, ইসরাইলের মতো দেশে যুদ্ধের সময় জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রায়ই পরিবর্তিত হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে সরকারি বার্তা লিখিত আকারে প্রকাশ করা হয়। এসব বিষয়কে নেতার মৃত্যু বা গুরুতর আহত হওয়ার প্রমাণ হিসেবে ধরা যায় না।

সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক বা সরকারি সূত্র নেতানিয়াহুকে নিয়ে তাসনিমের প্রতিবেদনে উত্থাপিত দাবিগুলো নিশ্চিত করতে পারেনি।