ঢাকা ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

যশোরে ঐতিহাসিক ‘জিয়া খাল’ পুনঃখনন শুরু: উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৩:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / 106

ছবি সংগৃহীত

 

যশোরের শার্শা উপজেলায় পাঁচ দশক আগের ঐতিহাসিক ‘জিয়া খাল’ পুনঃখনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১৯৭৬ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে স্থান থেকে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন, সেই উলশী খাল পুনঃখননের মাধ্যমে আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) এই উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়।

বেলা ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শার্শা উপজেলায় পৌঁছে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে পুনঃখনন কাজের সূচনা করেন। এ সময় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয় যখন প্রধানমন্ত্রী নিজে কোদাল হাতে মাটি কেটে খনন কাজে সরাসরি অংশ নেন। বাবার স্মৃতিবিজড়িত এই ঐতিহাসিক স্থাপনা সংস্কারের মাধ্যমে তিনি গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন  মেগা প্রকল্প উদ্বোধন করতে সিলেটে প্রধানমন্ত্রী

উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর শার্শা উপজেলার উলসী থেকে যদুনাথপুর পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে খনন করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। স্থানীয় পর্যায়ে এটি ‘জিয়া খাল’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে খালটি নাব্যতা হারিয়েছিল, যা পুনঃখননের জন্য স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। এছাড়াও সরকারের একাধিক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এই পুনঃখনন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হলে এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে। এর ফলে শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে স্থানীয় কৃষিতে নতুন বিপ্লব আসবে এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

যশোরে ঐতিহাসিক ‘জিয়া খাল’ পুনঃখনন শুরু: উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় ১২:৫৩:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

 

যশোরের শার্শা উপজেলায় পাঁচ দশক আগের ঐতিহাসিক ‘জিয়া খাল’ পুনঃখনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১৯৭৬ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে স্থান থেকে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন, সেই উলশী খাল পুনঃখননের মাধ্যমে আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) এই উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়।

বেলা ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শার্শা উপজেলায় পৌঁছে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে পুনঃখনন কাজের সূচনা করেন। এ সময় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয় যখন প্রধানমন্ত্রী নিজে কোদাল হাতে মাটি কেটে খনন কাজে সরাসরি অংশ নেন। বাবার স্মৃতিবিজড়িত এই ঐতিহাসিক স্থাপনা সংস্কারের মাধ্যমে তিনি গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন  মেগা প্রকল্প উদ্বোধন করতে সিলেটে প্রধানমন্ত্রী

উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর শার্শা উপজেলার উলসী থেকে যদুনাথপুর পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে খনন করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। স্থানীয় পর্যায়ে এটি ‘জিয়া খাল’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে খালটি নাব্যতা হারিয়েছিল, যা পুনঃখননের জন্য স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। এছাড়াও সরকারের একাধিক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এই পুনঃখনন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হলে এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে। এর ফলে শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে স্থানীয় কৃষিতে নতুন বিপ্লব আসবে এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।