ঢাকা ০২:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টস জিতে বোলিংয়ে বাংলাদেশ: মিরপুরের উইকেটে বড় সংগ্রহের চ্যালেঞ্জ কিউইদের সামনে ফিলিস্তিনের স্থানীয় নির্বাচনে আব্বাসপন্থিদের বিশাল জয়: গাজায় দীর্ঘ ২০ বছর পর ভোট ইনডোর নেটওয়ার্ক সমস্যা সমাধানে তরঙ্গ বরাদ্দ পাচ্ছেন মোবাইল অপারেটররা যশোরে ঐতিহাসিক ‘জিয়া খাল’ পুনঃখনন শুরু: উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেলেন এমপি আমির হামজা মাধবদীতে প্রেমঘটিত বিরোধে যুবককে কুপিয়ে জখম: পাল্টা হামলায় ৪ ঘরে অগ্নিসংযোগ বৃষ্টি দিয়ে সকাল শুরু: ঢাকায় আজ দমকা হাওয়ার পূর্বাভাস বক্স অফিসে বাজিমাত মাইকেলের বায়োপিক মানহানি মামলায় আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে মুফতি আমির হামজা আজ বিকেলে বসছে সংসদ অধিবেশন: উত্থাপন হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ বিল

যশোরে ঐতিহাসিক ‘জিয়া খাল’ পুনঃখনন শুরু: উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৩:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / 12

ছবি সংগৃহীত

 

যশোরের শার্শা উপজেলায় পাঁচ দশক আগের ঐতিহাসিক ‘জিয়া খাল’ পুনঃখনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১৯৭৬ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে স্থান থেকে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন, সেই উলশী খাল পুনঃখননের মাধ্যমে আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) এই উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়।

বেলা ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শার্শা উপজেলায় পৌঁছে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে পুনঃখনন কাজের সূচনা করেন। এ সময় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয় যখন প্রধানমন্ত্রী নিজে কোদাল হাতে মাটি কেটে খনন কাজে সরাসরি অংশ নেন। বাবার স্মৃতিবিজড়িত এই ঐতিহাসিক স্থাপনা সংস্কারের মাধ্যমে তিনি গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন  যশোরে নির্মাণাধীন ভবনের বারান্দা ধসে দুই ইঞ্জিনিয়ারসহ নিহত ৩

উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর শার্শা উপজেলার উলসী থেকে যদুনাথপুর পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে খনন করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। স্থানীয় পর্যায়ে এটি ‘জিয়া খাল’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে খালটি নাব্যতা হারিয়েছিল, যা পুনঃখননের জন্য স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। এছাড়াও সরকারের একাধিক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এই পুনঃখনন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হলে এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে। এর ফলে শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে স্থানীয় কৃষিতে নতুন বিপ্লব আসবে এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

যশোরে ঐতিহাসিক ‘জিয়া খাল’ পুনঃখনন শুরু: উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় ১২:৫৩:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

 

যশোরের শার্শা উপজেলায় পাঁচ দশক আগের ঐতিহাসিক ‘জিয়া খাল’ পুনঃখনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১৯৭৬ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে স্থান থেকে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন, সেই উলশী খাল পুনঃখননের মাধ্যমে আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) এই উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়।

বেলা ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শার্শা উপজেলায় পৌঁছে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে পুনঃখনন কাজের সূচনা করেন। এ সময় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয় যখন প্রধানমন্ত্রী নিজে কোদাল হাতে মাটি কেটে খনন কাজে সরাসরি অংশ নেন। বাবার স্মৃতিবিজড়িত এই ঐতিহাসিক স্থাপনা সংস্কারের মাধ্যমে তিনি গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন  ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি কার্যক্রমের উদ্বোধন কাল

উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর শার্শা উপজেলার উলসী থেকে যদুনাথপুর পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে খনন করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। স্থানীয় পর্যায়ে এটি ‘জিয়া খাল’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে খালটি নাব্যতা হারিয়েছিল, যা পুনঃখননের জন্য স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। এছাড়াও সরকারের একাধিক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এই পুনঃখনন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হলে এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে। এর ফলে শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে স্থানীয় কৃষিতে নতুন বিপ্লব আসবে এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।