ঢাকা ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
জনস্বার্থের প্রকল্পে নতুন অর্থের উৎস খুঁজছে সরকার: অর্থমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন, রাজপথে হুমকি নয়: রিজভী ‘যৌনাঙ্গ চুরি’র গুজবে আফ্রিকায় ৮০ জনের বেশি নিহত সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু জেন-জিদের পর এবার শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ভারতে জেন-আলফার বিক্ষোভ এক্সপ্রেসওয়ে থেকে স্কচটেপ মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধানক্ষেতে শত বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রায় জীবিত প্রেসিডেন্টের ট্রাম্পের প্রতিকৃতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান ও সেঞ্চুরির রেকর্ড স্মৃতি মন্ধানার

অভিবাসননীতিতে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৫৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 244

ছবি: সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসননীতির প্রতি জনসমর্থন কমে সর্বনিম্ন পর্যায়ে ঠেকেছে। হোয়াইট হাউসে দ্বিতীয় দফায় ফেরার পর থেকে এখন পর্যন্ত এটিই তাঁর জনপ্রিয়তার সর্বনিম্ন হার।

রয়টার্স/ইপসোসের নতুন এক জনমত জরিপ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। জরিপটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে অভিবাসন ইস্যুতে ট্রাম্পের শক্তিশালী সমর্থক বলে পরিচিত মার্কিন পুরুষদের মধ্যেও তিনি সমর্থন হারাচ্ছেন।

আরও পড়ুন  মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর থেকে ১,৩৫০ কর্মকর্তা ছাঁটাই করলো ট্রাম্প প্রশাসন

গত সোমবার শেষ হওয়া চার দিনব্যাপী এই জরিপে অংশ নেওয়া মাত্র ৩৮ শতাংশ মানুষ ট্রাম্পের অভিবাসননীতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বিষয়টি অন্যতম অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত এক ইস্যু। গত জানুয়ারিতে রয়টার্স/ইপসোসের জরিপে এ হার ছিল ৩৯ শতাংশ। আর দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম কয়েক মাসে জনপ্রিয়তার হার ৫০ শতাংশ পর্যন্ত উঠেছিল।

২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারের সময় ট্রাম্প অভিবাসী বিতাড়নে কয়েক দশকের মধ্যে বৃহত্তম অভিযান শুরুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তিনি বড় ধরনের চিরুনি অভিযান শুরু করার নির্দেশ দেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে মুখোশধারী এজেন্টদের অভিবাসনবিরোধী তৎপরতার দৃশ্য দেখাটা এক সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং বিক্ষোভকারী ও মানবাধিকার কর্মীদের সঙ্গে অভিবাসন কর্মকর্তাদের সহিংস সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে।

রয়টার্স/ইপসোসের সর্বশেষ জরিপে দেখা গেছে, গত বছরের শেষ দিকের তুলনায় সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে পুরুষ ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের অভিবাসননীতির প্রতি সমর্থন উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পের বিজয়ে পুরুষ ভোটাররা বড় ভূমিকা রেখেছিলেন এবং ২০২৫ সালজুড়ে তাঁদের মধ্যে ট্রাম্পের অভিবাসননীতির জনপ্রিয়তা ৫০ শতাংশের কাছাকাছি ছিল।
তবে সর্বশেষ জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৪১ শতাংশ পুরুষ এ ইস্যুতে ট্রাম্পকে সমর্থন করছেন। অন্যদিকে নারী ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের অভিবাসননীতির সমর্থন গত বছরের প্রায় ৪০ শতাংশ থেকে কমে বর্তমানে ৩৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

নিজের অবস্থান থেকে সরে আসার বিরল এক ঘটনায় ট্রাম্প প্রশাসন গত সপ্তাহে মিনেসোটায় ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে তাঁদের বিতর্কিত অভিবাসী বিতাড়ন অভিযান বন্ধ করতে রাজি হয়েছে। অঙ্গরাজ্যটিতে অভিবাসন কর্মকর্তাদের গুলিতে দুই মার্কিন নিহত হওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর সময় ট্রাম্পের সামগ্রিক জনপ্রিয়তা ছিল ৪৭ শতাংশ। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তা কমে তাঁর এই মেয়াদের সর্বনিম্ন পর্যায়ে অবস্থান করছে। সর্বশেষ জরিপে তাঁর সামগ্রিক কার্যক্রমের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ৩৮ শতাংশ মানুষ; যা গত ২৩ থেকে ২৫ জানুয়ারির জরিপেও একই ছিল।

দেশজুড়ে অনলাইনে পরিচালিত সাম্প্রতিকতম জরিপে ১ হাজার ১১৭ জন প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন অংশ নেন। এতে ভুলের মাত্রা ধরা হয়েছে ৩ শতাংশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

অভিবাসননীতিতে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস

আপডেট সময় ০১:৫৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসননীতির প্রতি জনসমর্থন কমে সর্বনিম্ন পর্যায়ে ঠেকেছে। হোয়াইট হাউসে দ্বিতীয় দফায় ফেরার পর থেকে এখন পর্যন্ত এটিই তাঁর জনপ্রিয়তার সর্বনিম্ন হার।

রয়টার্স/ইপসোসের নতুন এক জনমত জরিপ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। জরিপটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে অভিবাসন ইস্যুতে ট্রাম্পের শক্তিশালী সমর্থক বলে পরিচিত মার্কিন পুরুষদের মধ্যেও তিনি সমর্থন হারাচ্ছেন।

আরও পড়ুন  পুতিনকে ‘আগুন নিয়ে খেলছেন’ বলে সতর্ক করলেন ট্রাম্প

গত সোমবার শেষ হওয়া চার দিনব্যাপী এই জরিপে অংশ নেওয়া মাত্র ৩৮ শতাংশ মানুষ ট্রাম্পের অভিবাসননীতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বিষয়টি অন্যতম অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত এক ইস্যু। গত জানুয়ারিতে রয়টার্স/ইপসোসের জরিপে এ হার ছিল ৩৯ শতাংশ। আর দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম কয়েক মাসে জনপ্রিয়তার হার ৫০ শতাংশ পর্যন্ত উঠেছিল।

২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারের সময় ট্রাম্প অভিবাসী বিতাড়নে কয়েক দশকের মধ্যে বৃহত্তম অভিযান শুরুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তিনি বড় ধরনের চিরুনি অভিযান শুরু করার নির্দেশ দেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে মুখোশধারী এজেন্টদের অভিবাসনবিরোধী তৎপরতার দৃশ্য দেখাটা এক সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং বিক্ষোভকারী ও মানবাধিকার কর্মীদের সঙ্গে অভিবাসন কর্মকর্তাদের সহিংস সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে।

রয়টার্স/ইপসোসের সর্বশেষ জরিপে দেখা গেছে, গত বছরের শেষ দিকের তুলনায় সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে পুরুষ ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের অভিবাসননীতির প্রতি সমর্থন উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পের বিজয়ে পুরুষ ভোটাররা বড় ভূমিকা রেখেছিলেন এবং ২০২৫ সালজুড়ে তাঁদের মধ্যে ট্রাম্পের অভিবাসননীতির জনপ্রিয়তা ৫০ শতাংশের কাছাকাছি ছিল।
তবে সর্বশেষ জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৪১ শতাংশ পুরুষ এ ইস্যুতে ট্রাম্পকে সমর্থন করছেন। অন্যদিকে নারী ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের অভিবাসননীতির সমর্থন গত বছরের প্রায় ৪০ শতাংশ থেকে কমে বর্তমানে ৩৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

নিজের অবস্থান থেকে সরে আসার বিরল এক ঘটনায় ট্রাম্প প্রশাসন গত সপ্তাহে মিনেসোটায় ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে তাঁদের বিতর্কিত অভিবাসী বিতাড়ন অভিযান বন্ধ করতে রাজি হয়েছে। অঙ্গরাজ্যটিতে অভিবাসন কর্মকর্তাদের গুলিতে দুই মার্কিন নিহত হওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর সময় ট্রাম্পের সামগ্রিক জনপ্রিয়তা ছিল ৪৭ শতাংশ। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তা কমে তাঁর এই মেয়াদের সর্বনিম্ন পর্যায়ে অবস্থান করছে। সর্বশেষ জরিপে তাঁর সামগ্রিক কার্যক্রমের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ৩৮ শতাংশ মানুষ; যা গত ২৩ থেকে ২৫ জানুয়ারির জরিপেও একই ছিল।

দেশজুড়ে অনলাইনে পরিচালিত সাম্প্রতিকতম জরিপে ১ হাজার ১১৭ জন প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন অংশ নেন। এতে ভুলের মাত্রা ধরা হয়েছে ৩ শতাংশ।