০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
জনসম্মুখে প্রথমবার বক্তব্য রাখলেন জাইমা রহমান হৃদয় ম্যাজিকে রংপুরের জয়, এক ম্যাচে জোড়া সেঞ্চুরি জয় দিয়ে শুরু বাংলার বাঘিনিদের বাছাইপর্বের লড়াই ‘যথেষ্ট সংস্কার হলেও পুলিশ সংস্কার প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি’: আসিফ নজরুল ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এ স্থায়ী আসন পেতে দিতে হবে ১ বিলিয়ন ডলার। প্রস্তুতি না থাকায় ইরান হামলা থেকে ট্রাম্পকে থামালো ইসরায়েল। গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে বিশ্বকাপ বয়কটের হুঁশিয়ারি দিলো জার্মানি সাভারে পরিত্যক্ত কমিউনিটি সেন্টারে মা ও শিশুর পোড়া মরদেহ উদ্ধার ​নির্বাচন সুষ্ঠু করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ওবায়দুল কাদের ও সাদ্দামসহ ৭ আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আজ অভিযোগ গঠনের শুনানি

গাজায় ত্রাণপ্রার্থীদের ওপর ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৭৮

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২২:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • / 83

ছবি সংগৃহীত

 

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় টানা ইসরায়েলি হামলায় ফের রক্তাক্ত হল ফিলিস্তিন। ত্রাণ নিতে আসা শিশু ও সাধারণ মানুষসহ অন্তত ৭৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ক্রমবর্ধমান অবরোধে জ্বালানি ও খাদ্য সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

ফিলিস্তিনের সংবাদ সংস্থা ওয়াফার বরাতে জানা যায়, সোমবার দক্ষিণ গাজার রাফা এলাকায় একটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের নিকট হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এতে অন্তত ৫ জন ত্রাণপ্রার্থী প্রাণ হারান।

[bsa_pro_ad_space id=2]

এ নিয়ে ইসরায়েলি বাহিনী এবং মার্কিন সমর্থিত কুখ্যাত গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) পরিচালিত ত্রাণ কেন্দ্রে হামলায় মোট ৮৩৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হলেন বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে একটি বাস্তুচ্যুত শিবিরে চালানো হামলায় নিহত হয়েছেন ৯ জন ফিলিস্তিনি। এতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন। মধ্য গাজার বুরেইজ শরণার্থী শিবিরে একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্রে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হন আরও ৪ জন।

উত্তর গাজায় হামলার তীব্রতা আরও বেড়েছে। ইসরায়েলি গণমাধ্যমে জানানো হয়, সেখানে একটি ইসরায়েলি ট্যাংক হামলার শিকার হয়। পরে আইডিএফ জানায়, ওই ঘটনায় তাদের তিন সেনা নিহত হয়েছে। এর জবাবে তুফাহ এবং শুজাইয়া পাড়ায় ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়ে আবাসিক ভবনগুলো ধ্বংস করে দেয় ইসরায়েলি বাহিনী।

এসব হামলায় শুধু গাজা শহরেই প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২৪ জন ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।

এদিকে ইসরায়েলের কঠোর অবরোধে গাজায় মানবিক বিপর্যয় ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ২ মার্চ থেকে ইসরায়েল গাজায় জ্বালানি সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। খাদ্য সংকটও চরমে পৌঁছেছে।

মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, গত সপ্তাহে ইসরায়েল ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল যাতে গাজায় ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে বলা হয়েছিল। তবে বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতি মানা হয়নি। গাজার জনগণ এখনো প্রয়োজনীয় ত্রাণ থেকে বঞ্চিত।

গাজায় প্রতিদিনের এই নিষ্ঠুরতা ও মানবিক সংকটে বিশ্ব বিবেক এখনও কার্যকরভাবে সাড়া দেয়নি—এই অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় মানবাধিকার কর্মীরা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

[bsa_pro_ad_space id=4]

গাজায় ত্রাণপ্রার্থীদের ওপর ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৭৮

আপডেট সময় ১২:২২:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

 

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় টানা ইসরায়েলি হামলায় ফের রক্তাক্ত হল ফিলিস্তিন। ত্রাণ নিতে আসা শিশু ও সাধারণ মানুষসহ অন্তত ৭৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ক্রমবর্ধমান অবরোধে জ্বালানি ও খাদ্য সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

ফিলিস্তিনের সংবাদ সংস্থা ওয়াফার বরাতে জানা যায়, সোমবার দক্ষিণ গাজার রাফা এলাকায় একটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের নিকট হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এতে অন্তত ৫ জন ত্রাণপ্রার্থী প্রাণ হারান।

[bsa_pro_ad_space id=2]

এ নিয়ে ইসরায়েলি বাহিনী এবং মার্কিন সমর্থিত কুখ্যাত গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) পরিচালিত ত্রাণ কেন্দ্রে হামলায় মোট ৮৩৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হলেন বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে একটি বাস্তুচ্যুত শিবিরে চালানো হামলায় নিহত হয়েছেন ৯ জন ফিলিস্তিনি। এতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন। মধ্য গাজার বুরেইজ শরণার্থী শিবিরে একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্রে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হন আরও ৪ জন।

উত্তর গাজায় হামলার তীব্রতা আরও বেড়েছে। ইসরায়েলি গণমাধ্যমে জানানো হয়, সেখানে একটি ইসরায়েলি ট্যাংক হামলার শিকার হয়। পরে আইডিএফ জানায়, ওই ঘটনায় তাদের তিন সেনা নিহত হয়েছে। এর জবাবে তুফাহ এবং শুজাইয়া পাড়ায় ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়ে আবাসিক ভবনগুলো ধ্বংস করে দেয় ইসরায়েলি বাহিনী।

এসব হামলায় শুধু গাজা শহরেই প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২৪ জন ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।

এদিকে ইসরায়েলের কঠোর অবরোধে গাজায় মানবিক বিপর্যয় ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ২ মার্চ থেকে ইসরায়েল গাজায় জ্বালানি সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। খাদ্য সংকটও চরমে পৌঁছেছে।

মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, গত সপ্তাহে ইসরায়েল ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল যাতে গাজায় ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে বলা হয়েছিল। তবে বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতি মানা হয়নি। গাজার জনগণ এখনো প্রয়োজনীয় ত্রাণ থেকে বঞ্চিত।

গাজায় প্রতিদিনের এই নিষ্ঠুরতা ও মানবিক সংকটে বিশ্ব বিবেক এখনও কার্যকরভাবে সাড়া দেয়নি—এই অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় মানবাধিকার কর্মীরা।