ঢাকা ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নতুন আত্মঘাতী ড্রোন ‘শাহেদ-১০৭’ উন্মোচন করলো ইরান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৫:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫
  • / 226

ছবি সংগৃহীত

 

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্স সম্প্রতি তাদের সর্বশেষ আত্মঘাতী ড্রোন ‘শাহেদ-১০৭’ প্রকাশ্যে উন্মোচন করেছে। সোমবার ড্রোনটি প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে আনা হয় বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম।

তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শাহেদ-১০৭ বিশেষভাবে শত্রু ঘাঁটির ওপর আত্মঘাতী হামলার উদ্দেশ্যে তৈরি। ড্রোনটিতে পিস্টন ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে এটি ১,৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম।

আরও পড়ুন  ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিপর্যস্ত দক্ষিণ ইসরাইল, নিহত ৩ জন

ড্রোনটির সাম্প্রতিক কিছু ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ছবিতে দেখা যায়, শাহেদ-১০৭ এর মতো দেখতে একটি ড্রোন ইসরায়েলি অধিকৃত আকাশসীমার মধ্যে প্রবেশ করেছে এবং ‘অ্যারো ৩’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আশপাশে অবস্থান করেছে। এই তথ্য বিশেষজ্ঞদের কাছে ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ইরানের নতুন ড্রোনটি ইসরায়েলের উচ্চমাত্রার নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেদ করতে সক্ষম।

সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি শাহেদ-১০৭ ড্রোনকে একটি সমন্বিত বহর বা ঝাঁক হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তবে তা ইসরায়েলের বহুস্তর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চরম চাপ সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে, এই ধরনের আত্মঘাতী ড্রোন একসাথে আকাশপথে ছুটে এলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে সবগুলো লক্ষ্য শনাক্ত করে ধ্বংস করা কঠিন হয়ে পড়ে।

ইরানের পক্ষ থেকে যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এই ড্রোনের অস্ত্র বহনের ক্ষমতা বা অপারেশনাল কৌশল বিস্তারিতভাবে জানানো হয়নি, তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ভারসাম্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

ড্রোন প্রযুক্তিতে ইরানের ক্রমাগত উন্নতি এবং শাহেদ সিরিজের আগের ড্রোনগুলোর সফলতা বিবেচনায় নতুন ‘শাহেদ-১০৭’ ড্রোনটি আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নতুন আত্মঘাতী ড্রোন ‘শাহেদ-১০৭’ উন্মোচন করলো ইরান

আপডেট সময় ০৯:৫৫:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

 

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্স সম্প্রতি তাদের সর্বশেষ আত্মঘাতী ড্রোন ‘শাহেদ-১০৭’ প্রকাশ্যে উন্মোচন করেছে। সোমবার ড্রোনটি প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে আনা হয় বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম।

তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শাহেদ-১০৭ বিশেষভাবে শত্রু ঘাঁটির ওপর আত্মঘাতী হামলার উদ্দেশ্যে তৈরি। ড্রোনটিতে পিস্টন ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে এটি ১,৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম।

আরও পড়ুন  ইরান নতুন ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি উন্মোচন করল

ড্রোনটির সাম্প্রতিক কিছু ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ছবিতে দেখা যায়, শাহেদ-১০৭ এর মতো দেখতে একটি ড্রোন ইসরায়েলি অধিকৃত আকাশসীমার মধ্যে প্রবেশ করেছে এবং ‘অ্যারো ৩’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আশপাশে অবস্থান করেছে। এই তথ্য বিশেষজ্ঞদের কাছে ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ইরানের নতুন ড্রোনটি ইসরায়েলের উচ্চমাত্রার নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেদ করতে সক্ষম।

সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি শাহেদ-১০৭ ড্রোনকে একটি সমন্বিত বহর বা ঝাঁক হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তবে তা ইসরায়েলের বহুস্তর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চরম চাপ সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে, এই ধরনের আত্মঘাতী ড্রোন একসাথে আকাশপথে ছুটে এলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে সবগুলো লক্ষ্য শনাক্ত করে ধ্বংস করা কঠিন হয়ে পড়ে।

ইরানের পক্ষ থেকে যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এই ড্রোনের অস্ত্র বহনের ক্ষমতা বা অপারেশনাল কৌশল বিস্তারিতভাবে জানানো হয়নি, তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ভারসাম্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

ড্রোন প্রযুক্তিতে ইরানের ক্রমাগত উন্নতি এবং শাহেদ সিরিজের আগের ড্রোনগুলোর সফলতা বিবেচনায় নতুন ‘শাহেদ-১০৭’ ড্রোনটি আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।