ঢাকা ১২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ

পার্লামেন্টে প্রথম ধাপেই ব্যর্থ ফ্রেডরিখ মেৎস, জার্মান রাজনীতিতে অনিশ্চয়তা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫
  • / 397

ছবি সংগৃহীত

 

জার্মানির রক্ষণশীল নেতা ফ্রেডরিখ মেৎস বুন্ডেস্টাগের প্রথম দফার ভোটে চ্যান্সেলর নির্বাচিত হতে ব্যর্থ হয়েছেন। ৬৩০ সদস্যবিশিষ্ট পার্লামেন্টে তার পক্ষে ৩১০টি ভোট পড়েছে, যেখানে প্রয়োজন ছিল অন্তত ৩১৬টি। ছয় ভোটের এই ঘাটতি তার জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই ভোটে মেৎসের জয় প্রায় নিশ্চিত বলেই ধারণা করা হচ্ছিল। কারণ তার দল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ/সিএসইউ) ও মধ্য-বামপন্থী সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটস (এসপিডি) জোট মিলে পার্লামেন্টে ৩২৮টি আসন রয়েছে। ফলে এই ভোট শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা মাত্র বলে মনে করা হচ্ছিল।

আরও পড়ুন  প্রশংসায় অস্ট্রেলিয়ান সিনেটর,সন্তান কোলে নিয়েই পার্লামেন্টে ভাষণ

কিন্তু ফলাফল স্পষ্ট করেছে যে জোটের ভিতরে মতবিরোধ বা অসন্তোষ রয়েছে। ৩১০ জন সংসদ সদস্য মেৎসের পক্ষে ভোট দিলেও ৩০৭ জন ভোট দিয়েছেন বিপক্ষে। তিনজন ভোটদানে বিরত ছিলেন, একটি ব্যালট বাতিল হয়েছে এবং নয়জন সদস্য অনুপস্থিত ছিলেন।

এই ফলাফল জার্মান রাজনীতিতে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। মেৎসের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে এবং তার জোট সরকারের স্থায়িত্ব নিয়েও জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জার্মান সংবিধান অনুযায়ী, আগামী ১৪ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় দফায় প্রয়োজন হবে আগের মতোই সংখ্যাগরিষ্ঠতা। তবে তৃতীয় ও চূড়ান্ত দফায় সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই মেৎস চ্যান্সেলর নির্বাচিত হতে পারবেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ব্যর্থতা মেৎসের নেতৃত্বের ওপর আস্থা সংকট তৈরি করেছে। জোটের মধ্যে বিদ্যমান বিভক্তি তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ফ্রেডরিখ মেৎস এখন চাপের মুখে পড়েছেন একদিকে তাকে দলীয় সমন্বয় ও আস্থার ঘাটতি মোকাবিলা করতে হবে, অন্যদিকে জাতীয় নেতৃত্বে তার সক্ষমতা নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া সংশয় দূর করতে হবে।

সূত্র: এএফপি

 

নিউজটি শেয়ার করুন

পার্লামেন্টে প্রথম ধাপেই ব্যর্থ ফ্রেডরিখ মেৎস, জার্মান রাজনীতিতে অনিশ্চয়তা

আপডেট সময় ০৭:২৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫

 

জার্মানির রক্ষণশীল নেতা ফ্রেডরিখ মেৎস বুন্ডেস্টাগের প্রথম দফার ভোটে চ্যান্সেলর নির্বাচিত হতে ব্যর্থ হয়েছেন। ৬৩০ সদস্যবিশিষ্ট পার্লামেন্টে তার পক্ষে ৩১০টি ভোট পড়েছে, যেখানে প্রয়োজন ছিল অন্তত ৩১৬টি। ছয় ভোটের এই ঘাটতি তার জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই ভোটে মেৎসের জয় প্রায় নিশ্চিত বলেই ধারণা করা হচ্ছিল। কারণ তার দল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ/সিএসইউ) ও মধ্য-বামপন্থী সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটস (এসপিডি) জোট মিলে পার্লামেন্টে ৩২৮টি আসন রয়েছে। ফলে এই ভোট শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা মাত্র বলে মনে করা হচ্ছিল।

আরও পড়ুন  জুলাই সনদের বাস্তবায়ন: ডেপুটি স্পিকার হচ্ছেন ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান

কিন্তু ফলাফল স্পষ্ট করেছে যে জোটের ভিতরে মতবিরোধ বা অসন্তোষ রয়েছে। ৩১০ জন সংসদ সদস্য মেৎসের পক্ষে ভোট দিলেও ৩০৭ জন ভোট দিয়েছেন বিপক্ষে। তিনজন ভোটদানে বিরত ছিলেন, একটি ব্যালট বাতিল হয়েছে এবং নয়জন সদস্য অনুপস্থিত ছিলেন।

এই ফলাফল জার্মান রাজনীতিতে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। মেৎসের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে এবং তার জোট সরকারের স্থায়িত্ব নিয়েও জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জার্মান সংবিধান অনুযায়ী, আগামী ১৪ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় দফায় প্রয়োজন হবে আগের মতোই সংখ্যাগরিষ্ঠতা। তবে তৃতীয় ও চূড়ান্ত দফায় সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই মেৎস চ্যান্সেলর নির্বাচিত হতে পারবেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ব্যর্থতা মেৎসের নেতৃত্বের ওপর আস্থা সংকট তৈরি করেছে। জোটের মধ্যে বিদ্যমান বিভক্তি তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ফ্রেডরিখ মেৎস এখন চাপের মুখে পড়েছেন একদিকে তাকে দলীয় সমন্বয় ও আস্থার ঘাটতি মোকাবিলা করতে হবে, অন্যদিকে জাতীয় নেতৃত্বে তার সক্ষমতা নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া সংশয় দূর করতে হবে।

সূত্র: এএফপি