ঢাকা ০৭:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
নির্বাচনের আগে যেভাবে একসঙ্গে কাজ করেছি, দেশ গঠনেও থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ‘২৯ বছর বয়সেই রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের জন্য ব্যাকুল কেউ কেউ’: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী সালমান শাহ হ/ত্যা মা/ম/লায় গ্রে/প্তার ডনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ কলকাতায় মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল, অল্পের জন্য রক্ষা পাওয়ার দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চু*রির মা*ম*লায় তদন্ত প্রতিবেদন ৯৭ বার পেছাল হেফাজত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বাবুনগর মাদ্রাসায় প্রধানমন্ত্রী সালমান শাহ হ/ত্যা মা*ম*লা, ডন আ*টক সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের ১০ নেতাকর্মীকে পি*টি*য়ে হাসপাতালে পাঠাল নি/ষি/দ্ধ ছাত্রলীগ ‘বিভ্রান্ত করে জনগণের শান্তি নষ্ট করবেন না’: প্রধানমন্ত্রী চাঁদপুরে হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সিভিল সার্জনকে বদলির নির্দেশ

দেশের সাংস্কৃতিক পরিবেশ সংকটে: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৯:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / 28

ছবি: সংগৃহীত

 

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন দীর্ঘদিন ধরে নানা সংকটের মধ্যে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। তিনি বলেছেন, দেশের সাংস্কৃতিক পরিবেশ বর্তমানে অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে।
এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকার সাংস্কৃতিক খাত পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে এবং একটি পরিশীলিত সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি সংসদের আয়োজিত ৬৯তম আবৃত্তি উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  কবে কমবে তীব্র লোডশেডিং, সুখবর দিলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, সংস্কৃতি কেবল গান, নাচ বা আবৃত্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি জাতির চেতনা, মূল্যবোধ ও মানবিক বিকাশের অন্যতম ভিত্তি। তবে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রই বর্তমানে বিভিন্ন সংকট ও জটিলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, সংগীত, আবৃত্তিসহ সংস্কৃতির প্রতিটি শাখায় উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে। একটি সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশ ছাড়া সমাজে মানবিক মূল্যবোধ ও গণতান্ত্রিক চেতনার বিকাশও বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সংস্কৃতি খাত পুনর্গঠনে সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার নতুনভাবে সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল গড়ে তুলতে কাজ করছে। এ বিষয়ে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে আন্তরিক এবং সংস্কৃতি খাতকে কীভাবে পুনরুজ্জীবিত ও আরও পরিশীলিত করা যায়, তা নিয়ে একাধিক বৈঠকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নাদিয়া পাঠান পাপন বলেন, আবৃত্তি শুধু ভাষা চর্চা বা মঞ্চে উপস্থাপনার বিষয় নয়; এটি কণ্ঠ নিয়ন্ত্রণ, শুদ্ধ উচ্চারণ ও সঠিক শব্দ ব্যবহারের দক্ষতা গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আবৃত্তি চর্চাকে আরও উৎসাহিত করার পাশাপাশি এ খাতে সরকারি বরাদ্দ ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে বিদেশি শিল্পীদের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেশের শিল্পী ও আবৃত্তিশিল্পীদের পেশাগত সুযোগ বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহম্মেদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমিন এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক।

অনুষ্ঠানে কবি সম্মাননা প্রদান করা হয় যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদারকে। আবৃত্তিশিল্পী সম্মাননায় ভূষিত হন রেজাউল হোসেন টিটো।

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশের সাংস্কৃতিক পরিবেশ সংকটে: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:২৯:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

 

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন দীর্ঘদিন ধরে নানা সংকটের মধ্যে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। তিনি বলেছেন, দেশের সাংস্কৃতিক পরিবেশ বর্তমানে অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে।
এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকার সাংস্কৃতিক খাত পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে এবং একটি পরিশীলিত সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি সংসদের আয়োজিত ৬৯তম আবৃত্তি উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  শেরপুরের কাটাবাড়ী সীমান্তে বিদ্যুৎস্পর্শে বন্য হাতির মৃত্যু, উদ্বিগ্ন পরিবেশকর্মীরা

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, সংস্কৃতি কেবল গান, নাচ বা আবৃত্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি জাতির চেতনা, মূল্যবোধ ও মানবিক বিকাশের অন্যতম ভিত্তি। তবে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রই বর্তমানে বিভিন্ন সংকট ও জটিলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, সংগীত, আবৃত্তিসহ সংস্কৃতির প্রতিটি শাখায় উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে। একটি সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশ ছাড়া সমাজে মানবিক মূল্যবোধ ও গণতান্ত্রিক চেতনার বিকাশও বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সংস্কৃতি খাত পুনর্গঠনে সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার নতুনভাবে সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল গড়ে তুলতে কাজ করছে। এ বিষয়ে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে আন্তরিক এবং সংস্কৃতি খাতকে কীভাবে পুনরুজ্জীবিত ও আরও পরিশীলিত করা যায়, তা নিয়ে একাধিক বৈঠকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নাদিয়া পাঠান পাপন বলেন, আবৃত্তি শুধু ভাষা চর্চা বা মঞ্চে উপস্থাপনার বিষয় নয়; এটি কণ্ঠ নিয়ন্ত্রণ, শুদ্ধ উচ্চারণ ও সঠিক শব্দ ব্যবহারের দক্ষতা গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আবৃত্তি চর্চাকে আরও উৎসাহিত করার পাশাপাশি এ খাতে সরকারি বরাদ্দ ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে বিদেশি শিল্পীদের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেশের শিল্পী ও আবৃত্তিশিল্পীদের পেশাগত সুযোগ বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহম্মেদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমিন এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক।

অনুষ্ঠানে কবি সম্মাননা প্রদান করা হয় যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদারকে। আবৃত্তিশিল্পী সম্মাননায় ভূষিত হন রেজাউল হোসেন টিটো।