ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

শেরপুরে কলা চাষে বিপ্লব: নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার উন্মোচন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪৬:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 414

ছবি সংগৃহীত

 

শেরপুরের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে কলা চাষে এক নতুন বিপ্লব ঘটছে। এখানকার উর্বর মাটি এবং পাহাড়ি পরিবেশ কলা চাষের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত, এবং এই অঞ্চলের কৃষকরা বর্তমানে কলা চাষে ব্যাপকভাবে আগ্রহী। বিশেষ করে শ্রীবরদী উপজেলায় কলা চাষের পরিমাণ অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে, যা স্থানীয় কৃষকদের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

কলাকান্দা চৌকিদার বাড়ি বাজারে প্রতিদিন প্রায় অর্ধকোটি টাকার বেচাকেনা হয়, যেখানে স্থানীয় কৃষকের উৎপাদিত কলা দেশের বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে। শেরপুরের কলার গুণগত মান এবং স্বাদের কারণে পাইকারি বাজারে এর চাহিদা অনেক বেশি, যা স্থানীয় কৃষকদের লাভজনক বাজারের সুযোগ করে দিয়েছে। বাজারে প্রতিদিনই পাইকারি ব্যবসায়ীদের ভিড় দেখা যায়।

আরও পড়ুন  জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যু: শেরপুর-৩ আসনের ভবিষ্যৎ কি হবে?

অন্য ফসলের তুলনায় কলা চাষে খরচ কম, আর লাভ বেশি হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। একে একে জমিতে চারা রোপণ করলে কয়েক মাসের মধ্যেই ফলন পাওয়া যায় এবং নিয়মিত পরিচর্যা করলে একাধিকবার ফলন তোলা সম্ভব। এ কারণে সীমান্ত এলাকার অনেক কৃষক ধান বা অন্য শস্যের পরিবর্তে এখন কলা চাষে মনোযোগী হচ্ছেন।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই বছরে শ্রীবরদী উপজেলায় প্রায় ৩২০ হেক্টর জমিতে কলা চাষ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৯০ শতাংশ বেশি। কৃষকদের লাভের পরিমাণও প্রতিটি একরে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত, এবং আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করলে এই আয় আরও বাড়ানো সম্ভব।

তবে কলা চাষের অগ্রগতি বজায় রাখতে সরকারের সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শেরপুরের কলা চাষ একদিন দেশের প্রধান উৎপাদন কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে, যদি কৃষকরা পর্যাপ্ত সহায়তা পান।

নিউজটি শেয়ার করুন

শেরপুরে কলা চাষে বিপ্লব: নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার উন্মোচন

আপডেট সময় ০৫:৪৬:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

শেরপুরের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে কলা চাষে এক নতুন বিপ্লব ঘটছে। এখানকার উর্বর মাটি এবং পাহাড়ি পরিবেশ কলা চাষের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত, এবং এই অঞ্চলের কৃষকরা বর্তমানে কলা চাষে ব্যাপকভাবে আগ্রহী। বিশেষ করে শ্রীবরদী উপজেলায় কলা চাষের পরিমাণ অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে, যা স্থানীয় কৃষকদের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

কলাকান্দা চৌকিদার বাড়ি বাজারে প্রতিদিন প্রায় অর্ধকোটি টাকার বেচাকেনা হয়, যেখানে স্থানীয় কৃষকের উৎপাদিত কলা দেশের বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে। শেরপুরের কলার গুণগত মান এবং স্বাদের কারণে পাইকারি বাজারে এর চাহিদা অনেক বেশি, যা স্থানীয় কৃষকদের লাভজনক বাজারের সুযোগ করে দিয়েছে। বাজারে প্রতিদিনই পাইকারি ব্যবসায়ীদের ভিড় দেখা যায়।

আরও পড়ুন  সব শ্রেণির মানুষের রক্ত-ঘামে জুলাই বিপ্লবের সাফল্য: আসিফ মাহমুদ

অন্য ফসলের তুলনায় কলা চাষে খরচ কম, আর লাভ বেশি হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। একে একে জমিতে চারা রোপণ করলে কয়েক মাসের মধ্যেই ফলন পাওয়া যায় এবং নিয়মিত পরিচর্যা করলে একাধিকবার ফলন তোলা সম্ভব। এ কারণে সীমান্ত এলাকার অনেক কৃষক ধান বা অন্য শস্যের পরিবর্তে এখন কলা চাষে মনোযোগী হচ্ছেন।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই বছরে শ্রীবরদী উপজেলায় প্রায় ৩২০ হেক্টর জমিতে কলা চাষ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৯০ শতাংশ বেশি। কৃষকদের লাভের পরিমাণও প্রতিটি একরে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত, এবং আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করলে এই আয় আরও বাড়ানো সম্ভব।

তবে কলা চাষের অগ্রগতি বজায় রাখতে সরকারের সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শেরপুরের কলা চাষ একদিন দেশের প্রধান উৎপাদন কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে, যদি কৃষকরা পর্যাপ্ত সহায়তা পান।