ঢাকা ০৬:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

কলকাতার অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৬ বাংলাদেশির লাশ দেশে ফিরছে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • / 57

ছবি সংগৃহীত

 

কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে ছয়জনের লাশ দেশে ফেরানোর প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর নাগাদ বেনাপোল ও ভোমরা সীমান্ত দিয়ে এসব লাশ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। নিহত আরেক বাংলাদেশি রেবতী সরকারের লাশ পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কলকাতাতেই সৎকার করা হবে।

এর মধ্যে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে পাঁচটি লাশ এবং ভোমরা সীমান্ত দিয়ে একটি লাশ দেশে আসার কথা রয়েছে। লাশ দেশে আনার জন্য বন্দর ও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

আরও পড়ুন  কলকাতায় জীবিত মুসলিম কিশোরীকে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলা হয়েছিল: পুলিশ

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক) রুহুল আমিন এবং বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি সাইফুর রহমান খান।

জানা গেছে, কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গ থেকে অ্যাম্বুলেন্স ও শববাহী গাড়িতে করে কফিনগুলো বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের সামনে নেওয়া হয়েছে। সেখানে নিহতদের স্বজনেরাও উপস্থিত রয়েছেন। ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। তবে নিহতদের পাসপোর্ট পুলিশের কাছ থেকে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া তখনও সম্পন্ন হয়নি বলে জানা গেছে।

নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চারজন রয়েছেন। তারা হলেন কুষ্টিয়া শহরের আরুয়াপাড়া (মোহিনী মিল এলাকা) এলাকার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৩৯), তার স্ত্রী আফসানা শারমীন (২৭), তাদের একমাত্র সন্তান স্বর্ণশীষ দত্ত (৩) এবং আফসানার বাবা মো. আকরাম আলী (৬৪)।

দেবাশীষ দত্ত দৈনিক ‘আজকের পত্রিকা’ ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘চ্যানেল ৯’-এর কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি স্থানীয় ‘আজকের আলো’ পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। স্ত্রী আফসানা শারমীন অসুস্থ থাকায় চিকিৎসার জন্য পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কলকাতায় গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে ‘শিখা ইন’ হোটেলে অবস্থানের সময় অগ্নিকাণ্ডে তারা নিহত হন।

নিহত অন্য তিন বাংলাদেশির মধ্যে রয়েছেন ঢাকার সাভারের আমিনবাজার এলাকার কসমেটিকস ব্যবসায়ী বাবু আহমেদ (৩৭), সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের এস এম আলিমুজ্জামান সাজু এবং একই জেলার রেবতী সরকার। সাজু স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কলকাতায় গিয়েছিলেন। রেবতী সরকার চিকিৎসার জন্য ওই হোটেলে অবস্থান করছিলেন।

রেবতী সরকারের লাশ দেশে আনা হচ্ছে না। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কলকাতার নিমতলা মহাশ্মশানে তার সৎকার সম্পন্ন করা হবে। এক স্বজন জানান, কলকাতায় থাকা আত্মীয়দের সহযোগিতায় সেখানেই তার সৎকারের ব্যবস্থা করা হবে।

এর আগে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিহতদের স্বজনেরা গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন। এ সময় তাদের জন্য পরিস্থিতিটি অত্যন্ত কষ্টদায়ক ছিল বলে স্বজনেরা জানান।

হোটেলটির অগ্নিকাণ্ডের পরিস্থিতি নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহতদের এক স্বজন। তার ভাষ্য, ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ ছিল।

বেনাপোল প্রতিনিধি রাশেদুজ্জামানের তথ্য অনুযায়ী, বেনাপোল দিয়ে পাঁচটি লাশ দেশে আসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে সাভারের একজন এবং কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্তের পরিবারের চারজন রয়েছেন। কলকাতা থেকে বেনাপোলে লাশ পৌঁছাতে প্রায় দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।

কলকাতায় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে সময় লাগায় সকালে লাশগুলো বেনাপোলে পৌঁছানো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। পরে দুপুর নাগাদ সেগুলো পৌঁছানোর সম্ভাবনার কথা জানানো হয়।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি সাইফুর রহমান খান বলেন, লাশগুলো শনিবার দুপুর নাগাদ বেনাপোল দিয়ে দেশে প্রবেশ করতে পারে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হবে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক) রুহুল আমিন বলেন, কলকাতা থেকে নিহত বাংলাদেশিদের লাশ সকালে আসার কথা থাকলেও প্রক্রিয়াগত কারণে দুপুর নাগাদ পৌঁছাতে পারে। লাশ গ্রহণ ও দেশে প্রবেশের জন্য বন্দরের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

কুষ্টিয়ার নিহত সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত ও তার পরিবারের লাশ গ্রহণের জন্য সাংবাদিক নেতারা ও স্বজনেরা বেনাপোলের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। দেশে পৌঁছানোর পর লাশগুলো কুষ্টিয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দেবাশীষ দত্ত ও তার ছেলে স্বর্ণশীষ দত্তকে সমাহিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে দেবাশীষের স্ত্রী আফসানা শারমীন ও শ্বশুর মো. আকরাম আলীকে দাফন করা হবে।

গত বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত ২টার দিকে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মোট নয়জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি এবং দুজন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন।

অগ্নিকাণ্ডের পর ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বাংলাদেশি নিহতদের লাশ দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন ও স্থানীয় প্রশাসন। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ছয়জনের লাশ দেশে ফেরানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

লাশ দেশে ফেরার খবরে নিহতদের স্বজনদের মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর প্রিয়জনদের মরদেহ দেশে পৌঁছানোর অপেক্ষায় রয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

কলকাতার অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৬ বাংলাদেশির লাশ দেশে ফিরছে

আপডেট সময় ০১:২৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

 

কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে ছয়জনের লাশ দেশে ফেরানোর প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর নাগাদ বেনাপোল ও ভোমরা সীমান্ত দিয়ে এসব লাশ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। নিহত আরেক বাংলাদেশি রেবতী সরকারের লাশ পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কলকাতাতেই সৎকার করা হবে।

এর মধ্যে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে পাঁচটি লাশ এবং ভোমরা সীমান্ত দিয়ে একটি লাশ দেশে আসার কথা রয়েছে। লাশ দেশে আনার জন্য বন্দর ও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

আরও পড়ুন  কলকাতায় শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সহকারীকে গুলি করে হত্যা

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক) রুহুল আমিন এবং বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি সাইফুর রহমান খান।

জানা গেছে, কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গ থেকে অ্যাম্বুলেন্স ও শববাহী গাড়িতে করে কফিনগুলো বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের সামনে নেওয়া হয়েছে। সেখানে নিহতদের স্বজনেরাও উপস্থিত রয়েছেন। ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। তবে নিহতদের পাসপোর্ট পুলিশের কাছ থেকে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া তখনও সম্পন্ন হয়নি বলে জানা গেছে।

নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চারজন রয়েছেন। তারা হলেন কুষ্টিয়া শহরের আরুয়াপাড়া (মোহিনী মিল এলাকা) এলাকার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৩৯), তার স্ত্রী আফসানা শারমীন (২৭), তাদের একমাত্র সন্তান স্বর্ণশীষ দত্ত (৩) এবং আফসানার বাবা মো. আকরাম আলী (৬৪)।

দেবাশীষ দত্ত দৈনিক ‘আজকের পত্রিকা’ ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘চ্যানেল ৯’-এর কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি স্থানীয় ‘আজকের আলো’ পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। স্ত্রী আফসানা শারমীন অসুস্থ থাকায় চিকিৎসার জন্য পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কলকাতায় গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে ‘শিখা ইন’ হোটেলে অবস্থানের সময় অগ্নিকাণ্ডে তারা নিহত হন।

নিহত অন্য তিন বাংলাদেশির মধ্যে রয়েছেন ঢাকার সাভারের আমিনবাজার এলাকার কসমেটিকস ব্যবসায়ী বাবু আহমেদ (৩৭), সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের এস এম আলিমুজ্জামান সাজু এবং একই জেলার রেবতী সরকার। সাজু স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কলকাতায় গিয়েছিলেন। রেবতী সরকার চিকিৎসার জন্য ওই হোটেলে অবস্থান করছিলেন।

রেবতী সরকারের লাশ দেশে আনা হচ্ছে না। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কলকাতার নিমতলা মহাশ্মশানে তার সৎকার সম্পন্ন করা হবে। এক স্বজন জানান, কলকাতায় থাকা আত্মীয়দের সহযোগিতায় সেখানেই তার সৎকারের ব্যবস্থা করা হবে।

এর আগে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিহতদের স্বজনেরা গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন। এ সময় তাদের জন্য পরিস্থিতিটি অত্যন্ত কষ্টদায়ক ছিল বলে স্বজনেরা জানান।

হোটেলটির অগ্নিকাণ্ডের পরিস্থিতি নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহতদের এক স্বজন। তার ভাষ্য, ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ ছিল।

বেনাপোল প্রতিনিধি রাশেদুজ্জামানের তথ্য অনুযায়ী, বেনাপোল দিয়ে পাঁচটি লাশ দেশে আসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে সাভারের একজন এবং কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্তের পরিবারের চারজন রয়েছেন। কলকাতা থেকে বেনাপোলে লাশ পৌঁছাতে প্রায় দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।

কলকাতায় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে সময় লাগায় সকালে লাশগুলো বেনাপোলে পৌঁছানো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। পরে দুপুর নাগাদ সেগুলো পৌঁছানোর সম্ভাবনার কথা জানানো হয়।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি সাইফুর রহমান খান বলেন, লাশগুলো শনিবার দুপুর নাগাদ বেনাপোল দিয়ে দেশে প্রবেশ করতে পারে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হবে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক) রুহুল আমিন বলেন, কলকাতা থেকে নিহত বাংলাদেশিদের লাশ সকালে আসার কথা থাকলেও প্রক্রিয়াগত কারণে দুপুর নাগাদ পৌঁছাতে পারে। লাশ গ্রহণ ও দেশে প্রবেশের জন্য বন্দরের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

কুষ্টিয়ার নিহত সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত ও তার পরিবারের লাশ গ্রহণের জন্য সাংবাদিক নেতারা ও স্বজনেরা বেনাপোলের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। দেশে পৌঁছানোর পর লাশগুলো কুষ্টিয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দেবাশীষ দত্ত ও তার ছেলে স্বর্ণশীষ দত্তকে সমাহিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে দেবাশীষের স্ত্রী আফসানা শারমীন ও শ্বশুর মো. আকরাম আলীকে দাফন করা হবে।

গত বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত ২টার দিকে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মোট নয়জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি এবং দুজন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন।

অগ্নিকাণ্ডের পর ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বাংলাদেশি নিহতদের লাশ দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন ও স্থানীয় প্রশাসন। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ছয়জনের লাশ দেশে ফেরানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

লাশ দেশে ফেরার খবরে নিহতদের স্বজনদের মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর প্রিয়জনদের মরদেহ দেশে পৌঁছানোর অপেক্ষায় রয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।