ঢাকা ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হামের সংক্রমণ বাড়ায় শনিবার থেকে বিশেষ টিকাদান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 36

ছবি সংগৃহীত

 

হামের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় শিশুদের সুরক্ষায় শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) থেকে দ্বিতীয় দফায় বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন শুরু করছে স্বাস্থ্য বিভাগ। ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলা এ কর্মসূচিতে নিয়মিত টিকাদান থেকে বাদ পড়া শিশুদেরও টিকার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

হামে আক্রান্ত শিশুদের মায়েদের অনেকে জানান, টিকা দেওয়ার সময়ের আগেই তাদের সন্তান জ্বর-সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন অসুস্থতায় ভুগছিল। অসুস্থতার কারণে অনেক শিশুকে নির্ধারিত সময়ে টিকা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন  দেশে হাম ও উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১২৭৬

চিকিৎসকেরা বলছেন, শরীরে হামের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরিতে টিকাদান গুরুত্বপূর্ণ। তাই শিশুদের নিয়মিত টিকাদানের পাশাপাশি বিশেষ ক্যাম্পেইনের টিকাও নেওয়ার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. হালিমা বলেন, ৯ থেকে ১৫ মাস বয়সে এমআর ভ্যাকসিনের নির্ধারিত দুটি ডোজ নিতে হবে। সরকারের ইপিআই সূচি অনুযায়ী টিকা নেওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত ডোজটিও নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শিশুদের অবশ্যই টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে এবং হাম-রুবেলার টিকা দিতে হবে।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মির্জা মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম বলেন, এবারের কর্মসূচিকে ‘মপআপ প্রোগ্রাম’ বলা হচ্ছে। এর মাধ্যমে যারা কোনো কারণে আগের কর্মসূচিতে টিকা নিতে পারেনি, তাদের চিহ্নিত করে টিকার আওতায় আনার চেষ্টা করা হবে।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আগের কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় এবার ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩৪ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত বলেন, যেকোনো রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে কমিউনিটিতে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।

এর আগে ইউনিসেফ, গ্যাভি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত সারা দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হয়। ওই কর্মসূচিতে ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

হামের সংক্রমণ বাড়ায় শনিবার থেকে বিশেষ টিকাদান

আপডেট সময় ০৯:৫৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

হামের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় শিশুদের সুরক্ষায় শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) থেকে দ্বিতীয় দফায় বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন শুরু করছে স্বাস্থ্য বিভাগ। ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলা এ কর্মসূচিতে নিয়মিত টিকাদান থেকে বাদ পড়া শিশুদেরও টিকার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

হামে আক্রান্ত শিশুদের মায়েদের অনেকে জানান, টিকা দেওয়ার সময়ের আগেই তাদের সন্তান জ্বর-সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন অসুস্থতায় ভুগছিল। অসুস্থতার কারণে অনেক শিশুকে নির্ধারিত সময়ে টিকা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন  দেশে হাম ও উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১২৭৬

চিকিৎসকেরা বলছেন, শরীরে হামের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরিতে টিকাদান গুরুত্বপূর্ণ। তাই শিশুদের নিয়মিত টিকাদানের পাশাপাশি বিশেষ ক্যাম্পেইনের টিকাও নেওয়ার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. হালিমা বলেন, ৯ থেকে ১৫ মাস বয়সে এমআর ভ্যাকসিনের নির্ধারিত দুটি ডোজ নিতে হবে। সরকারের ইপিআই সূচি অনুযায়ী টিকা নেওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত ডোজটিও নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শিশুদের অবশ্যই টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে এবং হাম-রুবেলার টিকা দিতে হবে।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মির্জা মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম বলেন, এবারের কর্মসূচিকে ‘মপআপ প্রোগ্রাম’ বলা হচ্ছে। এর মাধ্যমে যারা কোনো কারণে আগের কর্মসূচিতে টিকা নিতে পারেনি, তাদের চিহ্নিত করে টিকার আওতায় আনার চেষ্টা করা হবে।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আগের কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় এবার ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩৪ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত বলেন, যেকোনো রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে কমিউনিটিতে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।

এর আগে ইউনিসেফ, গ্যাভি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত সারা দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হয়। ওই কর্মসূচিতে ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।