ঢাকা ০৩:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ভারত থেকে আসল আরও ৯ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চাল, মোট আমদানির পরিমাণ ছাড়াল প্রায় ৩ লাখ টন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫
  • / 255

ছবি: সংগৃহীত

 

ভারত থেকে আরও ৯ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চাল বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র চুক্তির আওতায় এই চাল আমদানি করেছে খাদ্য অধিদফতর। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমদাদ ইসলাম।

তিনি জানান, চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি সম্পাদিত আন্তর্জাতিক দরপত্রের (প্যাকেজ-৫) আওতায় ভারত থেকে এমভি ইয়াং সেং ১৫১ জাহাজে এই চাল পাঠানো হয়। জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে নিরাপদে ভিড়েছে। জাহাজে থাকা চালের গুণগত মান পরীক্ষাও ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এখন দ্রুত চাল খালাসের প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  ভারতে ফের করোনার আঘাত, মৃত ৭, আক্রান্ত প্রায় ৩ হাজার

এদিকে, ভারত থেকে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে মোট ৯টি প্যাকেজে ৪ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির চুক্তি করেছে সরকার। এরই মধ্যে ২ লাখ ৯৭ হাজার ২৬৯ মেট্রিক টন চাল দেশে এসে পৌঁছেছে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

খাদ্য অধিদফতর জানিয়েছে, এই চাল সরবরাহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারি গুদামে পাঠানো হবে এবং পর্যায়ক্রমে তা বিতরণ কার্যক্রমে যুক্ত হবে। সরকার অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে ও সাধারণ মানুষের জন্য ন্যায্যমূল্যে খাদ্যসামগ্রী নিশ্চিত করতে আমদানিকৃত চালের এ সরবরাহ ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ এবং আবহাওয়া জনিত কারণে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা মোকাবেলায় এই ধরনের আমদানি কার্যক্রম সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত।

সরকার আশা করছে, আমদানিকৃত চালের মজুত ও দ্রুত বিতরণের মাধ্যমে খাদ্য পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হবে এবং বাজারে অস্থিরতা রোধ করা সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারত থেকে আসল আরও ৯ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চাল, মোট আমদানির পরিমাণ ছাড়াল প্রায় ৩ লাখ টন

আপডেট সময় ০৪:৫১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

 

ভারত থেকে আরও ৯ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চাল বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র চুক্তির আওতায় এই চাল আমদানি করেছে খাদ্য অধিদফতর। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমদাদ ইসলাম।

তিনি জানান, চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি সম্পাদিত আন্তর্জাতিক দরপত্রের (প্যাকেজ-৫) আওতায় ভারত থেকে এমভি ইয়াং সেং ১৫১ জাহাজে এই চাল পাঠানো হয়। জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে নিরাপদে ভিড়েছে। জাহাজে থাকা চালের গুণগত মান পরীক্ষাও ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এখন দ্রুত চাল খালাসের প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  ভারত সফরে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স, আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি

এদিকে, ভারত থেকে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে মোট ৯টি প্যাকেজে ৪ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির চুক্তি করেছে সরকার। এরই মধ্যে ২ লাখ ৯৭ হাজার ২৬৯ মেট্রিক টন চাল দেশে এসে পৌঁছেছে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

খাদ্য অধিদফতর জানিয়েছে, এই চাল সরবরাহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারি গুদামে পাঠানো হবে এবং পর্যায়ক্রমে তা বিতরণ কার্যক্রমে যুক্ত হবে। সরকার অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে ও সাধারণ মানুষের জন্য ন্যায্যমূল্যে খাদ্যসামগ্রী নিশ্চিত করতে আমদানিকৃত চালের এ সরবরাহ ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ এবং আবহাওয়া জনিত কারণে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা মোকাবেলায় এই ধরনের আমদানি কার্যক্রম সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত।

সরকার আশা করছে, আমদানিকৃত চালের মজুত ও দ্রুত বিতরণের মাধ্যমে খাদ্য পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হবে এবং বাজারে অস্থিরতা রোধ করা সম্ভব হবে।