ঢাকা ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

ভারত থেকে আসল আরও ৯ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চাল, মোট আমদানির পরিমাণ ছাড়াল প্রায় ৩ লাখ টন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫
  • / 321

ছবি: সংগৃহীত

 

ভারত থেকে আরও ৯ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চাল বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র চুক্তির আওতায় এই চাল আমদানি করেছে খাদ্য অধিদফতর। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমদাদ ইসলাম।

তিনি জানান, চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি সম্পাদিত আন্তর্জাতিক দরপত্রের (প্যাকেজ-৫) আওতায় ভারত থেকে এমভি ইয়াং সেং ১৫১ জাহাজে এই চাল পাঠানো হয়। জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে নিরাপদে ভিড়েছে। জাহাজে থাকা চালের গুণগত মান পরীক্ষাও ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এখন দ্রুত চাল খালাসের প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  যুদ্ধ-আতঙ্কে ভারত: ২৪৪ জেলায় ব্ল্যাকআউটসহ মহড়া চালানোর নির্দেশ

এদিকে, ভারত থেকে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে মোট ৯টি প্যাকেজে ৪ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির চুক্তি করেছে সরকার। এরই মধ্যে ২ লাখ ৯৭ হাজার ২৬৯ মেট্রিক টন চাল দেশে এসে পৌঁছেছে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

খাদ্য অধিদফতর জানিয়েছে, এই চাল সরবরাহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারি গুদামে পাঠানো হবে এবং পর্যায়ক্রমে তা বিতরণ কার্যক্রমে যুক্ত হবে। সরকার অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে ও সাধারণ মানুষের জন্য ন্যায্যমূল্যে খাদ্যসামগ্রী নিশ্চিত করতে আমদানিকৃত চালের এ সরবরাহ ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ এবং আবহাওয়া জনিত কারণে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা মোকাবেলায় এই ধরনের আমদানি কার্যক্রম সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত।

সরকার আশা করছে, আমদানিকৃত চালের মজুত ও দ্রুত বিতরণের মাধ্যমে খাদ্য পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হবে এবং বাজারে অস্থিরতা রোধ করা সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারত থেকে আসল আরও ৯ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চাল, মোট আমদানির পরিমাণ ছাড়াল প্রায় ৩ লাখ টন

আপডেট সময় ০৪:৫১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

 

ভারত থেকে আরও ৯ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চাল বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র চুক্তির আওতায় এই চাল আমদানি করেছে খাদ্য অধিদফতর। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমদাদ ইসলাম।

তিনি জানান, চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি সম্পাদিত আন্তর্জাতিক দরপত্রের (প্যাকেজ-৫) আওতায় ভারত থেকে এমভি ইয়াং সেং ১৫১ জাহাজে এই চাল পাঠানো হয়। জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে নিরাপদে ভিড়েছে। জাহাজে থাকা চালের গুণগত মান পরীক্ষাও ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এখন দ্রুত চাল খালাসের প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  সীমান্তে উত্তেজনার মাঝেও পাকিস্তানকে আইএমএফ ঋণ, ক্ষুব্ধ ভারত

এদিকে, ভারত থেকে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে মোট ৯টি প্যাকেজে ৪ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির চুক্তি করেছে সরকার। এরই মধ্যে ২ লাখ ৯৭ হাজার ২৬৯ মেট্রিক টন চাল দেশে এসে পৌঁছেছে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

খাদ্য অধিদফতর জানিয়েছে, এই চাল সরবরাহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারি গুদামে পাঠানো হবে এবং পর্যায়ক্রমে তা বিতরণ কার্যক্রমে যুক্ত হবে। সরকার অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে ও সাধারণ মানুষের জন্য ন্যায্যমূল্যে খাদ্যসামগ্রী নিশ্চিত করতে আমদানিকৃত চালের এ সরবরাহ ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ এবং আবহাওয়া জনিত কারণে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা মোকাবেলায় এই ধরনের আমদানি কার্যক্রম সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত।

সরকার আশা করছে, আমদানিকৃত চালের মজুত ও দ্রুত বিতরণের মাধ্যমে খাদ্য পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হবে এবং বাজারে অস্থিরতা রোধ করা সম্ভব হবে।