ঢাকা ০৬:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সুনামগঞ্জের পৃথক হাওরে বজ্রপাত, ধান কাটার সময় ৫ কৃষকের মৃত্যু আগামী ২ জুলাই শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী বিগত দুই সরকার হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী পল্লবীতে নিরাপত্তা প্রহরী সালাহউদ্দিন হত্যা: ঘাতক অটোরিকশা চালক গ্রেপ্তার রোহিঙ্গা সংকটের কার্যকর সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান থালাপতি বিজয়ের বিরুদ্ধে চেন্নাই পুলিশের মামলা বিসিএস ক্যাডার, প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী; এক নজরে সালাহউদ্দিন আহমদ ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিত করতে সম্মত হয়েছে: দাবি ট্রাম্পের সংসার সুখের করতে স্বামীকে কৃতজ্ঞতা জানানোর দিন আজ খুলনা পুলিশ লাইনে কনস্টেবলের রহস্যজনক আত্মহত্যা

ভারত থেকে আসল আরও ৯ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চাল, মোট আমদানির পরিমাণ ছাড়াল প্রায় ৩ লাখ টন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫
  • / 218

ছবি: সংগৃহীত

 

ভারত থেকে আরও ৯ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চাল বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র চুক্তির আওতায় এই চাল আমদানি করেছে খাদ্য অধিদফতর। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমদাদ ইসলাম।

তিনি জানান, চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি সম্পাদিত আন্তর্জাতিক দরপত্রের (প্যাকেজ-৫) আওতায় ভারত থেকে এমভি ইয়াং সেং ১৫১ জাহাজে এই চাল পাঠানো হয়। জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে নিরাপদে ভিড়েছে। জাহাজে থাকা চালের গুণগত মান পরীক্ষাও ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এখন দ্রুত চাল খালাসের প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  ভারতের মেঘালয়ে অবৈধ কয়লা খনিতে বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ১৮

এদিকে, ভারত থেকে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে মোট ৯টি প্যাকেজে ৪ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির চুক্তি করেছে সরকার। এরই মধ্যে ২ লাখ ৯৭ হাজার ২৬৯ মেট্রিক টন চাল দেশে এসে পৌঁছেছে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

খাদ্য অধিদফতর জানিয়েছে, এই চাল সরবরাহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারি গুদামে পাঠানো হবে এবং পর্যায়ক্রমে তা বিতরণ কার্যক্রমে যুক্ত হবে। সরকার অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে ও সাধারণ মানুষের জন্য ন্যায্যমূল্যে খাদ্যসামগ্রী নিশ্চিত করতে আমদানিকৃত চালের এ সরবরাহ ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ এবং আবহাওয়া জনিত কারণে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা মোকাবেলায় এই ধরনের আমদানি কার্যক্রম সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত।

সরকার আশা করছে, আমদানিকৃত চালের মজুত ও দ্রুত বিতরণের মাধ্যমে খাদ্য পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হবে এবং বাজারে অস্থিরতা রোধ করা সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারত থেকে আসল আরও ৯ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চাল, মোট আমদানির পরিমাণ ছাড়াল প্রায় ৩ লাখ টন

আপডেট সময় ০৪:৫১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

 

ভারত থেকে আরও ৯ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চাল বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র চুক্তির আওতায় এই চাল আমদানি করেছে খাদ্য অধিদফতর। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমদাদ ইসলাম।

তিনি জানান, চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি সম্পাদিত আন্তর্জাতিক দরপত্রের (প্যাকেজ-৫) আওতায় ভারত থেকে এমভি ইয়াং সেং ১৫১ জাহাজে এই চাল পাঠানো হয়। জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে নিরাপদে ভিড়েছে। জাহাজে থাকা চালের গুণগত মান পরীক্ষাও ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এখন দ্রুত চাল খালাসের প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  ভারত-কানাডা সম্পর্কে বরফ গলছে, ২ বছর পরে কূটনৈতিক সমঝোতা

এদিকে, ভারত থেকে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে মোট ৯টি প্যাকেজে ৪ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির চুক্তি করেছে সরকার। এরই মধ্যে ২ লাখ ৯৭ হাজার ২৬৯ মেট্রিক টন চাল দেশে এসে পৌঁছেছে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

খাদ্য অধিদফতর জানিয়েছে, এই চাল সরবরাহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারি গুদামে পাঠানো হবে এবং পর্যায়ক্রমে তা বিতরণ কার্যক্রমে যুক্ত হবে। সরকার অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে ও সাধারণ মানুষের জন্য ন্যায্যমূল্যে খাদ্যসামগ্রী নিশ্চিত করতে আমদানিকৃত চালের এ সরবরাহ ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ এবং আবহাওয়া জনিত কারণে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা মোকাবেলায় এই ধরনের আমদানি কার্যক্রম সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত।

সরকার আশা করছে, আমদানিকৃত চালের মজুত ও দ্রুত বিতরণের মাধ্যমে খাদ্য পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হবে এবং বাজারে অস্থিরতা রোধ করা সম্ভব হবে।