ঢাকা ০৪:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন, রাজপথে হুমকি নয়: রিজভী ‘যৌনাঙ্গ চুরি’র গুজবে আফ্রিকায় ৮০ জনের বেশি নিহত সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু জেন-জিদের পর এবার শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ভারতে জেন-আলফার বিক্ষোভ এক্সপ্রেসওয়ে থেকে স্কচটেপ মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধানক্ষেতে শত বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রায় জীবিত প্রেসিডেন্টের ট্রাম্পের প্রতিকৃতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান ও সেঞ্চুরির রেকর্ড স্মৃতি মন্ধানার কিংবদন্তি গাজী মাজহারুলের প্রয়াণ দিবস আজ

গ্রীষ্ম ও রমজানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিতে বিশেষ নির্দেশনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫৬:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫
  • / 456

ছবি: সংগৃহীত

 

আগামী গ্রীষ্মকাল ও সেচ মৌসুমের চাহিদা মেটাতে এবং পবিত্র রমজান মাসে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগ বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে। সোমবার (১৭ মার্চ) সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ নির্দেশনার কথা জানানো হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, রাত ১১টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত সেচ পাম্প চালু রাখার অনুরোধ করা হয়েছে, যাতে দিনের চাহিদার চাপ কমানো যায়। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহারের লক্ষ্যে “ওয়েট অ্যান্ড ড্রাই” পদ্ধতিতে সেচ কাজ সম্পাদনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  ছুটি শেষে আজ খুলছে স্কুল-কলেজ: মানতে হবে ৫টি জরুরি নির্দেশনা

লোডশেডিং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এসির তাপমাত্রা অন্তত ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার ওপরে রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। এছাড়া, দোকান, শপিং মল, পেট্রোল পাম্প ও সিএনজি স্টেশনে অতিরিক্ত বাতি ব্যবহার পরিহার করে বিদ্যুতের সাশ্রয় নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জরুরি যোগাযোগ ও সহায়তা

যেকোনো বিদ্যুৎ সংক্রান্ত সমস্যায় গ্রাহকদের দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগ বেশ কয়েকটি হটলাইন নম্বর চালু রেখেছে। বিদ্যুৎ সংযোগে বিঘ্ন ঘটলে তাৎক্ষণিক সহায়তার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের হটলাইন ১৬৯৯৯-এ যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ হটলাইন নম্বরগুলো হলো—

🔹 বিদ্যুৎ বিভাগের কন্ট্রোল রুম: ০২-৪৭১২০৩০৯, ০১৭৩৯-০০০২৯৩
🔹 বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড: ১৬২০০, ০১৭০৮-১৪৯৫০২, ০১৭০৮-১৪৯৫০৩
🔹 বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড: ১৬৮৯৯, ০২-৮৯০০৫৭৫, ০১৭৯২-৬২৩৪৬৭
🔹 ডিপিডিসি: ১৬১১৬
🔹 ডেসকো: ১৬১২০
🔹 নেসকো: ১৬৬০৩
🔹 ওজোপাডিকো: ১৬১১৭, কন্ট্রোল রুম: ০২-৪৭৭৭২৪৪৭২, ০১৭৫৫৫৬৮৭৮১

বিদ্যুৎ বিভাগ আশা করছে, এই নির্দেশনাগুলো মেনে চললে আসন্ন গ্রীষ্ম ও রমজান মাসে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গ্রীষ্ম ও রমজানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিতে বিশেষ নির্দেশনা

আপডেট সময় ০৪:৫৬:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫

 

আগামী গ্রীষ্মকাল ও সেচ মৌসুমের চাহিদা মেটাতে এবং পবিত্র রমজান মাসে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগ বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে। সোমবার (১৭ মার্চ) সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ নির্দেশনার কথা জানানো হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, রাত ১১টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত সেচ পাম্প চালু রাখার অনুরোধ করা হয়েছে, যাতে দিনের চাহিদার চাপ কমানো যায়। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহারের লক্ষ্যে “ওয়েট অ্যান্ড ড্রাই” পদ্ধতিতে সেচ কাজ সম্পাদনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  ইন্দোনেশিয়ায় রমজান ও ঈদ উপলক্ষে যাতায়াত সহজ করতে পদক্ষেপ, বিমান ও মহাসড়ক টোল কমানোর ঘোষণা

লোডশেডিং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এসির তাপমাত্রা অন্তত ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার ওপরে রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। এছাড়া, দোকান, শপিং মল, পেট্রোল পাম্প ও সিএনজি স্টেশনে অতিরিক্ত বাতি ব্যবহার পরিহার করে বিদ্যুতের সাশ্রয় নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জরুরি যোগাযোগ ও সহায়তা

যেকোনো বিদ্যুৎ সংক্রান্ত সমস্যায় গ্রাহকদের দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগ বেশ কয়েকটি হটলাইন নম্বর চালু রেখেছে। বিদ্যুৎ সংযোগে বিঘ্ন ঘটলে তাৎক্ষণিক সহায়তার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের হটলাইন ১৬৯৯৯-এ যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ হটলাইন নম্বরগুলো হলো—

🔹 বিদ্যুৎ বিভাগের কন্ট্রোল রুম: ০২-৪৭১২০৩০৯, ০১৭৩৯-০০০২৯৩
🔹 বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড: ১৬২০০, ০১৭০৮-১৪৯৫০২, ০১৭০৮-১৪৯৫০৩
🔹 বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড: ১৬৮৯৯, ০২-৮৯০০৫৭৫, ০১৭৯২-৬২৩৪৬৭
🔹 ডিপিডিসি: ১৬১১৬
🔹 ডেসকো: ১৬১২০
🔹 নেসকো: ১৬৬০৩
🔹 ওজোপাডিকো: ১৬১১৭, কন্ট্রোল রুম: ০২-৪৭৭৭২৪৪৭২, ০১৭৫৫৫৬৮৭৮১

বিদ্যুৎ বিভাগ আশা করছে, এই নির্দেশনাগুলো মেনে চললে আসন্ন গ্রীষ্ম ও রমজান মাসে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে।