ঢাকা ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
জাপানের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন তারেক রহমান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর অভিন্ন সমৃদ্ধিতে বিগ-বি জোরদার করছে বাংলাদেশ-জাপান বাংলাদেশের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে জোর: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উগান্ডায় ৩৮ জনকে হত্যার অভিযোগে নরখাদক গ্রেপ্তার সুদানে ড্রোন হামলায় নিহত ২১, আহত ৪০ চীনে পাচারের ভয়ংকর ফাঁদ: রাজধানী থেকে ১২ পাহাড়ি নারী উদ্ধার রাশিয়ার অর্থায়নে পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণের প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি জাপানি বিনিয়োগে ২ লাখ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

গ্রীষ্ম ও রমজানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিতে বিশেষ নির্দেশনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫৬:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫
  • / 493

ছবি: সংগৃহীত

 

আগামী গ্রীষ্মকাল ও সেচ মৌসুমের চাহিদা মেটাতে এবং পবিত্র রমজান মাসে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগ বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে। সোমবার (১৭ মার্চ) সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ নির্দেশনার কথা জানানো হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, রাত ১১টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত সেচ পাম্প চালু রাখার অনুরোধ করা হয়েছে, যাতে দিনের চাহিদার চাপ কমানো যায়। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহারের লক্ষ্যে “ওয়েট অ্যান্ড ড্রাই” পদ্ধতিতে সেচ কাজ সম্পাদনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  রমজানে চলবে ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযান, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘অলআউট অ্যাকশন’: ডিবিপ্রধান

লোডশেডিং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এসির তাপমাত্রা অন্তত ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার ওপরে রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। এছাড়া, দোকান, শপিং মল, পেট্রোল পাম্প ও সিএনজি স্টেশনে অতিরিক্ত বাতি ব্যবহার পরিহার করে বিদ্যুতের সাশ্রয় নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জরুরি যোগাযোগ ও সহায়তা

যেকোনো বিদ্যুৎ সংক্রান্ত সমস্যায় গ্রাহকদের দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগ বেশ কয়েকটি হটলাইন নম্বর চালু রেখেছে। বিদ্যুৎ সংযোগে বিঘ্ন ঘটলে তাৎক্ষণিক সহায়তার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের হটলাইন ১৬৯৯৯-এ যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ হটলাইন নম্বরগুলো হলো—

🔹 বিদ্যুৎ বিভাগের কন্ট্রোল রুম: ০২-৪৭১২০৩০৯, ০১৭৩৯-০০০২৯৩
🔹 বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড: ১৬২০০, ০১৭০৮-১৪৯৫০২, ০১৭০৮-১৪৯৫০৩
🔹 বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড: ১৬৮৯৯, ০২-৮৯০০৫৭৫, ০১৭৯২-৬২৩৪৬৭
🔹 ডিপিডিসি: ১৬১১৬
🔹 ডেসকো: ১৬১২০
🔹 নেসকো: ১৬৬০৩
🔹 ওজোপাডিকো: ১৬১১৭, কন্ট্রোল রুম: ০২-৪৭৭৭২৪৪৭২, ০১৭৫৫৫৬৮৭৮১

বিদ্যুৎ বিভাগ আশা করছে, এই নির্দেশনাগুলো মেনে চললে আসন্ন গ্রীষ্ম ও রমজান মাসে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গ্রীষ্ম ও রমজানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিতে বিশেষ নির্দেশনা

আপডেট সময় ০৪:৫৬:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫

 

আগামী গ্রীষ্মকাল ও সেচ মৌসুমের চাহিদা মেটাতে এবং পবিত্র রমজান মাসে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগ বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে। সোমবার (১৭ মার্চ) সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ নির্দেশনার কথা জানানো হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, রাত ১১টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত সেচ পাম্প চালু রাখার অনুরোধ করা হয়েছে, যাতে দিনের চাহিদার চাপ কমানো যায়। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহারের লক্ষ্যে “ওয়েট অ্যান্ড ড্রাই” পদ্ধতিতে সেচ কাজ সম্পাদনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশে পবিত্র মাহে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে, আগামীকাল থেকে রোজা শুরু

লোডশেডিং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এসির তাপমাত্রা অন্তত ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার ওপরে রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। এছাড়া, দোকান, শপিং মল, পেট্রোল পাম্প ও সিএনজি স্টেশনে অতিরিক্ত বাতি ব্যবহার পরিহার করে বিদ্যুতের সাশ্রয় নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জরুরি যোগাযোগ ও সহায়তা

যেকোনো বিদ্যুৎ সংক্রান্ত সমস্যায় গ্রাহকদের দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগ বেশ কয়েকটি হটলাইন নম্বর চালু রেখেছে। বিদ্যুৎ সংযোগে বিঘ্ন ঘটলে তাৎক্ষণিক সহায়তার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের হটলাইন ১৬৯৯৯-এ যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ হটলাইন নম্বরগুলো হলো—

🔹 বিদ্যুৎ বিভাগের কন্ট্রোল রুম: ০২-৪৭১২০৩০৯, ০১৭৩৯-০০০২৯৩
🔹 বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড: ১৬২০০, ০১৭০৮-১৪৯৫০২, ০১৭০৮-১৪৯৫০৩
🔹 বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড: ১৬৮৯৯, ০২-৮৯০০৫৭৫, ০১৭৯২-৬২৩৪৬৭
🔹 ডিপিডিসি: ১৬১১৬
🔹 ডেসকো: ১৬১২০
🔹 নেসকো: ১৬৬০৩
🔹 ওজোপাডিকো: ১৬১১৭, কন্ট্রোল রুম: ০২-৪৭৭৭২৪৪৭২, ০১৭৫৫৫৬৮৭৮১

বিদ্যুৎ বিভাগ আশা করছে, এই নির্দেশনাগুলো মেনে চললে আসন্ন গ্রীষ্ম ও রমজান মাসে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে।