ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র

কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানির ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫
  • / 160

ছবি সংগৃহীত

 

কানাডা ঘোষণা করেছে যে তারা প্রায় ৩০ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার মূল্যের আমেরিকান আমদানির ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে। বুধবার থেকে কার্যকর হওয়া মার্কিন শুল্কের প্রতিক্রিয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। দ্য গার্ডিয়ান সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, কানাডিয়ান সরকার জানিয়েছে যে তারা ‘ডলার-বাই-ডলার’ পদ্ধতিতে শুল্ক আরোপ করবে এবং এই শুল্কের হার হবে ২৫%।

স্থানীয় সময় বুধবার সকালে, কানাডা একগুচ্ছ প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে, যা বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হবে। কানাডা এই শুল্কের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা বিভিন্ন পণ্যকে লক্ষ্যবস্তু করতে যাচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার, ক্রীড়া সরঞ্জাম, ঢালাই লোহা এবং অন্যান্য পণ্য।

আরও পড়ুন  ইরানের ইউরেনিয়াম গোপনে সরিয়ে নেওয়ার আশঙ্কা, নিশ্চিত নয় যুক্তরাষ্ট্র

কানাডার জ্বালানিমন্ত্রী জোনাথন উইলকিনসন এই ঘোষণায় জানিয়েছেন, কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তার তেল রপ্তানি সীমিত করার জন্য অশুল্ক ব্যবস্থা আরোপ করার চিন্তা করছে। এছাড়া, খনিজ পদার্থের ওপরও রপ্তানি শুল্ক আরোপ করা হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করছে, বিশেষত ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর নতুন শুল্কের পরিপ্রেক্ষিতে। কানাডার সরকার আশা করছে যে, এই শুল্কের মাধ্যমে তারা মার্কিন শুল্কের চাপের বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলবে, যা বৃহত্তর অর্থনৈতিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তবুও, কানাডা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ যে তারা নিজেদের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করবে এবং মার্কিন সিদ্ধান্তের প্রতি যথাযথ প্রতিক্রিয়া জানাবে।

কানাডার এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে, যা দুই দেশের মধ্যে একাধিক বাণিজ্যিক বিষয়ে আরো জটিলতা সৃষ্টি করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানির ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে

আপডেট সময় ০৪:৫১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫

 

কানাডা ঘোষণা করেছে যে তারা প্রায় ৩০ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার মূল্যের আমেরিকান আমদানির ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে। বুধবার থেকে কার্যকর হওয়া মার্কিন শুল্কের প্রতিক্রিয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। দ্য গার্ডিয়ান সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, কানাডিয়ান সরকার জানিয়েছে যে তারা ‘ডলার-বাই-ডলার’ পদ্ধতিতে শুল্ক আরোপ করবে এবং এই শুল্কের হার হবে ২৫%।

স্থানীয় সময় বুধবার সকালে, কানাডা একগুচ্ছ প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে, যা বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হবে। কানাডা এই শুল্কের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা বিভিন্ন পণ্যকে লক্ষ্যবস্তু করতে যাচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার, ক্রীড়া সরঞ্জাম, ঢালাই লোহা এবং অন্যান্য পণ্য।

আরও পড়ুন  কানাডায় চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় লিবারেল পার্টি, প্রধানমন্ত্রীর হচ্ছেন মার্ক কার্নি

কানাডার জ্বালানিমন্ত্রী জোনাথন উইলকিনসন এই ঘোষণায় জানিয়েছেন, কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তার তেল রপ্তানি সীমিত করার জন্য অশুল্ক ব্যবস্থা আরোপ করার চিন্তা করছে। এছাড়া, খনিজ পদার্থের ওপরও রপ্তানি শুল্ক আরোপ করা হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করছে, বিশেষত ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর নতুন শুল্কের পরিপ্রেক্ষিতে। কানাডার সরকার আশা করছে যে, এই শুল্কের মাধ্যমে তারা মার্কিন শুল্কের চাপের বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলবে, যা বৃহত্তর অর্থনৈতিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তবুও, কানাডা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ যে তারা নিজেদের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করবে এবং মার্কিন সিদ্ধান্তের প্রতি যথাযথ প্রতিক্রিয়া জানাবে।

কানাডার এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে, যা দুই দেশের মধ্যে একাধিক বাণিজ্যিক বিষয়ে আরো জটিলতা সৃষ্টি করবে।