ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

সম্পদের হিসাব না দেওয়া কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫
  • / 434

ছবি সংগৃহীত

 

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ হাজার, যার মধ্যে ক্যাডার কর্মকর্তা আছেন ৬ হাজার ৫৩৯ জন। এর মধ্যে ৫ হাজারেরও বেশি কর্মকর্তা সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের সম্পদের হিসাব মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছেন। তবে, যারা সম্পদ বিবরণী জমা দেননি, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়, এবং নির্ধারিত সময়সীমার কয়েকটি বাড়ানোর পর, শেষ সময় ছিল ১৫ ফেব্রুয়ারি। এখন পর্যন্ত ১৬ দিন পেরিয়ে গেলেও, কতজন কর্মচারী তাদের হিসাব জমা দিয়েছেন, তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কাছে।

আরও পড়ুন  টেসলার কর্ণধার ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থার মামলা

মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মোট কর্মকর্তা-কর্মচারী সংখ্যা ৬৭ হাজার ৯৩১, এর মধ্যে ক্যাডার কর্মকর্তা ৬ হাজার ৫৩৯ জন। মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মচারী সংখ্যা ৫ হাজার ৯৫১, এবং জেলা প্রশাসনসহ ৫৩ হাজার ২৫১ কর্মচারী আছেন। উল্লেখযোগ্য যে, ক্যাডার কর্মকর্তারা তাদের সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে দায়বদ্ধ, তবে অন্যদের নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জমা দেওয়ার কথা।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোখলেস উর রহমান জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ৫ হাজারের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী সম্পদের হিসাব জমা দিয়েছেন। তবে, যাঁরা জমা দেননি, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিভাগীয় কমিশনার অফিস এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেশিরভাগ কর্মচারী তাদের সম্পদ বিবরণী জমা দিয়েছেন। তবে, সেগুলোর পরিমাণ এখনও সঠিকভাবে নির্ধারণ করা হয়নি।

পঞ্চগড়ের ডিসি সাবেত আলী এবং শেরপুরের ডিসি তরফদার মাহমুদুর রহমানও একই মত প্রকাশ করেছেন, এবং তাদের অফিসে জমা দেওয়া বিবরণী সংরক্ষণ করা হচ্ছে। তারা বলেন, যারা জমা দেননি, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সম্পদের হিসাব না দেওয়া কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

আপডেট সময় ০৩:২০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

 

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ হাজার, যার মধ্যে ক্যাডার কর্মকর্তা আছেন ৬ হাজার ৫৩৯ জন। এর মধ্যে ৫ হাজারেরও বেশি কর্মকর্তা সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের সম্পদের হিসাব মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছেন। তবে, যারা সম্পদ বিবরণী জমা দেননি, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়, এবং নির্ধারিত সময়সীমার কয়েকটি বাড়ানোর পর, শেষ সময় ছিল ১৫ ফেব্রুয়ারি। এখন পর্যন্ত ১৬ দিন পেরিয়ে গেলেও, কতজন কর্মচারী তাদের হিসাব জমা দিয়েছেন, তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কাছে।

আরও পড়ুন  সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলম প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে নতুন দায়িত্ব

মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মোট কর্মকর্তা-কর্মচারী সংখ্যা ৬৭ হাজার ৯৩১, এর মধ্যে ক্যাডার কর্মকর্তা ৬ হাজার ৫৩৯ জন। মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মচারী সংখ্যা ৫ হাজার ৯৫১, এবং জেলা প্রশাসনসহ ৫৩ হাজার ২৫১ কর্মচারী আছেন। উল্লেখযোগ্য যে, ক্যাডার কর্মকর্তারা তাদের সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে দায়বদ্ধ, তবে অন্যদের নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জমা দেওয়ার কথা।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোখলেস উর রহমান জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ৫ হাজারের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী সম্পদের হিসাব জমা দিয়েছেন। তবে, যাঁরা জমা দেননি, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিভাগীয় কমিশনার অফিস এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেশিরভাগ কর্মচারী তাদের সম্পদ বিবরণী জমা দিয়েছেন। তবে, সেগুলোর পরিমাণ এখনও সঠিকভাবে নির্ধারণ করা হয়নি।

পঞ্চগড়ের ডিসি সাবেত আলী এবং শেরপুরের ডিসি তরফদার মাহমুদুর রহমানও একই মত প্রকাশ করেছেন, এবং তাদের অফিসে জমা দেওয়া বিবরণী সংরক্ষণ করা হচ্ছে। তারা বলেন, যারা জমা দেননি, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।