ঢাকা ১০:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ

ইউক্রেনে বিভাজন তৈরি করাই এই মুহূর্তে রাশিয়ার মূল লক্ষ্য

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 374

ছবি: সংগৃহীত

 

রাশিয়ার প্রধান লক্ষ্য ইউক্রেনের আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিক বিভাজন সৃষ্টি করা এবং এরপর ক্ষমতা পরিবর্তনের পর তিনগুণ শক্তিতে যুদ্ধ পুনরায় শুরু করা।
ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে ব্লুমবার্গ এ তথ্য জানিয়েছে।

তাত্ত্বিকভাবে ইউক্রেনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে, তবে তা সম্ভব হবে শুধুমাত্র যদি যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য মিত্র দেশ যুদ্ধবিরতির পর ফ্রন্টলাইন টহল দেওয়ার জন্য সেনা মোতায়েন করে।

আরও পড়ুন  ইউক্রেনে শ্রমিকবাহী বাসে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ৯ জন নিহত

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্টভাবে এ ধরনের পদক্ষেপের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউক্রেনে বিভাজন তৈরি করাই এই মুহূর্তে রাশিয়ার মূল লক্ষ্য

আপডেট সময় ১০:৪৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

রাশিয়ার প্রধান লক্ষ্য ইউক্রেনের আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিক বিভাজন সৃষ্টি করা এবং এরপর ক্ষমতা পরিবর্তনের পর তিনগুণ শক্তিতে যুদ্ধ পুনরায় শুরু করা।
ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে ব্লুমবার্গ এ তথ্য জানিয়েছে।

তাত্ত্বিকভাবে ইউক্রেনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে, তবে তা সম্ভব হবে শুধুমাত্র যদি যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য মিত্র দেশ যুদ্ধবিরতির পর ফ্রন্টলাইন টহল দেওয়ার জন্য সেনা মোতায়েন করে।

আরও পড়ুন  ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ না হলে রাশিয়ার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্টভাবে এ ধরনের পদক্ষেপের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন।