ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

শাবানা হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / 26

ছবি: সংগৃহীত

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে শাবানা বেগম হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় আরও দুই আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. আনোয়ারুল হকের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের এপ্রিলে শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভূনবীর ইউনিয়নের লইয়াকূল গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে শাবানা বেগম নিহত হন। এ ঘটনায় তাঁর ভাই হেলাল মিয়া বাদী হয়ে ১৪ জনকে আসামি করে শ্রীমঙ্গল থানায় হত্যা মামলা করেন।

আরও পড়ুন  শেখ হাসিনা ও কামালের মৃত্যুদণ্ড, রাজসাক্ষী মামুনের ৫ বছরের কারাদণ্ড

মামলার বিচার চলাকালে তিন আসামির স্বাভাবিক মৃত্যু হয়। বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত চারজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং দুজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অন্য চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবদুল মতিন বলেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দৃষ্টান্তমূলক রায় দিয়েছেন। তাঁর মতে, এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শাবানা হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৪:২১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে শাবানা বেগম হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় আরও দুই আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. আনোয়ারুল হকের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের এপ্রিলে শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভূনবীর ইউনিয়নের লইয়াকূল গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে শাবানা বেগম নিহত হন। এ ঘটনায় তাঁর ভাই হেলাল মিয়া বাদী হয়ে ১৪ জনকে আসামি করে শ্রীমঙ্গল থানায় হত্যা মামলা করেন।

আরও পড়ুন  তিন জবানবন্দিতে অপ্রতিম হত্যার নেপথ্য

মামলার বিচার চলাকালে তিন আসামির স্বাভাবিক মৃত্যু হয়। বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত চারজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং দুজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অন্য চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবদুল মতিন বলেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দৃষ্টান্তমূলক রায় দিয়েছেন। তাঁর মতে, এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।