ঢাকা ০৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

শত্রুর সঙ্গেও ইনসাফ চাই, দাফনে বাধা কেন: রাশেদ খাঁন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১৫:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / 23

ছবি: সংগৃহীত

বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জামায়াতের রাজনৈতিক আদর্শ ও ভিন্নমতের প্রতি দলটির আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। একই সঙ্গে এনসিপিকে জামায়াতের ‘প্রক্সি সংগঠন’ আখ্যা দিয়ে দলটির রাজনৈতিক অবস্থানের সমালোচনা করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘জামায়াত-এনসিপির আদর্শিক নেতা শহীদ ওসমান হাদী বলে গেছেন, আমরা আমাদের শত্রুর সাথেও ইনসাফ চাই! আসলে সেই ইনসাফ কি মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়া? জামায়াতের প্রয়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার সাক্ষী হওয়ার কারণে মানিক পশারীর জানাজা হতে দেয়নি জামায়াতে ইসলামী। এমনকি মোবাইলের আলোতে দুই মেয়ে ও এক বোন মিলে কবর খুঁড়ে দাফন সম্পন্ন করেছে। এই হলো জামায়াত-শিবিরের বর্বরতা।’

আরও পড়ুন  ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় ইসলামের শিক্ষা

তিনি আরও লেখেন, ‘ক্ষমতায় না গিয়েই যারা ভিন্নমতের মানুষের জানাজা-দাফনে বাধা দিচ্ছে, কখনো ক্ষমতায় গেলে তারা আরও বর্বর হবে। তাই সকলের নৈতিক দায়িত্ব জামায়াত-শিবিরের থাবা থেকে দেশকে রক্ষা করা।’

এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খাঁন। তাঁর দাবি, দলটির ৮০ শতাংশ নেতাকর্মী জামায়াত-শিবিরের সাবেক নেতাকর্মী। এ কারণে এনসিপির অধিকাংশ নেতাকর্মীর আচরণও জামায়াত-শিবিরের মতো বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘জামায়াতের প্রক্সি সংগঠন এনসিপির ৮০% নেতাকর্মী যেহেতু জামায়াত-শিবিরের সাবেক নেতাকর্মী। সুতরাং নতুন এই প্রক্সি দলটির অধিকাংশ নেতাকর্মীরা জামায়াত-শিবিরের মত বর্বর। এই দলটির জন্মই হয়েছে জামায়াত-শিবির কোনো বিপদে পড়লে উদ্ধারকারী জাহাজ হাজির হয়ে তাদের রক্ষা করার জন্য। প্রতিনিয়ত তারা সেটিই করে যাচ্ছে। বিশেষ করে আগামীতে জামায়াতের থেকে আসন ছাড় পাওয়ার জন্য এনসিপি নেতাদের মধ্যে জামায়াতি বর্বরতাকে তোষামোদি করার একধরণের প্রতিযোগিতা লক্ষ করা যাচ্ছে।’

পোস্টের শেষাংশে তিনি অভিযোগ করেন, ‘নতুন বন্দোবস্তের নামে এনসিপি বর্তমানে জামায়াতি বর্বরতাকে বৈধতা দেওয়ার রাজনীতি করছে।’ তরুণদের কাছে এমন রাজনীতি প্রত্যাশিত ছিল কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। এ সময় ছাগল চুরি, ল্যাপটপ চুরি এবং নারী ও আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও সমালোচনা করেন রাশেদ খাঁন।

মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ এবং জামায়াত-এনসিপির বিরুদ্ধে রাশেদ খাঁনের এসব বক্তব্য তাঁর ফেসবুক পোস্টের ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শত্রুর সঙ্গেও ইনসাফ চাই, দাফনে বাধা কেন: রাশেদ খাঁন

আপডেট সময় ০৭:১৫:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জামায়াতের রাজনৈতিক আদর্শ ও ভিন্নমতের প্রতি দলটির আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। একই সঙ্গে এনসিপিকে জামায়াতের ‘প্রক্সি সংগঠন’ আখ্যা দিয়ে দলটির রাজনৈতিক অবস্থানের সমালোচনা করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘জামায়াত-এনসিপির আদর্শিক নেতা শহীদ ওসমান হাদী বলে গেছেন, আমরা আমাদের শত্রুর সাথেও ইনসাফ চাই! আসলে সেই ইনসাফ কি মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়া? জামায়াতের প্রয়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার সাক্ষী হওয়ার কারণে মানিক পশারীর জানাজা হতে দেয়নি জামায়াতে ইসলামী। এমনকি মোবাইলের আলোতে দুই মেয়ে ও এক বোন মিলে কবর খুঁড়ে দাফন সম্পন্ন করেছে। এই হলো জামায়াত-শিবিরের বর্বরতা।’

আরও পড়ুন  উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের শত্রু নয় : কাতার

তিনি আরও লেখেন, ‘ক্ষমতায় না গিয়েই যারা ভিন্নমতের মানুষের জানাজা-দাফনে বাধা দিচ্ছে, কখনো ক্ষমতায় গেলে তারা আরও বর্বর হবে। তাই সকলের নৈতিক দায়িত্ব জামায়াত-শিবিরের থাবা থেকে দেশকে রক্ষা করা।’

এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খাঁন। তাঁর দাবি, দলটির ৮০ শতাংশ নেতাকর্মী জামায়াত-শিবিরের সাবেক নেতাকর্মী। এ কারণে এনসিপির অধিকাংশ নেতাকর্মীর আচরণও জামায়াত-শিবিরের মতো বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘জামায়াতের প্রক্সি সংগঠন এনসিপির ৮০% নেতাকর্মী যেহেতু জামায়াত-শিবিরের সাবেক নেতাকর্মী। সুতরাং নতুন এই প্রক্সি দলটির অধিকাংশ নেতাকর্মীরা জামায়াত-শিবিরের মত বর্বর। এই দলটির জন্মই হয়েছে জামায়াত-শিবির কোনো বিপদে পড়লে উদ্ধারকারী জাহাজ হাজির হয়ে তাদের রক্ষা করার জন্য। প্রতিনিয়ত তারা সেটিই করে যাচ্ছে। বিশেষ করে আগামীতে জামায়াতের থেকে আসন ছাড় পাওয়ার জন্য এনসিপি নেতাদের মধ্যে জামায়াতি বর্বরতাকে তোষামোদি করার একধরণের প্রতিযোগিতা লক্ষ করা যাচ্ছে।’

পোস্টের শেষাংশে তিনি অভিযোগ করেন, ‘নতুন বন্দোবস্তের নামে এনসিপি বর্তমানে জামায়াতি বর্বরতাকে বৈধতা দেওয়ার রাজনীতি করছে।’ তরুণদের কাছে এমন রাজনীতি প্রত্যাশিত ছিল কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। এ সময় ছাগল চুরি, ল্যাপটপ চুরি এবং নারী ও আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও সমালোচনা করেন রাশেদ খাঁন।

মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ এবং জামায়াত-এনসিপির বিরুদ্ধে রাশেদ খাঁনের এসব বক্তব্য তাঁর ফেসবুক পোস্টের ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে।