দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আহ্বান অভিজিৎ দীপকের, গ্রেফতারের আশঙ্কা
- আপডেট সময় ০১:০৩:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
- / 27
ভারতের দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিল আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় দিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে এ মিছিল আয়োজনের ডাক দিয়েছেন তিনি। মিছিলের পর তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দীপকে। তবে এমন আশঙ্কা সত্ত্বেও কর্মসূচি থেকে সরে আসবেন না বলে জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে দীপকে জানান, যন্তর মন্তরে ভারতের জাতীয় পতাকা ওড়ানোর ঘটনায় তার সংগঠনের দুই জ্যেষ্ঠ সদস্য সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে দেশের প্রতি ভালোবাসা এবং জাতীয় পতাকার প্রতি শ্রদ্ধা রয়েছে—এমন সবাইকে মিছিলে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
দীপকে বলেন, ‘আমরা আমাদের জাতীয় পতাকা ওড়াব এবং তাদের জানিয়ে দেব, পতাকা ওড়ানো কোনো অপরাধ নয়।’
দিল্লিতে যেতে পারবেন না, এমন ব্যক্তিদের নিজ নিজ শহরে তিরঙ্গা মিছিল আয়োজনেরও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। দীপকের ভাষ্য, জাতীয় পতাকা দেশের গর্ব এবং এটি ওড়ানো কোনো অপরাধ নয়—কর্তৃপক্ষকে সেই বার্তা দিতে হবে।
মিছিলের পর তাকেও গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। তবে এতে তার সিদ্ধান্তের পরিবর্তন হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার তিরঙ্গা আমার গর্ব। আমি অবশ্যই এটি করব।’
এদিকে, পুলিশ জানিয়েছে, কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে সমাবেশ আয়োজনের জন্য আয়োজকেরা প্রয়োজনীয় অনুমতি নেননি। ওই এলাকায় সমাবেশ করতে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।
এ ছাড়া এলাকায় ভারতীয় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৩ ধারার অধীনে নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ কার্যকর রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে তিরঙ্গা মিছিল আয়োজনের অনুমতি পাওয়ার সম্ভাবনা কম বলে মনে করা হচ্ছে।
গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) যন্তর মন্তরে প্রতিবাদস্থলে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর ঘটনায় সিজেপির দুই জ্যেষ্ঠ সদস্য সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তাব্যবস্থা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশের অভিযোগ, মঙ্গলবার রানকা, দাস ও অজিঙ্কা শিন্ডেসহ ১৪ জনের একটি দল জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর কার্যালয়ের পেছনের একটি সরু গলি দিয়ে যন্তর মন্তরের প্রতিবাদস্থলে প্রবেশ করে। এ সময় তারা একটি তালাবদ্ধ লোহার ফটক টপকে ভেতরে ঢোকেন, ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং স্লোগান দেন।
পরে পুলিশ তাদের আটক করে। রানকা ও দাসকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে তিহার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য ১২ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস


























