ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

দিল্লিতে নারীদের নিরাপত্তায় ‘পিংক ফোর্স’

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১৪:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • / 35

ছবি সংগৃহীত

 

দিল্লিতে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা জোরদারে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারী পুলিশ সদস্যদের নিয়ে বিশেষ ‘পিংক ফোর্স’ গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর স্কুল, কলেজ, মেট্রো স্টেশন, বাজারসহ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় টহল এবং সংবেদনশীল সময়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব থাকবে এই ইউনিটের ওপর।

সম্প্রতি প্রায় ১০ দিনের ব্যবধানে দিল্লিতে নাবালিকাদের ওপর পৃথক চারটি ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের ঘটনা সামনে আসার পর এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  দিল্লিতে ১৬ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর তারানজিত সিং সাধু দিল্লি পুলিশকে গোয়া পুলিশের ‘পিংক ফোর্স’-এর আদলে নতুন এই ইউনিট গঠনের নির্দেশ দেন। রাজধানীর বিভিন্ন ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত এলাকায় বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে নারী পুলিশ সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।

নতুন ইউনিটের মূল লক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে পুলিশের উপস্থিতি দৃশ্যমান করা এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া। নারী পুলিশ সদস্যদের নিয়ে গঠিত বাহিনীটি স্কুল, কলেজ, মেট্রো স্টেশন ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে নিয়মিত টহল দেবে।

গোয়ায় ‘পিংক ফোর্স’ নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা এবং তাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কাজে নিয়োজিত। দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর নতুন ইউনিট গঠনে গোয়ার এই বাহিনীকে মডেল হিসেবে বিবেচনা করেছেন।

তবে নারী পুলিশ সদস্যদের দিয়ে দিল্লিতে টহল পরিচালনা নতুন কোনো উদ্যোগ নয়। এর আগে স্কুল, কলেজ, বাজার, মেট্রো স্টেশন ও জনবহুল এলাকায় নারী কর্মকর্তাদের স্কুটি ও বিট পেট্রোলিংয়ে মোতায়েন করা হয়েছে। নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে এসব কার্যক্রমকে একটি নির্দিষ্ট ‘পিংক ফোর্স’ কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এ ছাড়া ‘অপারেশন শিষ্টাচার’-এর আওতায় প্রকাশ্য স্থানে নারীদের উত্ত্যক্ত করা বন্ধে আইনি অভিযান চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার ও গণপরিবহনকেন্দ্রগুলোতে এরই মধ্যে টহল জোরদার করা হয়েছে। প্রস্তাবিত ‘পিংক ফোর্স’ এসব কার্যক্রমের পাশাপাশি কাজ করবে।

সাম্প্রতিক চারটি যৌন নিপীড়নের ঘটনার মধ্যে সর্বশেষ ঘটনায় কালকাজি মন্দিরের কাছে আস্থা কুঞ্জ পার্কে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে তিন ব্যক্তি দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। পুলিশ জানায়, অভিযুক্তরা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে ওই কিশোরীকে প্রথমে তার পুরুষ বন্ধুর কাছ থেকে আলাদা করে।

পরে পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির সময় পায়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর সদর বাজারে স্টেশনারি কিনতে গিয়ে একটি দোকানের ভেতর এক নাবালিকা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া মধ্য দিল্লির কিষাণগঞ্জে ছয় বছর বয়সী এক শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। পুলিশ জানায়, স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

সেপ্টেম্বরের শুরুতে স্বরূপ নগরে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ১৯ বছর বয়সী এক তরুণকে গ্রেপ্তার এবং তিন নাবালককে আটক করা হয়েছে।

এদিকে দিল্লি পুলিশের ‘জন শুনানি’ কর্মসূচিতে পাওয়া অভিযোগগুলোও ডিজিটাল পদ্ধতিতে ট্র্যাক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত ২৪ জুনের পর দিল্লি পুলিশ সদর দপ্তরে সান্ধুর দ্বিতীয় সফরের সময় ‘পিংক ফোর্স’ গঠনসহ বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি অভিযোগের প্রাপ্তিস্বীকার দেওয়া হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ থাকবে। অন্য সরকারি দপ্তরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

গত জুন থেকে বিভিন্ন থানায় ‘জন শুনানি’ কর্মসূচি চলছে। চলতি মাসে পুলিশ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০টির বেশি সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং প্রায় ১০ হাজার অভিযোগের সমাধান করা হয়েছে। তবে নতুন ডিজিটাল ব্যবস্থায় অভিযোগ নিষ্পত্তির নির্দিষ্ট সময়সীমা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।

অপরাধপ্রবণ ও জনবহুল এলাকায়, বিশেষ করে স্কুল, কলেজ, বাজার ও পরিবহনকেন্দ্রের আশপাশে পায়ে হেঁটে এবং মোটরসাইকেলে টহল বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ দায়িত্ব থানা ও বিট কর্মকর্তাদের ওপর দেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি পুলিশ ডিস্ট্রিক্টে একজন করে নোডাল অফিসার নিয়োগ করা হবে। পাশাপাশি স্কুলগুলোতে পিওসিএসও আইন, শিশু সুরক্ষা, সাইবার অপরাধ, মাদকের অপব্যবহার ও সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের জন্য ত্রৈমাসিক ক্যালেন্ডার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনার মধ্যে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ, সাইবার অপরাধ দমন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদারের বিষয়ও রয়েছে। থানাগুলোকে সাইবার অপরাধের অভিযোগ মোকাবিলা এবং ডিজিটাল প্রমাণ সংরক্ষণে আরও দক্ষ হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পিক আওয়ারে যানজটপ্রবণ প্রধান সড়ক ও পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন এবং সিসিটিভি নজরদারি বাড়াতেও বলা হয়েছে।

পুলিশ সদস্যদের কল্যাণের বিষয়টিও নির্দেশনায় গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ করে নিম্নপদস্থ ও নারী পুলিশ সদস্যদের সময়মতো পদোন্নতি দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন সান্ধু। একই সঙ্গে পুলিশ সদর দপ্তরে নির্দিষ্ট সময়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ ও ক্ষোভ শোনার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।

এ ছাড়া পুলিশ আবাসন কলোনিগুলোকে ‘জিরো-ওয়েস্ট’ বা বর্জ্যহীন মডেলে রূপান্তরের দিকেও এগিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

দিল্লিতে নারীদের নিরাপত্তায় ‘পিংক ফোর্স’

আপডেট সময় ০৭:১৪:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

 

দিল্লিতে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা জোরদারে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারী পুলিশ সদস্যদের নিয়ে বিশেষ ‘পিংক ফোর্স’ গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর স্কুল, কলেজ, মেট্রো স্টেশন, বাজারসহ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় টহল এবং সংবেদনশীল সময়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব থাকবে এই ইউনিটের ওপর।

সম্প্রতি প্রায় ১০ দিনের ব্যবধানে দিল্লিতে নাবালিকাদের ওপর পৃথক চারটি ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের ঘটনা সামনে আসার পর এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের থাকার ভবন ধসে পড়েছে, চলছে উদ্ধার অভিযান

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর তারানজিত সিং সাধু দিল্লি পুলিশকে গোয়া পুলিশের ‘পিংক ফোর্স’-এর আদলে নতুন এই ইউনিট গঠনের নির্দেশ দেন। রাজধানীর বিভিন্ন ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত এলাকায় বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে নারী পুলিশ সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।

নতুন ইউনিটের মূল লক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে পুলিশের উপস্থিতি দৃশ্যমান করা এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া। নারী পুলিশ সদস্যদের নিয়ে গঠিত বাহিনীটি স্কুল, কলেজ, মেট্রো স্টেশন ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে নিয়মিত টহল দেবে।

গোয়ায় ‘পিংক ফোর্স’ নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা এবং তাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কাজে নিয়োজিত। দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর নতুন ইউনিট গঠনে গোয়ার এই বাহিনীকে মডেল হিসেবে বিবেচনা করেছেন।

তবে নারী পুলিশ সদস্যদের দিয়ে দিল্লিতে টহল পরিচালনা নতুন কোনো উদ্যোগ নয়। এর আগে স্কুল, কলেজ, বাজার, মেট্রো স্টেশন ও জনবহুল এলাকায় নারী কর্মকর্তাদের স্কুটি ও বিট পেট্রোলিংয়ে মোতায়েন করা হয়েছে। নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে এসব কার্যক্রমকে একটি নির্দিষ্ট ‘পিংক ফোর্স’ কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এ ছাড়া ‘অপারেশন শিষ্টাচার’-এর আওতায় প্রকাশ্য স্থানে নারীদের উত্ত্যক্ত করা বন্ধে আইনি অভিযান চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার ও গণপরিবহনকেন্দ্রগুলোতে এরই মধ্যে টহল জোরদার করা হয়েছে। প্রস্তাবিত ‘পিংক ফোর্স’ এসব কার্যক্রমের পাশাপাশি কাজ করবে।

সাম্প্রতিক চারটি যৌন নিপীড়নের ঘটনার মধ্যে সর্বশেষ ঘটনায় কালকাজি মন্দিরের কাছে আস্থা কুঞ্জ পার্কে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে তিন ব্যক্তি দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। পুলিশ জানায়, অভিযুক্তরা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে ওই কিশোরীকে প্রথমে তার পুরুষ বন্ধুর কাছ থেকে আলাদা করে।

পরে পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির সময় পায়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর সদর বাজারে স্টেশনারি কিনতে গিয়ে একটি দোকানের ভেতর এক নাবালিকা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া মধ্য দিল্লির কিষাণগঞ্জে ছয় বছর বয়সী এক শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। পুলিশ জানায়, স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

সেপ্টেম্বরের শুরুতে স্বরূপ নগরে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ১৯ বছর বয়সী এক তরুণকে গ্রেপ্তার এবং তিন নাবালককে আটক করা হয়েছে।

এদিকে দিল্লি পুলিশের ‘জন শুনানি’ কর্মসূচিতে পাওয়া অভিযোগগুলোও ডিজিটাল পদ্ধতিতে ট্র্যাক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত ২৪ জুনের পর দিল্লি পুলিশ সদর দপ্তরে সান্ধুর দ্বিতীয় সফরের সময় ‘পিংক ফোর্স’ গঠনসহ বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি অভিযোগের প্রাপ্তিস্বীকার দেওয়া হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ থাকবে। অন্য সরকারি দপ্তরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

গত জুন থেকে বিভিন্ন থানায় ‘জন শুনানি’ কর্মসূচি চলছে। চলতি মাসে পুলিশ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০টির বেশি সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং প্রায় ১০ হাজার অভিযোগের সমাধান করা হয়েছে। তবে নতুন ডিজিটাল ব্যবস্থায় অভিযোগ নিষ্পত্তির নির্দিষ্ট সময়সীমা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।

অপরাধপ্রবণ ও জনবহুল এলাকায়, বিশেষ করে স্কুল, কলেজ, বাজার ও পরিবহনকেন্দ্রের আশপাশে পায়ে হেঁটে এবং মোটরসাইকেলে টহল বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ দায়িত্ব থানা ও বিট কর্মকর্তাদের ওপর দেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি পুলিশ ডিস্ট্রিক্টে একজন করে নোডাল অফিসার নিয়োগ করা হবে। পাশাপাশি স্কুলগুলোতে পিওসিএসও আইন, শিশু সুরক্ষা, সাইবার অপরাধ, মাদকের অপব্যবহার ও সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের জন্য ত্রৈমাসিক ক্যালেন্ডার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনার মধ্যে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ, সাইবার অপরাধ দমন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদারের বিষয়ও রয়েছে। থানাগুলোকে সাইবার অপরাধের অভিযোগ মোকাবিলা এবং ডিজিটাল প্রমাণ সংরক্ষণে আরও দক্ষ হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পিক আওয়ারে যানজটপ্রবণ প্রধান সড়ক ও পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন এবং সিসিটিভি নজরদারি বাড়াতেও বলা হয়েছে।

পুলিশ সদস্যদের কল্যাণের বিষয়টিও নির্দেশনায় গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ করে নিম্নপদস্থ ও নারী পুলিশ সদস্যদের সময়মতো পদোন্নতি দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন সান্ধু। একই সঙ্গে পুলিশ সদর দপ্তরে নির্দিষ্ট সময়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ ও ক্ষোভ শোনার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।

এ ছাড়া পুলিশ আবাসন কলোনিগুলোকে ‘জিরো-ওয়েস্ট’ বা বর্জ্যহীন মডেলে রূপান্তরের দিকেও এগিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।