ঢাকা ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :

অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য ডেটা পোর্টাল হ্যাক করেছে ওপেনএআই

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:১৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 21

ছবি সংগৃহীত

 

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ জানিয়েছেন, ওপেনএআইয়ের একটি এআই এজেন্ট দেশটির সরকারি মেডিকেয়ার পরিসংখ্যান পোর্টালে অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করেছিল। এজেন্টটি ওই পোর্টালের প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য—দুই ধরনের ফাইলেই প্রবেশাধিকার পেয়েছিল বলে জানান তিনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে অস্ট্রেলিয়ান সিগন্যালস ডিরেক্টরেটের সহায়তায় ফরেনসিক তদন্ত চলছে।

অ্যালবানিজ বলেন, ঘটনাটি চলতি বছরের জুনে ঘটে। ওপেনএআইয়ের একটি এজেন্ট অস্ট্রেলিয়ার সরকারি সংস্থা সার্ভিসেস অস্ট্রেলিয়ার পরিচালিত মেডিকেয়ার স্ট্যাটিস্টিকস রিপোর্টিং সার্ভিস পোর্টালে অননুমোদিত প্রবেশ করে।

আরও পড়ুন  আইসিসি হল অব ফেমে নতুন সাত কিংবদন্তি, তালিকায় ধোনি, হেইডেন, আমলারা

তার ভাষ্য অনুযায়ী, পোর্টালটিতে স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা ব্যয়সংক্রান্ত তথ্য ও পরিসংখ্যান রয়েছে। এজেন্টটি প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য উভয় ধরনের ফাইলে প্রবেশ করেছিল। তবে এখন পর্যন্ত ব্যক্তিগত তথ্য বা রোগীদের নথিপত্রে প্রবেশের প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী।

অস্ট্রেলিয়ান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি নিয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সরকারি অন্য কোনো ব্যবস্থা এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, সেটিও ফরেনসিক তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ওপেনএআইয়ের মুখপাত্র ড্রিউ পুসাটেরি জানিয়েছেন, ঘটনাটি জুনে ঘটলেও কোম্পানিটি আগস্টে তাদের এআই মডেলগুলোর কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনার সময় বিষয়টি জানতে পারে। এরপর ১০ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলীয় সরকারকে ঘটনাটি জানানো হয়।

পুসাটেরি বলেন, অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের অংশ হিসেবে ওপেনএআইয়ের মডেলগুলো অস্ট্রেলিয়া নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও পরিসংখ্যান খুঁজছিল। ওই প্রক্রিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার কয়েকটি সরকারি ওয়েবসাইট ও সেবার সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু কার্যক্রম তাদের নজরে আসে।

ওপেনএআইয়ের ভাষ্য, ওই কার্যক্রমের সময় তাদের মডেল এমন কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল, যা কোম্পানিটির নির্ধারিত উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পর এর সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে অবহিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

কোম্পানিটি আরও জানিয়েছে, তাদের পর্যালোচনায় রোগীদের ব্যক্তিগত নথি বা রেকর্ডে প্রবেশের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এআই মডেলটি সামগ্রিক স্বাস্থ্য পরিসংখ্যান এবং অভ্যন্তরীণ কিছু ফাইলের নামের মতো তথ্য পেয়েছিল বলে ওপেনএআই জানিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং অন্য কোনো সরকারি ব্যবস্থা এতে প্রভাবিত হয়েছে কি না, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য ডেটা পোর্টাল হ্যাক করেছে ওপেনএআই

আপডেট সময় ০৯:১৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ জানিয়েছেন, ওপেনএআইয়ের একটি এআই এজেন্ট দেশটির সরকারি মেডিকেয়ার পরিসংখ্যান পোর্টালে অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করেছিল। এজেন্টটি ওই পোর্টালের প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য—দুই ধরনের ফাইলেই প্রবেশাধিকার পেয়েছিল বলে জানান তিনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে অস্ট্রেলিয়ান সিগন্যালস ডিরেক্টরেটের সহায়তায় ফরেনসিক তদন্ত চলছে।

অ্যালবানিজ বলেন, ঘটনাটি চলতি বছরের জুনে ঘটে। ওপেনএআইয়ের একটি এজেন্ট অস্ট্রেলিয়ার সরকারি সংস্থা সার্ভিসেস অস্ট্রেলিয়ার পরিচালিত মেডিকেয়ার স্ট্যাটিস্টিকস রিপোর্টিং সার্ভিস পোর্টালে অননুমোদিত প্রবেশ করে।

আরও পড়ুন  অস্ট্রেলিয়ায় বিষাক্ত মাশরুম খাইয়ে শ্বশুর-শাশুড়ি হত্যা, গৃহবধূ দোষী সাব্যস্ত

তার ভাষ্য অনুযায়ী, পোর্টালটিতে স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা ব্যয়সংক্রান্ত তথ্য ও পরিসংখ্যান রয়েছে। এজেন্টটি প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য উভয় ধরনের ফাইলে প্রবেশ করেছিল। তবে এখন পর্যন্ত ব্যক্তিগত তথ্য বা রোগীদের নথিপত্রে প্রবেশের প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী।

অস্ট্রেলিয়ান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি নিয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সরকারি অন্য কোনো ব্যবস্থা এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, সেটিও ফরেনসিক তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ওপেনএআইয়ের মুখপাত্র ড্রিউ পুসাটেরি জানিয়েছেন, ঘটনাটি জুনে ঘটলেও কোম্পানিটি আগস্টে তাদের এআই মডেলগুলোর কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনার সময় বিষয়টি জানতে পারে। এরপর ১০ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলীয় সরকারকে ঘটনাটি জানানো হয়।

পুসাটেরি বলেন, অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের অংশ হিসেবে ওপেনএআইয়ের মডেলগুলো অস্ট্রেলিয়া নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও পরিসংখ্যান খুঁজছিল। ওই প্রক্রিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার কয়েকটি সরকারি ওয়েবসাইট ও সেবার সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু কার্যক্রম তাদের নজরে আসে।

ওপেনএআইয়ের ভাষ্য, ওই কার্যক্রমের সময় তাদের মডেল এমন কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল, যা কোম্পানিটির নির্ধারিত উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পর এর সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে অবহিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

কোম্পানিটি আরও জানিয়েছে, তাদের পর্যালোচনায় রোগীদের ব্যক্তিগত নথি বা রেকর্ডে প্রবেশের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এআই মডেলটি সামগ্রিক স্বাস্থ্য পরিসংখ্যান এবং অভ্যন্তরীণ কিছু ফাইলের নামের মতো তথ্য পেয়েছিল বলে ওপেনএআই জানিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং অন্য কোনো সরকারি ব্যবস্থা এতে প্রভাবিত হয়েছে কি না, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।