ঢাকা ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তুরস্কের স্কুলের সামনে কিশোরের গুলিতে আহত ১১ শিক্ষার্থী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৪০:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 25

ছবি সংগৃহীত

 

তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় মানিসা প্রদেশের একটি কারিগরি স্কুলের সামনে কিশোরের গুলিতে অন্তত ১১ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে তুরগুতলু জেলার ইন্সি উজমেজ ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল অ্যানাটোলিয়ান হাই স্কুলের কাছে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ক্লাস শুরুর আগে সকাল ৮টার দিকে স্কুলের বাইরে গুলির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে স্কুলটিরই ১৫ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে আটক করে। নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজে তাকে অস্ত্র হাতে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে দেখা যায়।

আরও পড়ুন  প্রথমবারের মতো হাফতার নিয়ন্ত্রিত লিবিয়ায় ভিড়ল তুর্কি যুদ্ধজাহাজ

তুরস্কের বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক জানিয়েছেন, হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রটি কিশোরটির দাদার বলে জানা গেছে। ঘটনার তদন্তের অংশ হিসেবে তার বাবা, মা ও দাদাকেও হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। হামলার পেছনে কী কারণ ছিল, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ঘটনার পর তুরস্কের জাতীয় শিক্ষা মন্ত্রণালয় তদন্তে তিনজন পরিদর্শক নিয়োগ করেছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে ব্যাপক তদন্ত চলছে এবং আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মঙ্গলবারের শিক্ষা কার্যক্রমও স্থগিত করা হয়েছে।

এ বছরের এপ্রিলেও তুরস্কে দুটি স্কুলে গুলির ঘটনা ঘটেছিল। ১৫ এপ্রিল কাহরামানমারাস প্রদেশের একটি স্কুলে ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর গুলিতে আট শিক্ষার্থী ও এক শিক্ষক নিহত হন এবং ১৩ জন আহত হন। এর এক দিন আগে সানলিউরফা প্রদেশের একটি স্কুলে গুলির ঘটনায় ১৬ জন আহত হয়েছিল।

পরপর এসব ঘটনায় তুরস্কে স্কুলের নিরাপত্তা ও অস্ত্রের সহজলভ্যতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানিসার সর্বশেষ ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

তুরস্কের স্কুলের সামনে কিশোরের গুলিতে আহত ১১ শিক্ষার্থী

আপডেট সময় ০৮:৪০:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় মানিসা প্রদেশের একটি কারিগরি স্কুলের সামনে কিশোরের গুলিতে অন্তত ১১ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে তুরগুতলু জেলার ইন্সি উজমেজ ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল অ্যানাটোলিয়ান হাই স্কুলের কাছে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ক্লাস শুরুর আগে সকাল ৮টার দিকে স্কুলের বাইরে গুলির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে স্কুলটিরই ১৫ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে আটক করে। নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজে তাকে অস্ত্র হাতে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে দেখা যায়।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ–তুরস্ক ঐতিহাসিক বৈঠক: বাংলাদেশকে ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে দেখতে চায় তুরস্ক

তুরস্কের বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক জানিয়েছেন, হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রটি কিশোরটির দাদার বলে জানা গেছে। ঘটনার তদন্তের অংশ হিসেবে তার বাবা, মা ও দাদাকেও হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। হামলার পেছনে কী কারণ ছিল, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ঘটনার পর তুরস্কের জাতীয় শিক্ষা মন্ত্রণালয় তদন্তে তিনজন পরিদর্শক নিয়োগ করেছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে ব্যাপক তদন্ত চলছে এবং আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মঙ্গলবারের শিক্ষা কার্যক্রমও স্থগিত করা হয়েছে।

এ বছরের এপ্রিলেও তুরস্কে দুটি স্কুলে গুলির ঘটনা ঘটেছিল। ১৫ এপ্রিল কাহরামানমারাস প্রদেশের একটি স্কুলে ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর গুলিতে আট শিক্ষার্থী ও এক শিক্ষক নিহত হন এবং ১৩ জন আহত হন। এর এক দিন আগে সানলিউরফা প্রদেশের একটি স্কুলে গুলির ঘটনায় ১৬ জন আহত হয়েছিল।

পরপর এসব ঘটনায় তুরস্কে স্কুলের নিরাপত্তা ও অস্ত্রের সহজলভ্যতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানিসার সর্বশেষ ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।