বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় দক্ষ চিকিৎসক তৈরি করবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- আপডেট সময় ০৪:৫০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 26
ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইনফার্টিলিটি সেন্টারে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় দক্ষ চিকিৎসক তৈরি করতে প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেডিকেল কলেজের রিপ্রোডাক্টিভ এন্ডোক্রাইনোলজি অ্যান্ড ইনফার্টিলিটি ইউনিটে পলিসিস্টিক ওভ্যারি সিনড্রোম (পিসিওএস) সচেতনতা মাস উপলক্ষে আয়োজিত বৈজ্ঞানিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী বাজেটে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইনফার্টিলিটি সেন্টারে প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপনের উদ্যোগ বাস্তবায়নে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। পাশাপাশি বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় দক্ষ চিকিৎসক তৈরিতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন।
সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসাও গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবার অংশ। কোনো দম্পতি সন্তান জন্ম দিতে না পারলে অনেক সময় তাদের সামাজিক কটূক্তি ও হয়রানির শিকার হতে হয়। চিকিৎসার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব হলে এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকার কোনো কারণ নেই।
বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা নিতে রোগীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশের মেধাবী চিকিৎসকেরা এ ধরনের চিকিৎসা দিতে সক্ষম হলেও অনেক রোগী ভারত ও থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নিতে যান। এতে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশের বাইরে চলে যায়।
তিনি বলেন, বিদেশের সমমানের চিকিৎসা দেশে সম্ভব—এমন আস্থা তৈরি করতে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা নিয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে জেলা ও গ্রাম পর্যায়ে এ বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় থাকা নারী ও দম্পতিদের দেশে চিকিৎসা নিতে উৎসাহিত করার কথা জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শতকরা ৮০টি ক্ষেত্রেও যদি আমরা সফল হই, সেটিই দেশের জন্য বড় সাফল্য।’
বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসকদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, তাদের সহযোগিতা পেলে সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।
অধ্যাপক মুসারাত সুলতানার সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আ ন ম বজলুর রশীদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মো. মাজহারুল শাহীন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ফরহাদ হোসেন। সেমিনারে মুখবন্ধ পাঠ করেন সহকারী অধ্যাপক উমা নাগ শম্পা।























