ঢাকা ০৭:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল আলজেরিয়া দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা চান রাষ্ট্রপতি বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, সংসদে বিল পাস ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু কেড়ে নিল ৬ প্রাণ, আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ১,৪৯২ ফিলিস্তিনিদের পাশে সবসময় থাকবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মাননীয় নয়, শুধু প্রধানমন্ত্রী: নিজ দপ্তর থেকেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন প্রধানমন্ত্রীর গণঅভ্যুত্থানের অঙ্গীকার ছিল র‍্যাব বিলুপ্ত করা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে: রাষ্ট্রপতি ‘আ.লীগ এভাবে পালাবে, কোনো জ্যোতিষও ভাবেনি: ধর্মমন্ত্রী ইরানকে হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রাখার অনুরোধ পাকিস্তানের

মাননীয় নয়, শুধু প্রধানমন্ত্রী: নিজ দপ্তর থেকেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন প্রধানমন্ত্রীর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৪১:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 27

ছবি সংগৃহীত

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পদবির আগে ‘মাননীয়’সহ কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেই। একই সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতো প্রধানমন্ত্রীও নিয়মিত অনলাইন হাজিরা দিচ্ছেন বলে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফাইল, নথি ও অন্যান্য দাপ্তরিক কার্যক্রমে পদবির আগে ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা নথিতেও এখন ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’ না লিখে শুধু ‘প্রধানমন্ত্রী’ ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে এসির তাপমাত্রা নির্ধারণ: সরকারি নির্দেশনা

এর আগে বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক পরিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের এ নির্দেশনা শুধু পরিপত্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দাপ্তরিক শৃঙ্খলার ক্ষেত্রেও নিয়ম মানার দৃষ্টান্ত তৈরি করছেন প্রধানমন্ত্রী। কার্যালয়ে প্রবেশের সময় অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতো তিনিও অনলাইন হাজিরা দিচ্ছেন। দিনের কাজ শেষে কার্যালয় ছাড়ার সময় নির্ধারিত পদ্ধতিতে হাজিরা দিয়ে বের হচ্ছেন।

সরকারপ্রধান হয়েও নিয়মিত দাপ্তরিক পদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ম মেনে চলার বার্তা দেওয়া হচ্ছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসব উদ্যোগের মাধ্যমে প্রশাসনে সময়ানুবর্তিতা, জবাবদিহি ও প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে। সর্বোচ্চ পর্যায়ের একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি যখন একই দাপ্তরিক নিয়ম অনুসরণ করেন, তখন প্রশাসনের অন্যদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম পালনের প্রত্যাশা তৈরি হয়।

দায়িত্ব নেওয়ার পর রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা ও অপ্রয়োজনীয় আড়ম্বর কমাতেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারি কার্যক্রম ও প্রচারণায় তার ছবি ব্যবহার না করা, প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকলে গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে আনা এবং তার চলাচলের সময় সাধারণ মানুষের জন্য ট্রাফিক সিগন্যাল বন্ধ না রাখার মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া দেশে ও বিদেশে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ছাড়া প্রধানমন্ত্রী পতাকাবাহী গাড়ি ব্যবহার করছেন না বলেও জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসব পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সম্বোধন বা বিশেষ সুবিধার পরিবর্তে নিয়ম, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও দায়িত্বশীলতার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার বার্তা তুলে ধরা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মাননীয় নয়, শুধু প্রধানমন্ত্রী: নিজ দপ্তর থেকেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৬:৪১:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পদবির আগে ‘মাননীয়’সহ কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেই। একই সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতো প্রধানমন্ত্রীও নিয়মিত অনলাইন হাজিরা দিচ্ছেন বলে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফাইল, নথি ও অন্যান্য দাপ্তরিক কার্যক্রমে পদবির আগে ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা নথিতেও এখন ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’ না লিখে শুধু ‘প্রধানমন্ত্রী’ ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  সরকারি দপ্তরে এআই ব্যবহারে বিশেষ নির্দেশনা

এর আগে বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক পরিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের এ নির্দেশনা শুধু পরিপত্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দাপ্তরিক শৃঙ্খলার ক্ষেত্রেও নিয়ম মানার দৃষ্টান্ত তৈরি করছেন প্রধানমন্ত্রী। কার্যালয়ে প্রবেশের সময় অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতো তিনিও অনলাইন হাজিরা দিচ্ছেন। দিনের কাজ শেষে কার্যালয় ছাড়ার সময় নির্ধারিত পদ্ধতিতে হাজিরা দিয়ে বের হচ্ছেন।

সরকারপ্রধান হয়েও নিয়মিত দাপ্তরিক পদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ম মেনে চলার বার্তা দেওয়া হচ্ছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসব উদ্যোগের মাধ্যমে প্রশাসনে সময়ানুবর্তিতা, জবাবদিহি ও প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে। সর্বোচ্চ পর্যায়ের একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি যখন একই দাপ্তরিক নিয়ম অনুসরণ করেন, তখন প্রশাসনের অন্যদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম পালনের প্রত্যাশা তৈরি হয়।

দায়িত্ব নেওয়ার পর রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা ও অপ্রয়োজনীয় আড়ম্বর কমাতেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারি কার্যক্রম ও প্রচারণায় তার ছবি ব্যবহার না করা, প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকলে গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে আনা এবং তার চলাচলের সময় সাধারণ মানুষের জন্য ট্রাফিক সিগন্যাল বন্ধ না রাখার মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া দেশে ও বিদেশে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ছাড়া প্রধানমন্ত্রী পতাকাবাহী গাড়ি ব্যবহার করছেন না বলেও জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসব পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সম্বোধন বা বিশেষ সুবিধার পরিবর্তে নিয়ম, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও দায়িত্বশীলতার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার বার্তা তুলে ধরা হচ্ছে।