মালয়েশিয়ায় ইমিগ্রেশন অভিযানে ১৭৫ বিদেশি শ্রমিক আটক
- আপডেট সময় ০৯:৫৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 17
মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসীদের জন্য অভিবাসন বিভাগের অভিযান সবসময়ই উদ্বেগের কারণ, আর বৈধ ভিসা না থাকলে সেই উদ্বেগ আরও তীব্র হয়ে ওঠে।
গত শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দেশটির ইপোহ শহরে অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশিদের ধরতে অভিযানে নামেন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা। একটি দরজা প্রস্তুতকারী কারখানার কাছাকাছি পৌঁছাতেই সেখানে কর্মরত বিদেশি শ্রমিকদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। পালাতে গিয়ে বা আত্মগোপনের চেষ্টায় বেশ কয়েকজন শ্রমিক আঘাত পান।
কর্মকর্তারা লক্ষ্য করেন, ধরা পড়া এড়াতে কেউ কেউ উঁচুতে তোলা কাঠের পাটাতনের ফাঁকে শুয়ে ছিলেন, আবার কেউ শিল্পবর্জ্য রাখার ড্রাম কিংবা আলমারির ভেতরে গা ঢাকা দিয়েছিলেন। এসব লুকোচুরির চেষ্টায় তাদের জামাকাপড় ছিঁড়ে যায় এবং শরীর ধুলোবালিতে মলিন হয়ে পড়ে।
কারখানা চত্বরের কাঁটাতার-বেষ্টিত উঁচু সীমানা প্রাচীর ডিঙানোরও চেষ্টা চালান অনেকে, তবে প্রাচীরের উচ্চতার কারণে তা সফল হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে চেমোরের বারচাম ও কানথান এলাকায় কাঠের কারখানা, গ্লাভস উৎপাদন কারখানা এবং খাবারের দোকানগুলোকে কেন্দ্র করে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
মোট ৩০৫ জন শ্রমিককে যাচাইয়ের আওতায় আনা হয়, যাদের মধ্যে অভিবাসন আইন ভঙ্গের অভিযোগে ১৭৫ জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের সিংহভাগই বাংলাদেশি নাগরিক, তাদের সঙ্গে মিয়ানমার ও ভিয়েতনামের কয়েকজন নাগরিকও রয়েছেন।
জাকারিয়া শাবান আরও জানান, ধৃতদের বেশিরভাগের বিরুদ্ধে বৈধ কাগজপত্র না থাকা, কর্মানুমতি ছাড়াই কর্মরত থাকা কিংবা অনুমোদনহীনভাবে চাকরিতে যুক্ত থাকার মতো লঘু অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। কিছু শ্রমিকের কাছে এমন অনুমতিপত্র পাওয়া গেছে যা তারা যে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন সেটির জন্য প্রযোজ্য ছিল না। এমনকি বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে ভুয়া অস্থায়ী কর্মসংস্থান ভ্রমণ পাস ব্যবহারেরও প্রমাণ মিলেছে।






















