ঢাকা ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গবেষণায় বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনা ইউজিসির

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৫৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
  • / 19

ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার মান ও পরিমাণ বাড়াতে বড় ধরনের বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। এ লক্ষ্যে পিএইচডি ও পোস্ট-ডক্টরাল ফেলোশিপের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি গবেষণা খাতে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ইউজিসির ১৭৯তম পূর্ণ কমিশন সভায় সভাপতির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, ইউজিসির নিজস্ব পিএইচডি স্কলারশিপ ৭৫টি থেকে বাড়িয়ে ১০০টি করা হয়েছে। আগামী অর্থবছর থেকে ধাপে ধাপে এই সংখ্যা ৫০০-তে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিদেশে পিএইচডির সুযোগও ১০টি থেকে বাড়িয়ে ৩৫টি করা হয়েছে। একই সঙ্গে পোস্ট-ডক্টরাল ফেলোশিপের সংখ্যাও বাড়ানো হবে।

আরও পড়ুন  নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে মৌলিক গবেষণার তাগিদ কৃষিমন্ত্রীর

পিএইচডি ও পোস্ট-ডক্টরাল গবেষণায় বিশেষ বরাদ্দের জন্য আগামী অর্থবছরে সরকারের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হবে বলেও জানান ইউজিসি চেয়ারম্যান।

অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দক্ষ শিক্ষক ও গবেষকের ঘাটতি পূরণে দেশি-বিদেশি পিএইচডির সুযোগ আরও বাড়ানো প্রয়োজন। গবেষণার মান নিশ্চিত করতে ইউজিসি গবেষণাবান্ধব ও যুগোপযোগী নীতিমালা তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন আনতে গবেষণাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান কার্যক্রম হিসেবে গড়ে তুলতে চায় ইউজিসি। শুধু গবেষণার সংখ্যা বাড়ানো নয়, গবেষণার মান, প্রভাব এবং বাস্তব জীবনে এর ব্যবহার নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।
এ জন্য দক্ষ গবেষক তৈরি, আধুনিক গবেষণা অবকাঠামো গড়ে তোলা, টেকসই অর্থায়ন এবং দেশি-বিদেশি গবেষণা সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

গবেষণাপত্র প্রকাশের মধ্যেই গবেষণার সাফল্য সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের বাস্তব সমস্যা সমাধান, শিল্প ও অর্থনীতির উন্নয়নে গবেষণার ফল কাজে লাগানোর ওপরও গুরুত্ব দেন ইউজিসি চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্প-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যৌথ গবেষণা এবং গবেষণালব্ধ জ্ঞান ও উদ্ভাবনের ব্যবহার বাড়াতে হবে। গবেষণায় অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মদক্ষতা, অর্জন ও গবেষণার ফলাফলকে গুরুত্ব দেওয়ার কথাও জানান তিনি। ভবিষ্যতে গবেষণায় বিনিয়োগ আরও কৌশলগত ও ফলাফলভিত্তিক করা হবে।

সভায় ‘ইউজিসি প্রমোশনাল অ্যান্ড একাডেমিক স্টাফ ডেভেলপমেন্ট গবেষণা প্রকল্প নীতিমালা, ২০২৬’ অনুমোদন দেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

গবেষণায় বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনা ইউজিসির

আপডেট সময় ০৭:৫৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার মান ও পরিমাণ বাড়াতে বড় ধরনের বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। এ লক্ষ্যে পিএইচডি ও পোস্ট-ডক্টরাল ফেলোশিপের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি গবেষণা খাতে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ইউজিসির ১৭৯তম পূর্ণ কমিশন সভায় সভাপতির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, ইউজিসির নিজস্ব পিএইচডি স্কলারশিপ ৭৫টি থেকে বাড়িয়ে ১০০টি করা হয়েছে। আগামী অর্থবছর থেকে ধাপে ধাপে এই সংখ্যা ৫০০-তে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিদেশে পিএইচডির সুযোগও ১০টি থেকে বাড়িয়ে ৩৫টি করা হয়েছে। একই সঙ্গে পোস্ট-ডক্টরাল ফেলোশিপের সংখ্যাও বাড়ানো হবে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর বৈঠক: স্বাস্থ্যসহ অগ্রাধিকার খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আহ্বান

পিএইচডি ও পোস্ট-ডক্টরাল গবেষণায় বিশেষ বরাদ্দের জন্য আগামী অর্থবছরে সরকারের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হবে বলেও জানান ইউজিসি চেয়ারম্যান।

অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দক্ষ শিক্ষক ও গবেষকের ঘাটতি পূরণে দেশি-বিদেশি পিএইচডির সুযোগ আরও বাড়ানো প্রয়োজন। গবেষণার মান নিশ্চিত করতে ইউজিসি গবেষণাবান্ধব ও যুগোপযোগী নীতিমালা তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন আনতে গবেষণাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান কার্যক্রম হিসেবে গড়ে তুলতে চায় ইউজিসি। শুধু গবেষণার সংখ্যা বাড়ানো নয়, গবেষণার মান, প্রভাব এবং বাস্তব জীবনে এর ব্যবহার নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।
এ জন্য দক্ষ গবেষক তৈরি, আধুনিক গবেষণা অবকাঠামো গড়ে তোলা, টেকসই অর্থায়ন এবং দেশি-বিদেশি গবেষণা সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

গবেষণাপত্র প্রকাশের মধ্যেই গবেষণার সাফল্য সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের বাস্তব সমস্যা সমাধান, শিল্প ও অর্থনীতির উন্নয়নে গবেষণার ফল কাজে লাগানোর ওপরও গুরুত্ব দেন ইউজিসি চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্প-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যৌথ গবেষণা এবং গবেষণালব্ধ জ্ঞান ও উদ্ভাবনের ব্যবহার বাড়াতে হবে। গবেষণায় অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মদক্ষতা, অর্জন ও গবেষণার ফলাফলকে গুরুত্ব দেওয়ার কথাও জানান তিনি। ভবিষ্যতে গবেষণায় বিনিয়োগ আরও কৌশলগত ও ফলাফলভিত্তিক করা হবে।

সভায় ‘ইউজিসি প্রমোশনাল অ্যান্ড একাডেমিক স্টাফ ডেভেলপমেন্ট গবেষণা প্রকল্প নীতিমালা, ২০২৬’ অনুমোদন দেওয়া হয়।