ইরান যুদ্ধে ছয় শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত
- আপডেট সময় ০৩:৩১:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
- / 20
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ছয় শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে নিহতের সংখ্যা ১৮ জন এবং আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৬২৪ জন। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর পেন্টাগন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে দাবি বিবিসির।
গত ২৫ জুলাই (শনিবার) এই যুদ্ধের সর্বশেষ তথ্য জানিয়ে দেওয়া এক বিবৃতিতে পেন্টাগন এ তথ্য উল্লেখ করেছে।
পেন্টাগন জানিয়েছে, যে ১৮ জন নিহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ১৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলার সময়। বাকি চার জন নিহত হয়েছেন গত ৭ জুলাই থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে। আহত ৬২৪ জনের মধ্যে ৪১৭ জন ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলার সময় এবং বাকি ২০৭ জন এই অপারেশন শেষ হওয়ার পরবর্তীতে আহত হয়েছেন।
এদিকে ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশটিতে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড। একাধারে টানা ৪০ দিন অভিযানের পর গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে সেই যুদ্ধবিরতি বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একে অপরকে লক্ষ্য করে হামলা-পাল্টা হামলা চালিয়েছে।
অন্যদিকে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র সমাপ্তি ঘোষণা করলেও ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত রেখেছিল যুক্তরাষ্ট্র। তাছাড়া যুদ্ধের শুরুর দিকে হরমুজ প্রণালিতে বিদেশি জাহাজ চলাচলের ওপর যে অবরোধ ঘোষণা করা হয়েছিল, সেটিও প্রত্যাহার করেনি ইরান।
কিছু দিন এই হামলা-পাল্টা হামলা চলার পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ১৭ জুন ইসলামাবাদে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। উক্ত চুক্তির শর্ত ছিল—আগামী ৬০ দিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান হামলা বন্ধ রাখবে।
তবে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী হরমুজ প্রণালিতে আমিরাতের একটি ট্যাংকার জাহাজ লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানোর পর থেকে গত ৭ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পুনরায় সংঘাত শুরু হয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরস্পরকে লক্ষ্য করে ১৩ দিন হামলা ও পাল্টা হামলা চালিয়েছে। তবে গত ২৫ জুলাই থেকে উভয়পক্ষই পরস্পরের ওপর হামলা বন্ধ করেছে।





















