ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

ইরান ‘প্রস্তর যুগে ফিরে গেছে’ বলে দাবি ট্রাম্পের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৮:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • / 17

ছবি সংগৃহীত

মার্কিন সামরিক হামলার ফলে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দেশটি কার্যত ‘প্রস্তর যুগে ফিরে গেছে’ বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, গত কয়েক মাসে ইরানের সামরিক শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং দেশটির পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউজম্যাক্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সামরিক অভিযানের কারণে ইরানের সামরিক অবকাঠামো ও সক্ষমতার বড় অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে।

ইরানের ক্ষয়ক্ষতির বর্ণনা দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, দেশটির নৌবাহিনীর ১৫৯টি সামরিক জাহাজ ছিল এবং সেগুলো এখন আর কার্যকর অবস্থায় নেই। এছাড়া ইরানের সব যুদ্ধবিমান, রাডার ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

আরও পড়ুন  গোলাগুলি সময় ভেতরেই ছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, ইরানের সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ৮৪ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার ভাষায়, বর্তমানে ইরান কয়েক মাস আগের তুলনায় অনেক বেশি দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।

তবে ট্রাম্প স্বীকার করেন, ইরানের কাছে এখনও কিছু ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। যদিও তার দাবি, দেশটির অবশিষ্ট সামরিক সক্ষমতা এখন অত্যন্ত সীমিত।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ভূমিকার প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, একসময় দেশটি অঞ্চলে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করত। তবে বর্তমানে সেই অবস্থান অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, ট্রাম্পের এসব বক্তব্য তার নিজস্ব দাবি। এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি এবং দাবিগুলোর স্বাধীন যাচাইও সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরান ‘প্রস্তর যুগে ফিরে গেছে’ বলে দাবি ট্রাম্পের

আপডেট সময় ০১:০৮:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

মার্কিন সামরিক হামলার ফলে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দেশটি কার্যত ‘প্রস্তর যুগে ফিরে গেছে’ বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, গত কয়েক মাসে ইরানের সামরিক শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং দেশটির পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউজম্যাক্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সামরিক অভিযানের কারণে ইরানের সামরিক অবকাঠামো ও সক্ষমতার বড় অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে।

ইরানের ক্ষয়ক্ষতির বর্ণনা দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, দেশটির নৌবাহিনীর ১৫৯টি সামরিক জাহাজ ছিল এবং সেগুলো এখন আর কার্যকর অবস্থায় নেই। এছাড়া ইরানের সব যুদ্ধবিমান, রাডার ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

আরও পড়ুন  সৌদি যুবরাজের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, ইরানের সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ৮৪ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার ভাষায়, বর্তমানে ইরান কয়েক মাস আগের তুলনায় অনেক বেশি দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।

তবে ট্রাম্প স্বীকার করেন, ইরানের কাছে এখনও কিছু ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। যদিও তার দাবি, দেশটির অবশিষ্ট সামরিক সক্ষমতা এখন অত্যন্ত সীমিত।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ভূমিকার প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, একসময় দেশটি অঞ্চলে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করত। তবে বর্তমানে সেই অবস্থান অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, ট্রাম্পের এসব বক্তব্য তার নিজস্ব দাবি। এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি এবং দাবিগুলোর স্বাধীন যাচাইও সম্ভব হয়নি।