ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
ফ্যাসিবাদ নির্মূলে নজরুলের গান শিক্ষার্থীদের প্রেরণা জুগিয়েছে: রিজভী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ছয় জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধা যে কোনো আন্দোলন-সংগ্রামে কাজী নজরুল ছিলেন প্রধান অনুপ্রেরণা: রিজভী আজ লালচে চাঁদ দেখা যাবে যেসব অঞ্চল থেকে নেপালে বন্যা-ভূমিধসে নিহত বেড়ে ১৫৭, নিখোঁজদের বড় অংশ বিদেশি পর্যটক মাদারীপুরে পরিত্যক্ত ঘরে হাতবোমা বিস্ফোরণ, ক্ষতিগ্রস্ত টিনশেড ঘর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন আজ তিন বছর পর ‘মহানগর ৩’-এর কাজ শুরুর ইঙ্গিত দিলেন আশফাক নিপুণ ট্রাম্পের ছেলেকে হত্যায় ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা সার নিয়ে সংকটের চেয়ে রটনাই বেশি: ত্রাণমন্ত্রী

ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে না বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • / 66

ছবি: সংগৃহীত

ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদকে বাংলাদেশ কোনোভাবেই সমর্থন করে না বলে পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। বুধবার (১ জুলাই) হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলার ১০ম বার্ষিকী উপলক্ষে নিহতদের স্মরণে ঢাকাস্থ ইতালি দূতাবাস আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

হলি আর্টিজান বেকারিতে সংঘটিত হামলাকে দেশের ইতিহাসের একটি কালো অধ্যায় উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘটনার এক দশক পেরিয়ে গেলেও সেই স্মৃতি এখনও বেদনাদায়ক। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে, সে প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ শুরু থেকেই কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে। হলি আর্টিজান হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিচার সম্পন্ন করা হয়েছে। পাশাপাশি সন্ত্রাস দমনে কার্যক্রম আরও জোরদার করে জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় বৈশ্বিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কাজ করে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন  সরকারের ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্র নীতির কথা জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

স্মরণসভায় ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো, জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি, ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী, প্যালেস্টাইনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কর্মকর্তারা, নিহতদের স্বজন এবং হামলায় প্রাণে বেঁচে ফেরা জিম্মিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা ফুল দিয়ে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং মর্মান্তিক এ ঘটনার স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।

২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় ২২ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ৯ জন ইতালির, ৭ জন জাপানের, ১ জন ভারতের এবং পুলিশ সদস্যসহ ৩ জন বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন। এছাড়া নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিকও ছিলেন। এ হামলা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি করেছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে না বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৪০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদকে বাংলাদেশ কোনোভাবেই সমর্থন করে না বলে পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। বুধবার (১ জুলাই) হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলার ১০ম বার্ষিকী উপলক্ষে নিহতদের স্মরণে ঢাকাস্থ ইতালি দূতাবাস আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

হলি আর্টিজান বেকারিতে সংঘটিত হামলাকে দেশের ইতিহাসের একটি কালো অধ্যায় উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘটনার এক দশক পেরিয়ে গেলেও সেই স্মৃতি এখনও বেদনাদায়ক। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে, সে প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ শুরু থেকেই কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে। হলি আর্টিজান হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিচার সম্পন্ন করা হয়েছে। পাশাপাশি সন্ত্রাস দমনে কার্যক্রম আরও জোরদার করে জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় বৈশ্বিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কাজ করে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন  ঢাকায় গ্রেপ্তার সাবেক প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর তালুকদার

স্মরণসভায় ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো, জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি, ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী, প্যালেস্টাইনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কর্মকর্তারা, নিহতদের স্বজন এবং হামলায় প্রাণে বেঁচে ফেরা জিম্মিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা ফুল দিয়ে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং মর্মান্তিক এ ঘটনার স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।

২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় ২২ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ৯ জন ইতালির, ৭ জন জাপানের, ১ জন ভারতের এবং পুলিশ সদস্যসহ ৩ জন বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন। এছাড়া নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিকও ছিলেন। এ হামলা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি করেছিল।