পুলিশের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, সংযুক্ত করা হলো পুলিশ লাইন্সে
- আপডেট সময় ০৪:১৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
- / 20
নোয়াখালীর হাতিয়ায় বারো বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগে জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ তথা পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলমকে তার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এই অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ার পরপরই তাকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করে নোয়াখালী পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। গতকাল শনিবার (১৩ জুন ২০২৬) রাতে গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো ঘটনাটিকে অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে বিবেচনা করে প্রাথমিকভাবে এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি বর্তমানে নিবিড় তদন্তাধীন রয়েছে।
ভুক্তভোগী ওই শিশুর জবানবন্দি এবং তার পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির মা ও ভাই দীর্ঘদিন ধরে জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে রান্নার কাজ করে আসছিলেন। সেই সুবাদে ওই শিশুটিরও প্রায়ই তদন্ত কেন্দ্র এলাকায় যাতায়াত ছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগে বলা হয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম শিশুটিকে বিভিন্ন সময়ে তার নিজস্ব বাসায় ডেকে নিতেন। সেখানে পরবর্তীতে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, এই অনৈতিক ঘটনাগুলো যেন বাইরে কাউকে প্রকাশ না করা হয়, সে জন্য অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি প্রদান করতেন।
এর পাশাপাশি ঘটনা ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন সময়ে শিশুটিকে টাকার প্রলোভনও দেখানো হতো বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। নিজেদের জানমালের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে এতদিন ধরে এই বিষয়টি তারা সম্পূর্ণ গোপন রেখেছিলেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন জানান, উত্থাপিত অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং যথাযথ তদন্ত সম্পন্ন করে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।























