রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ওআইসি দেশগুলোর জোরালো সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় ০৮:৪৫:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
- / 42
রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণ সমাধানে ওআইসিভুক্ত (অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন) দেশগুলোর জোরালো সমর্থন ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে ঢাকায় নিযুক্ত ওআইসি সদস্য দেশসমূহের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সাক্ষাৎকালে ওআইসি সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিরা তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তাঁরা বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিয়োগ, বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, টেক্সটাইল এবং ওষুধ শিল্পসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিদের বক্তব্যকে স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে তাঁদের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এ সময় তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ওআইসিভুক্ত দেশসমূহের সাথে বাংলাদেশের যে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল, তা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দিনে এই সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও বহুমুখী হবে।
আলোচনার একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল রোহিঙ্গা সমস্যা। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, মানবিক কারণে আশ্রয় দেওয়া বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন বাংলাদেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক মহলে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর সক্রিয় ও ঐক্যবদ্ধ সমর্থন অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে সৌদি আরব, তুরস্ক, ফিলিস্তিন, আলজেরিয়া, ব্রুনাই, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মরক্কো, ওমান, পাকিস্তান, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ইরান, ইরাক ও লিবিয়ার হেড অব মিশনগণও বৈঠকে অংশ নেন।
প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন তাঁর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র সচিব এম ফরহাদুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। উপস্থিত কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের নতুন সরকারের গৃহীত বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিনিয়োগের ইঙ্গিত দেন।





















