ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের থাকার ভবন ধসে পড়েছে, চলছে উদ্ধার অভিযান বিদেশ ভ্রমণে বৈদেশিক মুদ্রার সীমা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পেপারবিহীন, আধুনিক সংসদ প্রতিষ্ঠায় ই-পার্লামেন্ট চালুর উদ্যোগ ইসরায়েলে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা ইরানের ঢাকার নদী দূষণমুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ আলাদা পে-স্কেলের চিন্তা শিক্ষকদের জন্য: শিক্ষামন্ত্রী মিলন দুই দিনের সফরে ঠাকুরগাঁও পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি সদস্য দেশগুলোকে লক্ষ্য করে হাইব্রিড কর্মকাণ্ডে কঠোর বার্তা ন্যাটোর নতুন চাঞ্চল্য পাকিস্তান দলে, ক্রিকেটারদের ফোন জব্দ

কাল পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোট; বাংলাদেশ সীমান্তে কড়া নিরাপত্তা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৫৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 102

ছবি সংগৃহীত

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় তথা শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কাল বুধবার (২৯ এপ্রিল)। এই হাইভোল্টেজ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে উত্তর ২৪ পরগণা সংলগ্ন সীমান্ত এলাকাগুলোতে সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চলাচলে জারি করা হয়েছে কড়াকড়ি।

গত ২৩ এপ্রিল প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণের পর কাল দ্বিতীয় ধাপে পশ্চিমবঙ্গের ১৪২টি আসনে ভোট দেবেন প্রায় ৩ কোটি ২১ লাখ ভোটার। এই দফায় ভাগ্য নির্ধারিত হবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থীর। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে ভারতীয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর (সিএপিএফ) প্রায় ২ হাজার ৪০০ কোম্পানি মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  পশ্চিমবঙ্গে প্রাথমিক গণনায় বিজেপি এগিয়ে ১৫০ আসনে

বার্তাসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগণা জেলার সীমান্ত এলাকাগুলোতে গত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা থেকে এই কড়াকড়ি শুরু হয়েছে, যা কাল ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম স্থলবন্দর পেট্রাপোল দিয়েও এই সময়ে সাধারণ যাত্রী ও পণ্যবাহী যান চলাচল সীমিত রাখা হয়েছে। স্থানীয় বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছেন, নিরাপত্তার স্বার্থে এই নির্দিষ্ট সময়ে সীমান্তে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রথম ধাপের নির্বাচনে প্রায় ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছিল, যা একটি রেকর্ড। এবার ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসকে সরিয়ে রাজ্যটিতে সরকার গঠনের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি। অন্যদিকে, ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল। আগামী ৪ মে সবকটি আসনের ফলাফল একযোগে ঘোষণা করা হবে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ যৌথভাবে টহল দিচ্ছে। বিশেষ করে অনুপ্রবেশ রুখতে ড্রোন ও সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

কাল পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোট; বাংলাদেশ সীমান্তে কড়া নিরাপত্তা

আপডেট সময় ০৫:৫৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় তথা শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কাল বুধবার (২৯ এপ্রিল)। এই হাইভোল্টেজ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে উত্তর ২৪ পরগণা সংলগ্ন সীমান্ত এলাকাগুলোতে সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চলাচলে জারি করা হয়েছে কড়াকড়ি।

গত ২৩ এপ্রিল প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণের পর কাল দ্বিতীয় ধাপে পশ্চিমবঙ্গের ১৪২টি আসনে ভোট দেবেন প্রায় ৩ কোটি ২১ লাখ ভোটার। এই দফায় ভাগ্য নির্ধারিত হবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থীর। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে ভারতীয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর (সিএপিএফ) প্রায় ২ হাজার ৪০০ কোম্পানি মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  পশ্চিমবঙ্গে প্রাথমিক গণনায় বিজেপি এগিয়ে ১৫০ আসনে

বার্তাসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগণা জেলার সীমান্ত এলাকাগুলোতে গত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা থেকে এই কড়াকড়ি শুরু হয়েছে, যা কাল ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম স্থলবন্দর পেট্রাপোল দিয়েও এই সময়ে সাধারণ যাত্রী ও পণ্যবাহী যান চলাচল সীমিত রাখা হয়েছে। স্থানীয় বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছেন, নিরাপত্তার স্বার্থে এই নির্দিষ্ট সময়ে সীমান্তে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রথম ধাপের নির্বাচনে প্রায় ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছিল, যা একটি রেকর্ড। এবার ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসকে সরিয়ে রাজ্যটিতে সরকার গঠনের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি। অন্যদিকে, ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল। আগামী ৪ মে সবকটি আসনের ফলাফল একযোগে ঘোষণা করা হবে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ যৌথভাবে টহল দিচ্ছে। বিশেষ করে অনুপ্রবেশ রুখতে ড্রোন ও সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।