ঢাকা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ; আহত অন্তত ৮

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪৩:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 118

ছবি সংগৃহীত

 

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনী পূর্ব বিরোধের জেরে বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে শাকিল মাহমুদ (২৭) নামে এক যুবদল কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের তাহেরপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন  সার্ককে আবার সক্রিয় করতে চায় বিএনপি: তারেক রহমান

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন স্থানীয় এক জামায়াত সমর্থকের ছেলেকে মারধর করেন এক বিএনপি কর্মী। সেই ঘটনার জেরে গতকাল বিকেলে স্বেচ্ছাসেবক দলের একটি আনন্দ মিছিলে যাওয়ার পথে ওই বিএনপি কর্মীকে মারধর করে জামায়াত সমর্থকরা। পরবর্তীতে রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে অতর্কিত গুলিতে বিদ্ধ হন যুবদল কর্মী শাকিল মাহমুদ।

গুলিবিদ্ধ শাকিলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন। সংঘর্ষে আহত অন্যদের মধ্যে আলাউদ্দিন, মহর আলী, মনোয়ারা বেগম, মাহফুজুর রহমান ও নাসরিন আক্তারসহ স্থানীয়দের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হামলার বিষয়ে ছয়ানী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন চৌধুরী দাবি করেন, জামায়াতের লোকজন পরিকল্পিতভাবে তাঁদের মিছিলে হামলা চালিয়েছে এবং এতে কোনো দলীয় কোন্দল নেই। অন্যদিকে, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বোরহান উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এই ঘটনা বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ফল। আমাদের কোনো নেতাকর্মী এই হামলার সাথে জড়িত নয়, উল্টো আমাদের ওপরই হামলা হয়েছে।”

বেগমগঞ্জ থানার ওসি মো. শামসুজ্জামান জানান, খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ; আহত অন্তত ৮

আপডেট সময় ০৫:৪৩:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

 

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনী পূর্ব বিরোধের জেরে বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে শাকিল মাহমুদ (২৭) নামে এক যুবদল কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের তাহেরপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন  কোন দল একা আন্দোলন করেননি, সবাই জুলাই অভ্যুত্থানে নেমে এসেছিল : ফখরুল

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন স্থানীয় এক জামায়াত সমর্থকের ছেলেকে মারধর করেন এক বিএনপি কর্মী। সেই ঘটনার জেরে গতকাল বিকেলে স্বেচ্ছাসেবক দলের একটি আনন্দ মিছিলে যাওয়ার পথে ওই বিএনপি কর্মীকে মারধর করে জামায়াত সমর্থকরা। পরবর্তীতে রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে অতর্কিত গুলিতে বিদ্ধ হন যুবদল কর্মী শাকিল মাহমুদ।

গুলিবিদ্ধ শাকিলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন। সংঘর্ষে আহত অন্যদের মধ্যে আলাউদ্দিন, মহর আলী, মনোয়ারা বেগম, মাহফুজুর রহমান ও নাসরিন আক্তারসহ স্থানীয়দের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হামলার বিষয়ে ছয়ানী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন চৌধুরী দাবি করেন, জামায়াতের লোকজন পরিকল্পিতভাবে তাঁদের মিছিলে হামলা চালিয়েছে এবং এতে কোনো দলীয় কোন্দল নেই। অন্যদিকে, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বোরহান উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এই ঘটনা বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ফল। আমাদের কোনো নেতাকর্মী এই হামলার সাথে জড়িত নয়, উল্টো আমাদের ওপরই হামলা হয়েছে।”

বেগমগঞ্জ থানার ওসি মো. শামসুজ্জামান জানান, খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।