ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জ্বালানি সংকট সত্ত্বেও শিল্প উৎপাদন ও রপ্তানি স্থিতিশীল: বাণিজ্যমন্ত্রী জ্বালানি তেলের পাম্পে ইউএনও’র ওপর হামলা; বডিগার্ড আহত চিত্রনায়িকা পূজা চেরির বাবা গ্রেপ্তার ডেনমার্ক উত্তর ইউরোপের উন্নত জীবন ও সুখের দেশ ‘জামায়াত আমির সুস্থ চিন্তা করতে পারেন না’, পল্টনে মির্জা ফখরুল উৎপাদনে ফেরার ১৫ ঘণ্টায় আবারও অচল বড়পুকুরিয়া, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শঙ্কা নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার গণমাধ্যম দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে: শ্রমমন্ত্রী মাত্র এক লাখ টাকায় রেসিং কার: রিজওয়ানের উদ্ভাবনে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার সামান্যই দেখিয়েছে ইরান; পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি

জ্বালানি সংকট সত্ত্বেও শিল্প উৎপাদন ও রপ্তানি স্থিতিশীল: বাণিজ্যমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩১:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 7

ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটেও দেশে শিল্পকারখানার উৎপাদন ও রপ্তানি প্রবাহ কমেনি বলে দাবি করেছেন শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। আজ শনিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাড়ায় জিয়া হল প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসন আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী বহুমুখী পাট পণ্য মেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, সরকার জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরেই বেসরকারি শিল্পকারখানাগুলোকে অগ্রাধিকার প্রদান করে। জ্বালানি সংকটের মধ্যেও কারখানাসমূহে উৎপাদন প্রক্রিয়া সচল রয়েছে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে রপ্তানি কিছুটা হ্রাস পেলেও তার প্রধান কারণ অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সংকট নয়, বরং বিশ্বজুড়ে চলমান রপ্তানি খাতের মৃদুভাব বা বৈশ্বিক চাহিদা কমে যাওয়া।

শিল্প খাতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সরকার এখন এমন সব শিল্পে বিনিয়োগ উৎসাহিত করছে যেগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের মাত্রা তুলনামূলক কম।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে উল্লখযোগ্য প্রবৃদ্ধি, অগ্রসর অন্যান্য খাতও

এছাড়া জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দীর্ঘমেয়াদী চাহিদা মেটাতে এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে যেকোনো সংকট মোকাবিলায় পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাস মজুতের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে।
পাট খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সোনালী আঁশকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক করতে সরকার বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে।

বিশেষ করে পাট বীজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয়ে একটি ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ হাতে নেওয়া হয়েছে। এটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বিদেশ থেকে পাট বীজ আমদানির নির্ভরতা অনেকাংশে কমে আসবে এবং স্থানীয় পাট চাষিরা লাভবান হবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং উদ্যোক্তাদের সাথে কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, সচিব আব্দুন নাসের খান, স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম এবং জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবিরসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্বালানি সংকট সত্ত্বেও শিল্প উৎপাদন ও রপ্তানি স্থিতিশীল: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:৩১:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটেও দেশে শিল্পকারখানার উৎপাদন ও রপ্তানি প্রবাহ কমেনি বলে দাবি করেছেন শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। আজ শনিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাড়ায় জিয়া হল প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসন আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী বহুমুখী পাট পণ্য মেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, সরকার জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরেই বেসরকারি শিল্পকারখানাগুলোকে অগ্রাধিকার প্রদান করে। জ্বালানি সংকটের মধ্যেও কারখানাসমূহে উৎপাদন প্রক্রিয়া সচল রয়েছে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে রপ্তানি কিছুটা হ্রাস পেলেও তার প্রধান কারণ অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সংকট নয়, বরং বিশ্বজুড়ে চলমান রপ্তানি খাতের মৃদুভাব বা বৈশ্বিক চাহিদা কমে যাওয়া।

শিল্প খাতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সরকার এখন এমন সব শিল্পে বিনিয়োগ উৎসাহিত করছে যেগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের মাত্রা তুলনামূলক কম।

আরও পড়ুন  হুথির যুদ্ধ ঘোষণা ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা

এছাড়া জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দীর্ঘমেয়াদী চাহিদা মেটাতে এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে যেকোনো সংকট মোকাবিলায় পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাস মজুতের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে।
পাট খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সোনালী আঁশকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক করতে সরকার বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে।

বিশেষ করে পাট বীজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয়ে একটি ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ হাতে নেওয়া হয়েছে। এটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বিদেশ থেকে পাট বীজ আমদানির নির্ভরতা অনেকাংশে কমে আসবে এবং স্থানীয় পাট চাষিরা লাভবান হবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং উদ্যোক্তাদের সাথে কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, সচিব আব্দুন নাসের খান, স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম এবং জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবিরসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।