ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার
রাজনৈতিক বিবেচনায় পাওয়া সব সার ডিলারশিপ

আওয়ামী আমলের সব সারের ডিলারের নিয়োগ বাতিল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৫৮:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 163

ছবি: সংগৃহীত

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ পাওয়া দেশের সব সারের ডিলারের নিয়োগ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষকদের সারের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এবং ডিলারশিপ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ফেরাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে যোগ্য ব্যক্তিদের বাছাই করে নতুন ডিলার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদের জেনারেল এম এ জি ওসমানী গেটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিগত শাসনের সময় ডিলার নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতি হয়েছে, যার ফলে কৃষকরা প্রায়ই সারের সংকটে ভুগেছেন। এই অরাজকতা বন্ধ করতেই সরকার পুরোনো সব ডিলারের নিয়োগ বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

একই সংবাদ সম্মেলনে চিফ হুইপ দেশের চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকারের বিশেষ উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, এই সমস্যা সমাধানে সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যদের সমন্বয়ে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে সরকারি দল থেকে পাঁচজন এবং বিরোধী দল থেকে পাঁচজন প্রতিনিধি রাখা হবে। কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

আরও পড়ুন  সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) নতুন নিয়োগ পাওয়া ছয় সদস্যের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।

জ্বালানি সংকট নিরসনে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার উত্থাপিত প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই উদ্যোগের বিষয়ে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, জাতীয় এই সংকট মোকাবিলায় সরকার যে কারোর গঠনমূলক পরামর্শ গ্রহণে প্রস্তুত।

পরে সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে এই প্রস্তাবটি পাস হয়। সরকার আশা করছে, এই যৌথ কমিটির মাধ্যমে জ্বালানি খাতের বিদ্যমান জটিলতার একটি কার্যকর ও বৈশ্বিক মানসম্পন্ন সমাধান বেরিয়ে আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজনৈতিক বিবেচনায় পাওয়া সব সার ডিলারশিপ

আওয়ামী আমলের সব সারের ডিলারের নিয়োগ বাতিল

আপডেট সময় ০৭:৫৮:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ পাওয়া দেশের সব সারের ডিলারের নিয়োগ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষকদের সারের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এবং ডিলারশিপ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ফেরাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে যোগ্য ব্যক্তিদের বাছাই করে নতুন ডিলার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদের জেনারেল এম এ জি ওসমানী গেটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিগত শাসনের সময় ডিলার নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতি হয়েছে, যার ফলে কৃষকরা প্রায়ই সারের সংকটে ভুগেছেন। এই অরাজকতা বন্ধ করতেই সরকার পুরোনো সব ডিলারের নিয়োগ বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

একই সংবাদ সম্মেলনে চিফ হুইপ দেশের চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকারের বিশেষ উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, এই সমস্যা সমাধানে সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যদের সমন্বয়ে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে সরকারি দল থেকে পাঁচজন এবং বিরোধী দল থেকে পাঁচজন প্রতিনিধি রাখা হবে। কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

আরও পড়ুন  ১০৫১ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ: নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সরকারের বড় পদক্ষেপ

জ্বালানি সংকট নিরসনে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার উত্থাপিত প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই উদ্যোগের বিষয়ে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, জাতীয় এই সংকট মোকাবিলায় সরকার যে কারোর গঠনমূলক পরামর্শ গ্রহণে প্রস্তুত।

পরে সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে এই প্রস্তাবটি পাস হয়। সরকার আশা করছে, এই যৌথ কমিটির মাধ্যমে জ্বালানি খাতের বিদ্যমান জটিলতার একটি কার্যকর ও বৈশ্বিক মানসম্পন্ন সমাধান বেরিয়ে আসবে।