ঢাকা ০১:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ ফুট লম্বা বার্মিজ পাইথন উদ্ধার শুটিং সেটে ‘ফোনহীন’ জীবন, ব্যতিক্রমী অক্ষয় খান্না গ্যাসচালিত পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া নিলে কঠোর ব্যবস্থা: শেখ রবিউল আলম ২৫ এপ্রিল ২০২৬ — আবার কমলো স্বর্ণের দাম ‘নিরুপায় হয়েই জ্বালানির দাম সমন্বয়’: পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল কবে কমবে তীব্র লোডশেডিং, সুখবর দিলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ইরানের ওপর বড় হামলার ছক ইসরায়েলের: যুক্তরাষ্ট্রের ‘সবুজ সংকেতের’ অপেক্ষা কপোতাক্ষ তীরে পর্যটকদের পর্যটককে নির্দয় মারধর: ভিডিও ভাইরালের পর এলাকায় তোলপাড় খেলার মাঝেই না ফেরার দেশে এনেরামো; স্তম্ভিত ফুটবল অঙ্গন সংসদ ও রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় উগ্রবাদী হামলার শঙ্কা: দেশজুড়ে হাই অ্যালার্ট

সাইপ্রাস দ্বীপ, ইতিহাস আর বিভক্ত বাস্তবতার দেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:০৩:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 16

ছবি: সংগৃহীত

ভূমধ্যসাগরের পূর্বাংশে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাস। এর আয়তন প্রায় ৯,২৫০ বর্গকিলোমিটার। রাজধানী নিকোসিয়া—যা বিশ্বের শেষ বিভক্ত রাজধানীগুলোর একটি।

ইতিহাসের দিক থেকে সাইপ্রাস বহু সভ্যতার প্রভাব বহন করে। প্রাচীন গ্রিক, রোমান, বাইজেন্টাইন এবং পরে অটোমান সাম্রাজ্য-এর শাসন এই দ্বীপে ছিল। ১৯৬০ সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভের পর গ্রিক ও তুর্কি সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, যা ১৯৭৪ সালের বিভক্তির মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বর্তমানে সাইপ্রাস রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত—দক্ষিণ অংশ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সাইপ্রাস প্রজাতন্ত্র, আর উত্তর অংশ উত্তর সাইপ্রাস নামে পরিচিত, যা সীমিত স্বীকৃতি পেয়েছে।

আরও পড়ুন  উইম্বলডনের রানি শিয়াওতেক, ইতিহাস গড়লেন দাপুটে জয় দিয়ে

রাজনৈতিকভাবে দক্ষিণ সাইপ্রাস একটি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র এবং এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন-এর সদস্য। অর্থনীতি মূলত পর্যটন, সেবা ও বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল।

সাইপ্রাস তার সুন্দর সমুদ্রসৈকত, রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া এবং ঐতিহাসিক নিদর্শনের জন্য বিখ্যাত। নাগরিক জীবনে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নত হলেও রাজনৈতিক বিভক্তি এখনো একটি বড় বাস্তবতা।

ধর্মীয়ভাবে দক্ষিণ অংশে অধিকাংশ মানুষ অর্থোডক্স খ্রিস্টান, আর উত্তর অংশে মুসলিম জনগোষ্ঠী বেশি। এই ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য দেশটির পরিচয়ের অংশ।

ভ্রমণ ও পর্যটনের ক্ষেত্রে সাইপ্রাস অত্যন্ত জনপ্রিয়। সমুদ্রসৈকত, রিসোর্ট, প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ এবং ভূমধ্যসাগরীয় জীবনধারা পর্যটকদের আকর্ষণ করে। নীল জল, সোনালি বালু এবং ঐতিহাসিক শহর মিলিয়ে এখানে ভ্রমণ এক অনন্য অভিজ্ঞতা দেয়।

সব মিলিয়ে, সাইপ্রাস এমন একটি দেশ যেখানে ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক বাস্তবতা একসাথে মিলিয়ে একটি ভিন্নধর্মী পরিচয় তৈরি করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সাইপ্রাস দ্বীপ, ইতিহাস আর বিভক্ত বাস্তবতার দেশ

আপডেট সময় ০৫:০৩:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ভূমধ্যসাগরের পূর্বাংশে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাস। এর আয়তন প্রায় ৯,২৫০ বর্গকিলোমিটার। রাজধানী নিকোসিয়া—যা বিশ্বের শেষ বিভক্ত রাজধানীগুলোর একটি।

ইতিহাসের দিক থেকে সাইপ্রাস বহু সভ্যতার প্রভাব বহন করে। প্রাচীন গ্রিক, রোমান, বাইজেন্টাইন এবং পরে অটোমান সাম্রাজ্য-এর শাসন এই দ্বীপে ছিল। ১৯৬০ সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভের পর গ্রিক ও তুর্কি সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, যা ১৯৭৪ সালের বিভক্তির মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বর্তমানে সাইপ্রাস রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত—দক্ষিণ অংশ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সাইপ্রাস প্রজাতন্ত্র, আর উত্তর অংশ উত্তর সাইপ্রাস নামে পরিচিত, যা সীমিত স্বীকৃতি পেয়েছে।

আরও পড়ুন  ইউরোপীয় ফুটবলে ইতিহাস গড়ল চেলসি: পাঁচ ট্রফির অনন্য রেকর্ড

রাজনৈতিকভাবে দক্ষিণ সাইপ্রাস একটি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র এবং এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন-এর সদস্য। অর্থনীতি মূলত পর্যটন, সেবা ও বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল।

সাইপ্রাস তার সুন্দর সমুদ্রসৈকত, রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া এবং ঐতিহাসিক নিদর্শনের জন্য বিখ্যাত। নাগরিক জীবনে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নত হলেও রাজনৈতিক বিভক্তি এখনো একটি বড় বাস্তবতা।

ধর্মীয়ভাবে দক্ষিণ অংশে অধিকাংশ মানুষ অর্থোডক্স খ্রিস্টান, আর উত্তর অংশে মুসলিম জনগোষ্ঠী বেশি। এই ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য দেশটির পরিচয়ের অংশ।

ভ্রমণ ও পর্যটনের ক্ষেত্রে সাইপ্রাস অত্যন্ত জনপ্রিয়। সমুদ্রসৈকত, রিসোর্ট, প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ এবং ভূমধ্যসাগরীয় জীবনধারা পর্যটকদের আকর্ষণ করে। নীল জল, সোনালি বালু এবং ঐতিহাসিক শহর মিলিয়ে এখানে ভ্রমণ এক অনন্য অভিজ্ঞতা দেয়।

সব মিলিয়ে, সাইপ্রাস এমন একটি দেশ যেখানে ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক বাস্তবতা একসাথে মিলিয়ে একটি ভিন্নধর্মী পরিচয় তৈরি করেছে।