ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র

সাইপ্রাস দ্বীপ, ইতিহাস আর বিভক্ত বাস্তবতার দেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:০৩:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 125

ছবি: সংগৃহীত

ভূমধ্যসাগরের পূর্বাংশে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাস। এর আয়তন প্রায় ৯,২৫০ বর্গকিলোমিটার। রাজধানী নিকোসিয়া—যা বিশ্বের শেষ বিভক্ত রাজধানীগুলোর একটি।

ইতিহাসের দিক থেকে সাইপ্রাস বহু সভ্যতার প্রভাব বহন করে। প্রাচীন গ্রিক, রোমান, বাইজেন্টাইন এবং পরে অটোমান সাম্রাজ্য-এর শাসন এই দ্বীপে ছিল। ১৯৬০ সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভের পর গ্রিক ও তুর্কি সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, যা ১৯৭৪ সালের বিভক্তির মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বর্তমানে সাইপ্রাস রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত—দক্ষিণ অংশ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সাইপ্রাস প্রজাতন্ত্র, আর উত্তর অংশ উত্তর সাইপ্রাস নামে পরিচিত, যা সীমিত স্বীকৃতি পেয়েছে।

আরও পড়ুন  দক্ষিণ আফ্রিকার স্বপ্ন ভেঙে শেষ ১৬-এ কানাডা

রাজনৈতিকভাবে দক্ষিণ সাইপ্রাস একটি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র এবং এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন-এর সদস্য। অর্থনীতি মূলত পর্যটন, সেবা ও বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল।

সাইপ্রাস তার সুন্দর সমুদ্রসৈকত, রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া এবং ঐতিহাসিক নিদর্শনের জন্য বিখ্যাত। নাগরিক জীবনে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নত হলেও রাজনৈতিক বিভক্তি এখনো একটি বড় বাস্তবতা।

ধর্মীয়ভাবে দক্ষিণ অংশে অধিকাংশ মানুষ অর্থোডক্স খ্রিস্টান, আর উত্তর অংশে মুসলিম জনগোষ্ঠী বেশি। এই ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য দেশটির পরিচয়ের অংশ।

ভ্রমণ ও পর্যটনের ক্ষেত্রে সাইপ্রাস অত্যন্ত জনপ্রিয়। সমুদ্রসৈকত, রিসোর্ট, প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ এবং ভূমধ্যসাগরীয় জীবনধারা পর্যটকদের আকর্ষণ করে। নীল জল, সোনালি বালু এবং ঐতিহাসিক শহর মিলিয়ে এখানে ভ্রমণ এক অনন্য অভিজ্ঞতা দেয়।

সব মিলিয়ে, সাইপ্রাস এমন একটি দেশ যেখানে ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক বাস্তবতা একসাথে মিলিয়ে একটি ভিন্নধর্মী পরিচয় তৈরি করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সাইপ্রাস দ্বীপ, ইতিহাস আর বিভক্ত বাস্তবতার দেশ

আপডেট সময় ০৫:০৩:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ভূমধ্যসাগরের পূর্বাংশে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাস। এর আয়তন প্রায় ৯,২৫০ বর্গকিলোমিটার। রাজধানী নিকোসিয়া—যা বিশ্বের শেষ বিভক্ত রাজধানীগুলোর একটি।

ইতিহাসের দিক থেকে সাইপ্রাস বহু সভ্যতার প্রভাব বহন করে। প্রাচীন গ্রিক, রোমান, বাইজেন্টাইন এবং পরে অটোমান সাম্রাজ্য-এর শাসন এই দ্বীপে ছিল। ১৯৬০ সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভের পর গ্রিক ও তুর্কি সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, যা ১৯৭৪ সালের বিভক্তির মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বর্তমানে সাইপ্রাস রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত—দক্ষিণ অংশ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সাইপ্রাস প্রজাতন্ত্র, আর উত্তর অংশ উত্তর সাইপ্রাস নামে পরিচিত, যা সীমিত স্বীকৃতি পেয়েছে।

আরও পড়ুন  দক্ষিণ আফ্রিকার স্বপ্ন ভেঙে শেষ ১৬-এ কানাডা

রাজনৈতিকভাবে দক্ষিণ সাইপ্রাস একটি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র এবং এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন-এর সদস্য। অর্থনীতি মূলত পর্যটন, সেবা ও বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল।

সাইপ্রাস তার সুন্দর সমুদ্রসৈকত, রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া এবং ঐতিহাসিক নিদর্শনের জন্য বিখ্যাত। নাগরিক জীবনে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নত হলেও রাজনৈতিক বিভক্তি এখনো একটি বড় বাস্তবতা।

ধর্মীয়ভাবে দক্ষিণ অংশে অধিকাংশ মানুষ অর্থোডক্স খ্রিস্টান, আর উত্তর অংশে মুসলিম জনগোষ্ঠী বেশি। এই ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য দেশটির পরিচয়ের অংশ।

ভ্রমণ ও পর্যটনের ক্ষেত্রে সাইপ্রাস অত্যন্ত জনপ্রিয়। সমুদ্রসৈকত, রিসোর্ট, প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ এবং ভূমধ্যসাগরীয় জীবনধারা পর্যটকদের আকর্ষণ করে। নীল জল, সোনালি বালু এবং ঐতিহাসিক শহর মিলিয়ে এখানে ভ্রমণ এক অনন্য অভিজ্ঞতা দেয়।

সব মিলিয়ে, সাইপ্রাস এমন একটি দেশ যেখানে ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক বাস্তবতা একসাথে মিলিয়ে একটি ভিন্নধর্মী পরিচয় তৈরি করেছে।