ঢাকা ০৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন জমার শেষ দিন আজ সংসদ অধিবেশন সরাসরি দেখার সুযোগ পাচ্ছে ১৫০ শিক্ষার্থী; মানতে হবে ৬ শর্ত অযৌক্তিক ভাড়া বৃদ্ধি রুখতে কঠোর তদারকির আশ্বাস ডা. জাহেদ উর রহমানের বাগেরহাটের ফকিরহাটে র‍্যাবের হানা: ১৩ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ ‘নতুন তাস’ খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান; ফুরিয়ে আসছে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি স্থায়ী চুক্তির আগে ইরানি বন্দরে অবরোধ প্রত্যাহারে ট্রাম্পের অস্বীকৃতি ব্যক্তিগত গাড়ির চাপে অচল ঢাকা, কেন্দ্রে পৌঁছাতেও হিমশিম শিক্ষার্থীরা এসএসসি পরীক্ষা থেকে গায়েব ৪ লাখ শিক্ষার্থী হুমকির মুখে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা নাকচ ইরানের

নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় যুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 40

ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছেন বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গতকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) ডেট্রয়েটে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির একটি তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বক্তব্যের শুরুতে কমলা হ্যারিস বলেন, “নেতানিয়াহুর উস্কানিতে ট্রাম্প এমন এক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছেন যা আমেরিকার সাধারণ জনগণ চায় না। ট্রাম্প কেবল নিজের শক্তি প্রদর্শনের জন্য মার্কিন সেনাদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছেন।” তিনি আরও যোগ করেন যে, ট্রাম্প এমন একটি ধারণা তৈরি করতে চান যেন তিনি ইচ্ছেমতো যেকোনো দেশের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে পারেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করে কমলা হ্যারিস একে আমেরিকার ইতিহাসের ‘সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত, নির্মম ও অদক্ষ’ সরকার হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তাঁর মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতি দেশের স্বার্থের চেয়ে নির্দিষ্ট কিছু নেতার ইচ্ছাপূরণকে প্রাধান্য দিচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনা: সিরীয় প্রেসিডেন্টের কঠোর সমালোচনা"

তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর অনুসারীরা বরাবরই এমন অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। গত মাসে এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেছিলেন, “কেউ কি সত্যিই মনে করে যে আমাকে (ট্রাম্পকে) কী করতে হবে তা অন্য কেউ বলে দিতে পারে?” তিনি নিজেকে সব সময় ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির অনুসারী হিসেবে দাবি করেন।

আসন্ন নির্বাচনের আগে হ্যারিসের এই বক্তব্য মার্কিন রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য ইস্যু এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যবহার নিয়ে দুই দলের বিপরীতমুখী অবস্থান নির্বাচনের প্রধান ইস্যু হয়ে দাঁড়াতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় যুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা

আপডেট সময় ১২:১১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছেন বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গতকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) ডেট্রয়েটে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির একটি তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বক্তব্যের শুরুতে কমলা হ্যারিস বলেন, “নেতানিয়াহুর উস্কানিতে ট্রাম্প এমন এক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছেন যা আমেরিকার সাধারণ জনগণ চায় না। ট্রাম্প কেবল নিজের শক্তি প্রদর্শনের জন্য মার্কিন সেনাদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছেন।” তিনি আরও যোগ করেন যে, ট্রাম্প এমন একটি ধারণা তৈরি করতে চান যেন তিনি ইচ্ছেমতো যেকোনো দেশের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে পারেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করে কমলা হ্যারিস একে আমেরিকার ইতিহাসের ‘সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত, নির্মম ও অদক্ষ’ সরকার হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তাঁর মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতি দেশের স্বার্থের চেয়ে নির্দিষ্ট কিছু নেতার ইচ্ছাপূরণকে প্রাধান্য দিচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের শুল্কে ১০ বিলিয়ন ইউরো লোকসানে পড়ছে জার্মান গাড়ি শিল্প, মার্সিডিজ-পোর্শে বিপর্যস্ত

তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর অনুসারীরা বরাবরই এমন অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। গত মাসে এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেছিলেন, “কেউ কি সত্যিই মনে করে যে আমাকে (ট্রাম্পকে) কী করতে হবে তা অন্য কেউ বলে দিতে পারে?” তিনি নিজেকে সব সময় ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির অনুসারী হিসেবে দাবি করেন।

আসন্ন নির্বাচনের আগে হ্যারিসের এই বক্তব্য মার্কিন রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য ইস্যু এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যবহার নিয়ে দুই দলের বিপরীতমুখী অবস্থান নির্বাচনের প্রধান ইস্যু হয়ে দাঁড়াতে পারে।