ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার বার্তা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:২০:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 102

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি দেশটির সশস্ত্র বাহিনীকে উদ্দেশ্য করে এক বিশেষ লিখিত বার্তা প্রদান করেছেন। ইরানের জাতীয় ‘আর্মি ডে’ উপলক্ষে প্রকাশিত এই বার্তায় তিনি দেশের প্রতিরক্ষা শক্তি এবং শত্রুদের মোকাবিলায় প্রস্তুতির বিষয়ে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো এই বার্তাটি প্রচার করে।

প্রকাশিত বার্তায় মোজতবা খামেনি সরাসরি কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করলেও ‘শত্রুদের’ প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেন, ইরানের নৌবাহিনী যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং শত্রুদের ‘নতুন পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ’ উপহার দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত। তবে তার এই বক্তব্যের কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা নির্দিষ্ট কোনো হুমকির কথা উল্লেখ করা হয়নি।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের নজর ছিল সাম্প্রতিক সময়ে ইরানি কর্মকর্তাদের আলোচনার কেন্দ্রে থাকা ‘হরমুজ প্রণালী’ সংকট এবং ‘ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি আলোচনা’ প্রসঙ্গে সর্বোচ্চ নেতার অবস্থানের দিকে। তবে বিস্ময়করভাবে এই লিখিত বার্তায় ওই দুটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু সম্পর্কে সরাসরি কোনো মন্তব্য করা হয়নি। একে তেহরানের কৌশলগত নীরবতা হিসেবে দেখছেন অনেকে।

আরও পড়ুন  ইরানের মতো ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীকে বিমান হামলার হুমকি দিলো ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র

উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চের শুরুতে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মোজতবা খামেনিকে এখন পর্যন্ত আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। আর্মি ডে-র এই বার্তাটিও আগের মতোই কেবল লিখিত আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁর জনসমক্ষে না আসা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা গুঞ্জন ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এই বার্তাটি সামরিক বাহিনীর মনোবল বৃদ্ধির একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে তাঁর রহস্যময় অনুপস্থিতি এবং মূল কূটনৈতিক ইস্যুগুলো নিয়ে নীরবতা ইরানের আগামী দিনের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার বার্তা

আপডেট সময় ০৮:২০:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি দেশটির সশস্ত্র বাহিনীকে উদ্দেশ্য করে এক বিশেষ লিখিত বার্তা প্রদান করেছেন। ইরানের জাতীয় ‘আর্মি ডে’ উপলক্ষে প্রকাশিত এই বার্তায় তিনি দেশের প্রতিরক্ষা শক্তি এবং শত্রুদের মোকাবিলায় প্রস্তুতির বিষয়ে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো এই বার্তাটি প্রচার করে।

প্রকাশিত বার্তায় মোজতবা খামেনি সরাসরি কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করলেও ‘শত্রুদের’ প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেন, ইরানের নৌবাহিনী যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং শত্রুদের ‘নতুন পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ’ উপহার দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত। তবে তার এই বক্তব্যের কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা নির্দিষ্ট কোনো হুমকির কথা উল্লেখ করা হয়নি।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের নজর ছিল সাম্প্রতিক সময়ে ইরানি কর্মকর্তাদের আলোচনার কেন্দ্রে থাকা ‘হরমুজ প্রণালী’ সংকট এবং ‘ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি আলোচনা’ প্রসঙ্গে সর্বোচ্চ নেতার অবস্থানের দিকে। তবে বিস্ময়করভাবে এই লিখিত বার্তায় ওই দুটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু সম্পর্কে সরাসরি কোনো মন্তব্য করা হয়নি। একে তেহরানের কৌশলগত নীরবতা হিসেবে দেখছেন অনেকে।

আরও পড়ুন  ইসরায়েলি হামলার ধ্বংসস্তূপের নিচে রয়ে গেছে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম

উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চের শুরুতে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মোজতবা খামেনিকে এখন পর্যন্ত আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। আর্মি ডে-র এই বার্তাটিও আগের মতোই কেবল লিখিত আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁর জনসমক্ষে না আসা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা গুঞ্জন ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এই বার্তাটি সামরিক বাহিনীর মনোবল বৃদ্ধির একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে তাঁর রহস্যময় অনুপস্থিতি এবং মূল কূটনৈতিক ইস্যুগুলো নিয়ে নীরবতা ইরানের আগামী দিনের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।