ঢাকা ০৭:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন আলোচিত ফারজানা সিঁথি সাকিবকে লম্বা সময়ের জন্য জাতীয় দলে চান প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ মুছে দেওয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী খাগড়াছড়িতে বিজিবির অভিযানে ১,৪০০ রাউন্ড গোলাবারুদ জব্দ সৈয়দপুরে হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে আনা হচ্ছে ঢাকায় ত্রিনিদাদ ও টোবাগো সংস্কৃতি, জ্বালানি আর কার্নিভালের দেশ চমক ছাড়াই কিউইদের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দল ঘোষণা নিরাপত্তার অজুহাতে ফের দুর্নীতি মামলার শুনানি পেছানোর আবেদন নেতানিয়াহুর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র গঠনমূলক আলোচনা করবে, আশা ইসহাক দারের আফগানিস্তানে পিকনিক স্পটে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত অন্তত ৪

যুদ্ধবিরতি হলেও কাটবে না জ্বালানি সংকট: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৫৪:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 19

ছবি সংগৃহীত

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন যে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে কোনো যুদ্ধবিরতি হলেও বিশ্বজুড়ে বিদ্যমান জ্বালানি সংকট সহজে কাটবে না। শুক্রবার নবম ভারত মহাসাগরীয় কনফারেন্সে (আইওসি) বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি উল্লেখ করেন যে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল বর্তমানে এক উত্তাল সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং এই সংকট দেশগুলোর অর্থনীতি ও সমাজকে হুমকির মুখে ফেলছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তিনি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার এবং একে অপরের সম্পদের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তার পুরো কাঠামোটি নতুন করে পর্যালোচনার দাবি জানান। তিনি বলেন যে যেহেতু বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির প্রচলিত ধারণাগুলো বদলে যাচ্ছে, তাই প্রান্তিক ও পরিবেশগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়া এবং উন্নয়নের ধারা বজায় রাখা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।
এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে এবং সংকট মোকাবিলায় আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজনীয়তা তিনি জোরালোভাবে তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন  যে শর্তে ইসরায়েলের সব বন্দিকে মুক্তি দিতে রাজি হামাস?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন দর্শনের কথা উল্লেখ করে ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশে ‘সুপার সোর্সিং হাব’ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন যে এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের সাথে আরও শক্তিশালীভাবে যুক্ত করা।
একইসাথে জেলা ও উপকূলীয় অঞ্চলের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পগুলোকে (এসএমই) শক্তিশালী করার মাধ্যমে স্থানীয় উদ্ভাবনকে বিশ্ববাজারের চাহিদার সাথে মেলাতে হবে। তিনি মনে করেন যে বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো উন্নত প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করা এবং আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা বৃদ্ধি করাই হবে ভবিষ্যতের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুদ্ধবিরতি হলেও কাটবে না জ্বালানি সংকট: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৫৪:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন যে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে কোনো যুদ্ধবিরতি হলেও বিশ্বজুড়ে বিদ্যমান জ্বালানি সংকট সহজে কাটবে না। শুক্রবার নবম ভারত মহাসাগরীয় কনফারেন্সে (আইওসি) বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি উল্লেখ করেন যে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল বর্তমানে এক উত্তাল সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং এই সংকট দেশগুলোর অর্থনীতি ও সমাজকে হুমকির মুখে ফেলছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তিনি এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার এবং একে অপরের সম্পদের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তার পুরো কাঠামোটি নতুন করে পর্যালোচনার দাবি জানান। তিনি বলেন যে যেহেতু বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির প্রচলিত ধারণাগুলো বদলে যাচ্ছে, তাই প্রান্তিক ও পরিবেশগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়া এবং উন্নয়নের ধারা বজায় রাখা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।
এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে এবং সংকট মোকাবিলায় আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজনীয়তা তিনি জোরালোভাবে তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন  জ্বালানি সংকটে শিল্পে ধস, সাথে বিনিয়োগ স্থবির - আতঙ্কে উদ্যোক্তারা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন দর্শনের কথা উল্লেখ করে ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশে ‘সুপার সোর্সিং হাব’ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন যে এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের সাথে আরও শক্তিশালীভাবে যুক্ত করা।
একইসাথে জেলা ও উপকূলীয় অঞ্চলের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পগুলোকে (এসএমই) শক্তিশালী করার মাধ্যমে স্থানীয় উদ্ভাবনকে বিশ্ববাজারের চাহিদার সাথে মেলাতে হবে। তিনি মনে করেন যে বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো উন্নত প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করা এবং আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা বৃদ্ধি করাই হবে ভবিষ্যতের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি।