ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

বান্দরবানে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ড: ভস্মীভূত ৪ বসতবাড়ি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / 134

ছবি: সংগৃহীত

 

বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় রান্নাঘরের গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে সৃষ্ট এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চারটি বসতঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চাইমং ছড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের প্রায় আধা ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে চারটি পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, রাত সাড়ে ৯টার দিকে ওই এলাকার বাসিন্দা বিনিময় তঞ্চগ্যার বাড়ির রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ধারণা করা হচ্ছে, রান্নার কাজে ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে গ্যাস ছড়িয়ে পড়লে সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং পাশের ঘরগুলোতেও আগুন ধরে যায়।

আরও পড়ুন  চুয়াডাঙ্গায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ফার্নিচার কারখানাসহ বহু দোকান পুড়ে ছাই, কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি

ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। সংবাদ পেয়ে রোয়াংছড়ি ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রায় ৩০ মিনিটের নিরলস প্রচেষ্টার পর তারা আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তবে আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় বসতবাড়ির মালামাল রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

অগ্নিকাণ্ডে বিনিময় তঞ্চগ্যার ঘরসহ মোট চারটি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে দুটি ছিল বাঁশ ও কাঠের তৈরি কাঁচা ঘর এবং বাকি দুটি ছিল সেমি-পাকা ঘর। আগুনে ঘরগুলোর ভেতরে থাকা আসবাবপত্র, খাদ্যশস্য ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র পুড়ে গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক আর্থিক পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে।

রোয়াংছড়ি ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ ইফতেখার উদ্দিন জানান, প্রাথমিকভাবে রান্নাঘরের গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এটি কোনো কারিগরি ত্রুটি নাকি অসাবধানতাবশত ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষেই অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য জানানো সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বান্দরবানে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ড: ভস্মীভূত ৪ বসতবাড়ি

আপডেট সময় ০৩:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

 

বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় রান্নাঘরের গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে সৃষ্ট এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চারটি বসতঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চাইমং ছড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের প্রায় আধা ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে চারটি পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, রাত সাড়ে ৯টার দিকে ওই এলাকার বাসিন্দা বিনিময় তঞ্চগ্যার বাড়ির রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ধারণা করা হচ্ছে, রান্নার কাজে ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে গ্যাস ছড়িয়ে পড়লে সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং পাশের ঘরগুলোতেও আগুন ধরে যায়।

আরও পড়ুন  আগুনে পুড়ে ছাই গাজীপুরে কলোনির ৫৭ ঘর

ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। সংবাদ পেয়ে রোয়াংছড়ি ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রায় ৩০ মিনিটের নিরলস প্রচেষ্টার পর তারা আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তবে আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় বসতবাড়ির মালামাল রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

অগ্নিকাণ্ডে বিনিময় তঞ্চগ্যার ঘরসহ মোট চারটি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে দুটি ছিল বাঁশ ও কাঠের তৈরি কাঁচা ঘর এবং বাকি দুটি ছিল সেমি-পাকা ঘর। আগুনে ঘরগুলোর ভেতরে থাকা আসবাবপত্র, খাদ্যশস্য ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র পুড়ে গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক আর্থিক পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে।

রোয়াংছড়ি ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ ইফতেখার উদ্দিন জানান, প্রাথমিকভাবে রান্নাঘরের গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এটি কোনো কারিগরি ত্রুটি নাকি অসাবধানতাবশত ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষেই অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য জানানো সম্ভব হবে।