ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

মোটরসাইকেলে এসে ছাত্রদল নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪১:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 19

ছবি সংগৃহীত

 

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় ইমরান হোসেন সোহাগ (২৬) নামের এক ছাত্রদল নেতাকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে একদল দুর্বৃত্ত। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সাঁড়া গোপালপুর এলাকায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সোহাগ উপজেলা ছাত্রদলের একটি পক্ষের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন বলে জানা গেছে।

নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মন্নবীপাড়া গ্রামের এনামুল হকের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় সোহাগ তার বন্ধুদের নিয়ে সাঁড়া গোপালপুর রেললাইনের পাশে একটি চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ মোটরসাইকেলে করে কয়েকজন সশস্ত্র দুর্বৃত্ত সেখানে আসে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা সোহাগকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

আরও পড়ুন  রাজধানীতে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ঈশ্বরদী থানা পুলিশ। ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার ঘটনার ভয়াবহতা নিশ্চিত করে জানান, হামলায় সোহাগের মাথার একটি অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

কী কারণে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। রাজনৈতিক বিরোধ নাকি ব্যক্তিগত কোনো শত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, অপরাধীদের শনাক্ত করতে এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

ছাত্রদল নেতার এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর ঈশ্বরদী ও পাকশী এলাকায় উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মোটরসাইকেলে এসে ছাত্রদল নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা

আপডেট সময় ০৩:৪১:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

 

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় ইমরান হোসেন সোহাগ (২৬) নামের এক ছাত্রদল নেতাকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে একদল দুর্বৃত্ত। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সাঁড়া গোপালপুর এলাকায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সোহাগ উপজেলা ছাত্রদলের একটি পক্ষের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন বলে জানা গেছে।

নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মন্নবীপাড়া গ্রামের এনামুল হকের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় সোহাগ তার বন্ধুদের নিয়ে সাঁড়া গোপালপুর রেললাইনের পাশে একটি চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ মোটরসাইকেলে করে কয়েকজন সশস্ত্র দুর্বৃত্ত সেখানে আসে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা সোহাগকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

আরও পড়ুন  ডিসি সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা, থাকছে নানা গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা 

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ঈশ্বরদী থানা পুলিশ। ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার ঘটনার ভয়াবহতা নিশ্চিত করে জানান, হামলায় সোহাগের মাথার একটি অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

কী কারণে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। রাজনৈতিক বিরোধ নাকি ব্যক্তিগত কোনো শত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, অপরাধীদের শনাক্ত করতে এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

ছাত্রদল নেতার এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর ঈশ্বরদী ও পাকশী এলাকায় উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।