ভুঁড়ি ও মেদবৃদ্ধিতে হৃদরোগের ঝুঁকি: সুস্থ থাকতে জীবনযাপনে বদল জরুরি
- আপডেট সময় ১২:৪০:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
- / 25
বাড়তে থাকা ভুঁড়ি কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্যই নষ্ট করে না, বরং এটি শরীরে মারাত্মক সব রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকদের মতে, পেটের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ওপর জমা হওয়া মেদ বা ‘ভিসেরাল ফ্যাট’ হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে বিপাকক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এর ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে এবং উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও হৃদরোগের মতো জটিলতা দেখা দেয়। তাই ভুঁড়িকে কেবল সুখের চিহ্ন মনে না করে একে অসুখের ইঙ্গিত হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
মেদ নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমেই খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন আনা চাই। চিনি, মিষ্টি, অতিরিক্ত ভাজাভুজি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার পুরোপুরি বর্জন করে খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন, ফাইবার, টাটকা শাকসবজি ও ফলমূল রাখতে হবে। দিনের শুরুতে হালকা গরম পানি বা চিয়া সিড ভেজানো পানি পান করা বিপাকক্রিয়া সচল রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি শরীরের বাড়তি মেদ ঝরাতে নিয়মিত দ্রুত হাঁটা, সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা এবং যোগাসনের অভ্যাস করা অত্যন্ত জরুরি।
সুস্থতার জন্য সঠিক খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম এবং সুশৃঙ্খল জীবনযাপনও অপরিহার্য। ঘুমের অভাব হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে মানসিক চাপ ও মেদ বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়া রাতে দেরিতে খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করে দ্রুত রাতের খাবার শেষ করা এবং নিয়মিত মদ্যপান পরিহার করা উচিত। জীবনযাত্রায় এই পরিবর্তনগুলো আনলে মেদ কমার পাশাপাশি শরীরের ক্লান্তি দূর হয় এবং ডায়াবেটিস ও রক্তচাপের মতো রোগগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।


























