ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ মির্জা আব্বাস দেশে ফিরে; যোগ দিয়েছেন নিজ দাফতরিক কাজে উল্টোপথে গাড়ি চালানোর অভিযোগে মন্ত্রীর গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা ছাত্রদলের পুস্তিকা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন করলেন রিজভী সাংবাদিকের লেখায় যেন কারও জীবন, ক্যারিয়ার ও মানসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়: তথ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে দুই সপ্তাহের মধ্যে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জন্মের ১০০ বছরে উত্তম কুমার, দুই বাংলার দর্শকের ভালোবাসায় অমর মহানায়ক বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে হবে, তারিখ ঘোষণা ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

ভুঁড়ি ও মেদবৃদ্ধিতে হৃদরোগের ঝুঁকি: সুস্থ থাকতে জীবনযাপনে বদল জরুরি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪০:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 154

ছবি: সংগৃহীত

বাড়তে থাকা ভুঁড়ি কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্যই নষ্ট করে না, বরং এটি শরীরে মারাত্মক সব রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকদের মতে, পেটের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ওপর জমা হওয়া মেদ বা ‘ভিসেরাল ফ্যাট’ হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে বিপাকক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এর ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে এবং উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও হৃদরোগের মতো জটিলতা দেখা দেয়। তাই ভুঁড়িকে কেবল সুখের চিহ্ন মনে না করে একে অসুখের ইঙ্গিত হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

মেদ নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমেই খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন আনা চাই। চিনি, মিষ্টি, অতিরিক্ত ভাজাভুজি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার পুরোপুরি বর্জন করে খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন, ফাইবার, টাটকা শাকসবজি ও ফলমূল রাখতে হবে। দিনের শুরুতে হালকা গরম পানি বা চিয়া সিড ভেজানো পানি পান করা বিপাকক্রিয়া সচল রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি শরীরের বাড়তি মেদ ঝরাতে নিয়মিত দ্রুত হাঁটা, সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা এবং যোগাসনের অভ্যাস করা অত্যন্ত জরুরি।

সুস্থতার জন্য সঠিক খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম এবং সুশৃঙ্খল জীবনযাপনও অপরিহার্য। ঘুমের অভাব হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে মানসিক চাপ ও মেদ বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়া রাতে দেরিতে খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করে দ্রুত রাতের খাবার শেষ করা এবং নিয়মিত মদ্যপান পরিহার করা উচিত। জীবনযাত্রায় এই পরিবর্তনগুলো আনলে মেদ কমার পাশাপাশি শরীরের ক্লান্তি দূর হয় এবং ডায়াবেটিস ও রক্তচাপের মতো রোগগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।

আরও পড়ুন  হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন বহুমুখী অভিনেতা দিলীপ রাজ

নিউজটি শেয়ার করুন

ভুঁড়ি ও মেদবৃদ্ধিতে হৃদরোগের ঝুঁকি: সুস্থ থাকতে জীবনযাপনে বদল জরুরি

আপডেট সময় ১২:৪০:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

বাড়তে থাকা ভুঁড়ি কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্যই নষ্ট করে না, বরং এটি শরীরে মারাত্মক সব রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকদের মতে, পেটের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ওপর জমা হওয়া মেদ বা ‘ভিসেরাল ফ্যাট’ হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে বিপাকক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এর ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে এবং উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও হৃদরোগের মতো জটিলতা দেখা দেয়। তাই ভুঁড়িকে কেবল সুখের চিহ্ন মনে না করে একে অসুখের ইঙ্গিত হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

মেদ নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমেই খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন আনা চাই। চিনি, মিষ্টি, অতিরিক্ত ভাজাভুজি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার পুরোপুরি বর্জন করে খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন, ফাইবার, টাটকা শাকসবজি ও ফলমূল রাখতে হবে। দিনের শুরুতে হালকা গরম পানি বা চিয়া সিড ভেজানো পানি পান করা বিপাকক্রিয়া সচল রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি শরীরের বাড়তি মেদ ঝরাতে নিয়মিত দ্রুত হাঁটা, সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা এবং যোগাসনের অভ্যাস করা অত্যন্ত জরুরি।

সুস্থতার জন্য সঠিক খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম এবং সুশৃঙ্খল জীবনযাপনও অপরিহার্য। ঘুমের অভাব হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে মানসিক চাপ ও মেদ বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়া রাতে দেরিতে খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করে দ্রুত রাতের খাবার শেষ করা এবং নিয়মিত মদ্যপান পরিহার করা উচিত। জীবনযাত্রায় এই পরিবর্তনগুলো আনলে মেদ কমার পাশাপাশি শরীরের ক্লান্তি দূর হয় এবং ডায়াবেটিস ও রক্তচাপের মতো রোগগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।

আরও পড়ুন  হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে প্লাস্টিকের রাসায়নিক ডিইএইচপি