ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টানা দামে আগুন: ভরিতে ২.৪৭ লাখ ছাড়াল স্বর্ণ, চাপে ক্রেতারা দীর্ঘদিন সংসার করলে স্বামী-স্ত্রীর চেহারা কি সত্যিই মিলে যায়? আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে বিমানবাহিনীর ‘আকাশ বিজয়’ মহড়া ৬.১ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো পাকিস্তান যাত্রাবাড়ীতে ট্রাকের ধাক্কায় রিকশাচালকসহ নিহত ২ কালবৈশাখীর শঙ্কা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অফিস শিল্প খাতের সংকট নিরসনে আজ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বসছেন প্রধানমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগুনে নিঃস্ব দুই পরিবার ছিনতাইকারীর কবলে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিশুশিল্পী ঋদ্ধি পেন্টাগনের স্বীকারোক্তি: ইরান যুদ্ধে নিহত ১৩, আহত ৩ শতাধিক মার্কিন সেনা

হাতিরপুলের খাবার দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিটের চেষ্টায় রক্ষা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:১৪:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • / 20

ছবি খবরের কথা

 

রাজধানীর হাতিরপুল এলাকায় একটি খাবার দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে এই আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিটের দ্রুত ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার রহিমা খাতুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুপুর ২টা ৫০ মিনিটের দিকে তারা হাতিরপুলের একটি খাবার হোটেলে আগুন লাগার খবর পান। খবর পাওয়ার সাথে সাথেই নিকটস্থ ফায়ার স্টেশন থেকে অগ্নিনির্বাপক দলগুলো ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

আরও পড়ুন  বুসান বিমানবন্দরে যাত্রীবাহী বিমানে অগ্নিকাণ্ড, অল্পের জন্য রক্ষা

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পলাশী ব্যারাক ফায়ার স্টেশন থেকে দ্রুত চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ঘনবসতিপূর্ণ এবং ব্যস্ততম এলাকা হওয়ায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকলেও ফায়ার কর্মীদের দক্ষতায় স্বল্প সময়ের মধ্যেই তা নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন নেভানোর পর বর্তমানে সেখানে ড্যাম্পিংয়ের কাজ চলছে।

প্রাথমিকভাবে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনো প্রাণহানি বা গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে হোটেলের আসবাবপত্র ও মালামালের কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় হোটেলের ভেতরে থাকা লোকজন দ্রুত বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন।

আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বৈদ্যুতিক গোলযোগ নাকি রান্নাঘরের গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা খতিয়ে দেখছে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ জানা যাবে।

ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকায় হঠাৎ আগুনের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে আশেপাশের দোকানদার ও পথচারীদের মধ্যে সাময়িক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। তবে ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত উপস্থিতিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

হাতিরপুলের খাবার দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিটের চেষ্টায় রক্ষা

আপডেট সময় ০৬:১৪:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

 

রাজধানীর হাতিরপুল এলাকায় একটি খাবার দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে এই আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিটের দ্রুত ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার রহিমা খাতুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুপুর ২টা ৫০ মিনিটের দিকে তারা হাতিরপুলের একটি খাবার হোটেলে আগুন লাগার খবর পান। খবর পাওয়ার সাথে সাথেই নিকটস্থ ফায়ার স্টেশন থেকে অগ্নিনির্বাপক দলগুলো ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

আরও পড়ুন  সাজেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: পুড়ে গেছে ৩০টি রিসোর্ট, আগুন নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পলাশী ব্যারাক ফায়ার স্টেশন থেকে দ্রুত চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ঘনবসতিপূর্ণ এবং ব্যস্ততম এলাকা হওয়ায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকলেও ফায়ার কর্মীদের দক্ষতায় স্বল্প সময়ের মধ্যেই তা নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন নেভানোর পর বর্তমানে সেখানে ড্যাম্পিংয়ের কাজ চলছে।

প্রাথমিকভাবে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনো প্রাণহানি বা গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে হোটেলের আসবাবপত্র ও মালামালের কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় হোটেলের ভেতরে থাকা লোকজন দ্রুত বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন।

আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বৈদ্যুতিক গোলযোগ নাকি রান্নাঘরের গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা খতিয়ে দেখছে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ জানা যাবে।

ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকায় হঠাৎ আগুনের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে আশেপাশের দোকানদার ও পথচারীদের মধ্যে সাময়িক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। তবে ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত উপস্থিতিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।